<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934</id><updated>2012-02-16T19:23:32.729+06:00</updated><category term='খুদে পন্ডিতদের জন্য'/><category term='কবিতা/ছড়া'/><category term='রম্য'/><category term='ফিচার'/><category term='সাজঘর থেকে'/><category term='English'/><category term='প্রবন্ধ-নিবন্ধ'/><category term='পাতায় পাতায় পাতা'/><category term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>ঢেউয়ের চূড়ায় আকাশ ভাঙে</title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>86</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-3003009036306291118</id><published>2012-01-27T15:42:00.003+06:00</published><updated>2012-01-27T15:54:28.636+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফিচার'/><title type='text'>মেঘে ঢাকা তারা</title><content type='html'>&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-PrO72s-YuB8/TyJyvS44HbI/AAAAAAAAARI/fww25lSWShY/s1600/Cover.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 210px; height: 320px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-PrO72s-YuB8/TyJyvS44HbI/AAAAAAAAARI/fww25lSWShY/s320/Cover.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702246235054284210" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;ফাহমিদা নবীর গান কখনো ঝিলিমিলি স্বপ্নাবেশ। কখনো এক বিকেল রোদ অথবা ভরা জোসনা। তার জীবনও কিন্তু সরলরেখা নয়। এঁকেবেকে চলা নদীর মতোই। এই জীবন-যৌবনের ভাঁজে ভাঁজে আছে অনেক অন্ধকারও। ঠিক মেঘে ঢাকা তারার মতো।&lt;/span&gt;&lt;br style="font-style: italic;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;৪ জানুয়ারি এই শিল্পীর জন্মদিন। এ উপলে তার প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাসি আর ফুল। এ দুটো অনুষঙ্গ এক করলে যে ছবিটি দাঁড়ায়, সেটা হলো ফাহমিদা নবীর। ফাহমিদা নবী মানে হাসি, ফাহমিদা নবী মানেই ‘চুলে তাহার সাদা ফুল’। অর্থাৎ তিনি সুন্দর- ভেতরে ও বাইরে। জীবনকেও সাজাতে চান সুন্দর করে, ঠিক ফুলের মতোই।&lt;br /&gt;একখন্ড ছাদ। পাশে ধানমন্ডি লেক- শ্যঁওলা পড়া জল, ঢালে বিছানো ঘাসের কার্পেট, গাছের ছায়া, ফুল, পাখি, প্রজাপতির ওড়াওড়ি। মোটকথা শান্ত প্রকৃতি ঘিড়ে রেখেছে ছাদটিকে। আর এ ছাদের তলায়-ই ফাহমিদা নবীর ছিমছাম একটি ফ্যাট। ড্রয়িংরুমে সাজানো গাছের গুঁড়ি, লতা-পাতাসহ প্রকৃতির নানান অনুষঙ্গ।&lt;br /&gt;কি কারণ?&lt;br /&gt;‘কারণতো একটাই। আমি প্রকৃতির মেয়ে, প্রকৃতিকে ভালোবাসি। ঘর সাজানো আমার শখ। মানুষের মনের সৌন্দর্য্যটাকে ঘরের মধ্যে প্রকাশ করা উচিত। তাছাড়া ফুলের মাঝে আমি আমার অস্তিত্ব দেখি। কেন জানি না, ছোটবেলা থেকেই ফুল দেখে আনন্দে চিতকার করে ওঠতাম। ফুলের জন্যই সূর্যোদয়ের দেশ জাপানের প্রতি আমার মোহ ছিলো, এখনো আছে। জাপানের সবাই ফুল ভালোবাসে। চেরি ফুল তাদের খুব প্রিয়।’&lt;br /&gt;ফাহমিদা নবী ফুলের মাঝে খুঁজে পান মানবিকতা, অনুভব করেন পৃথিবীকে। তাই মাঝে মাঝে তাকে সাজতে দেখা যায় তাজা ফুলের অলঙ্কারে। তিনি ফুলের মাঝে জীবনের সৌন্দর্য্য খুঁজে পেয়েছেন রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে- ‘আমি মনে করি, প্রতিটি ভালোর মাঝেই সৌন্দর্য্য লুকিয়ে আছে। কেবল সুন্দরটাকে উপলব্ধি করতে পারলেই হয়। আমি ভীষণভাবে এ উপলব্ধিটা করি রবীন্দ্রনাথের প্রতিটি গানে। এই যেমন- আমারো পরানো যাহা চায়, গানটি সবার-ই পছন্দের। এর ভেতরও ফুলের অস্তিত্ব। গানটি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে প্রকৃতি, বৃস্টি ও ফুল। এ ফুলের সৌরভেই রবীন্দ্রনাথ মনন আর চেতনার দরজা খুলে দিয়েছেন।’&lt;br /&gt;ফাহমিদা নবীর প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ। দার্শনিক সক্রেটিস তার চিন্তা, চেতনা ও বোধ। আর ইতিহাসের চরিত্রগুলোর মাঝে ভালো লাগে রাজা অশোক ও চেঙ্গিস খানের মতো চরিত্রগুলোকে। তাই বলে এদের নৃশংসতাকে তিনি পছন্দ করেন এমন নয়। ইতিহাসের এই চরিত্রগুলোর নৃশংসতার আগে ও পরে এবং জীবনের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে প্রেম, ভালোবাসা। রাজা অশোক রাজ্য জয় করতে করতে একসময় কান্ত হয়ে নিজের মাঝে বোধ জাগ্রত করেছিলেন। তারপর রাজ্য জয় ছেড়ে দিয়ে মনের জয়ের উদ্দেশ্যে নেমে যান পথে। খুঁজে ফেরেন আত্মার শান্তি। ফাহমিদা নবীও জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে দেখতে চান কেবল প্রশান্তির জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কণ্ঠশীলন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;শুধু নিজের প্রশান্তি নয়, অন্যের মাঝে প্রশান্তির বীজ বুনে দেয়ার কাজটিও তিনি করেন। কিভাবে করেন? জানা যাক ফ্যন্সি’র কাছ থেকে। ফ্যন্সি চাকরি করেন বেসরকারি একটি ব্যংকে। টুক-টাক গান করেন, নিজের জন্য বা কারো অনুরোধে। ফাহমিদা নবীর গান তার খুব ভালো লাগে। টেলিভিশনে ফাহমিদা নবীর একটি সাাতকার দেখে তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। কি ছিলো সেই সাাতকারে? ‘সাাতকারে ফাহমিদা নবী বলেছিলেন, তিনি সপ্তাহে দু’দিন ভয়েস গ্র“মিং কাস করান। যারা গান করেন, তাদেরকে কণ্ঠশীলন করান। পাশাপাশি গলার সাথে গানের ম্যচিং করার বিষয়েও প্রশিণ দেন। শুধু তাই নয়, তিনি বলেছিলেন সেখানে নাকি প্রতিটি ছাত্র’র চিন্তা, মেধা, মননসহ ব্যক্তিগত বিষয়গুলো ধরে ধরে আলোচনা করা হয়।’&lt;br /&gt;তারপর মোহগ্রস্তের মতো ফাহমিদা নবীর কাছে ছুটে গেলেন ফ্যন্সি। ভর্তি হলেন একটি ব্যচে। ফলাফল কী হলো? আগের ফ্যন্সি ও পরের ফ্যন্সির মাঝে পার্থক্য দি দাঁড়ালো? ‘আগের চেয়ে আমার মনোবল বেড়ে গেলো। এখন মঞ্চে যখন দাঁড়াই, ভাবি আমিই দুনিয়ার রাজা। আমার ওপর কেউ নেই। মঞ্চের বাইরের আবেগ-অনুভূতি আমাকে স্পর্শ করতে পারে না। মাইক্রোফোনের সামনে কিভাবে দাঁড়াতে হয়, গান গাইতে হলে কখন কেমন এক্সপ্রেশন প্রয়োজন সবকিছু শিখেছি কাস থেকে।’&lt;br /&gt;ফাহমিদা নবীর ভয়েস গ্র“মিং কাস শুরু হয়েছে ২০০৭ সালে। প্রতি শুক্র ও শনিবার তিনি কাস নেন মুহাম্মদপুরের একটি স্কুলে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ বিভিন্ন পেশাজীবিরা তার শিার্থী। দর্শনে পড়ালেখা করেছেন বলেই কি তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের দর্শন শেখান? ‘মোটেও না। আমি মূলত দর্শনের ওপর গুরুত্ব দেই নিজেকে নিজে চেনার জন্য। নিজের কাছে নিজে পরিস্কার থাকলেই কোন কাজে ঝামেলা নেই, মানসিক বিপর্যস্ততারতো প্রশ্নই ওঠে না। আমি ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে জাগতিক বিষয় নিয়ে কথা বলি। কেউ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকলে তার বোধের জায়গাগুলো জাগ্রত করে দেয়ার চেস্টা করি। আমি একটি কাস নেই মননের ওপর। এর মূল বিষয় হচ্ছে - স্বপ্ন শুধু দেখলাম বসে বসে, মাঠে নামলাম না। অর্থাৎ স্বপ্ন যদি দেখতে চাও, তবে স্বপ্নের পথে হাটো।’&lt;br /&gt;তিনি মনে করেন সার্বিক সৌন্দর্য্য নিয়েই মানুসের সৌন্দর্য্য। সততার চোখ বা নিষ্পাপ ভেতরকে কেউ বাহ্যিক সেজেগুঁজে তৈরি করতে পারে না।&lt;br /&gt;১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সাত বছর দুটি স্কুলে শিকতা করেছিলেন তিনি। তাই শিকতার নেশাটা একেবারে ছাড়তে পারেননি। তার স্বপ্ন একটি পূর্ণাঙ্গ সংগীত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। যেখানে গানের লাইব্রেরি থেকে শুরু করে বাদ্যযন্ত্রসহ সব আয়োজনই থাকবে।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-8NbF6WsR7KA/TyJyxH8UjlI/AAAAAAAAAR4/ANVo7pSMLTw/s1600/MAHMUD-UN-NABI...1940-1990..jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 246px; height: 320px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-8NbF6WsR7KA/TyJyxH8UjlI/AAAAAAAAAR4/ANVo7pSMLTw/s320/MAHMUD-UN-NABI...1940-1990..jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702246266475679314" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;এক যে ছিলো রাজা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;এখন যিনি গানের মাস্টার, তিনি প্রথম গান শিখেছিলেন কোথায়?&lt;br /&gt;পানির মতো সহজ জবাব- তার বাবার নাম মাহমুদুন্নবী। আর মাহমুদুন্নবী মানেই হলো গান, উপমহাদেশের নামকরা শিল্পী। সুতরাং তার মেয়ের ভেতর গান বাসা বেঁধেছিলো কিভাবে, এমন প্রশ্ন অবান্তর। মাহমুদুন্নবীর দুই কণ্যাই (ফাহমিদা নবী ও তার ছোট বোন সামিনা চৌধুরি) এখন খ্যতিমান শিল্পী।&lt;br /&gt;মাহমুদুন্নবী ছিলেন গানের রাজা। সেই রাজার ছিলো তিন কন্যা নুমা (ফাহমিদা নবী), নোভা (সামিনা চৌধুরি) ও অন্তরা (তানজিদা নবী)। আর ছিলো এক পুত্র পঞ্চম (রেদয়ান চৌধুরী)। তাদের প্রাসাদ ছিলো ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে, ছায়া সুনিবীর শান্তির নীড়। প্রাসাদে ছিলো দারুন এক আম গাছ। তিন কন্যাকে নিয়ে রাজার ছিলো এক দু:খ, সুযোগ পেলেই ওরা আম চুরি করে খেয়ে ফেলতো। কি আর করা, কণ্যা বলে কথা। চুরি করেও বার বার পার পেয়ে যেতো।&lt;br /&gt;এ তো গেলো এক দু:েখর কথা। রাজ্য চালান রাজা, তবুও যে তার দু:েখর সীমা নেই। কারণ রাণীর ভয়ে তাকে তটস্ত থাকতে হতো। রাণী সবসময় রাজার খাবারদাবারের ওপর খবরদারি করতেন। এটা খাওয়া যাবে না, ওটা খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে মিস্টি খাওয়ার ওপর কড়াকড়িটা ছিলো বেশি। কি তাজ্জব কথা, রাজার ওপর খবরদারি! না না এ হতেই পারে না। যে কোন ওপায়ে মিস্টি খেতেই হবে। কি করা যায়, কি করা যায়। ছলে বলে কলা কৌশলে রাণীর চোখ এড়িয়ে তিন কন্যা আর এক পুত্রকে সাথে নিয়ে বেরিয়ে যেতেন প্রাসাদ থেকে। ছল করতেন- যেন হাটতে বেরিয়েছেন। কিন্তু তলে তলে ছিলো অন্য ফন্দি। বাসা থেকে কয়েক কদম হাটলেই মরণ চাঁদের মিস্টির দোকান। চারজনকে নিয়ে রাজা ঢোকে যেতেন সেখানে। মিস্টির অর্ডার দিতেন। তার পর প্লেটের পর প্লেট মিস্টি আসতো আর শেষ হয়ে যেতো। রাজকন্যারা খেয়ে দেয়ে কান্ত হয়ে গেলে তাদের প্লেটের মিস্টিও সাবার করে দিতেন রাজা।&lt;br /&gt;আগেকার সেই রাজা এখন আর নেই। এমনকি রাজকন্যা-রাজপুত্ররাও সেই প্রাসাদে নেই। তবে আম গাছটি দাঁড়িয়ে আছে আগের মতোই। এ প্রাসাদে একসময় যাতায়াত ছিলো পার্শ্ববর্তী রাজ্যের অনেক রাজা ও রাণীদের। প্রতিদিন সন্ধ্যায় এখানে বসতো সুরের আসর। কারণ সেই রাজা ছিলেন সুরের রাজা। তার সুরের প্রাসাদ এলিফ্যন্ট রোডে থাকলেও আসল প্রাসাদ ছিলো খুলনায়। ফুলতলা বাসস্ট্যন্ডের সাথেই ছিমছাম একটি প্রাসাদ। আর রাজার বাবার মূল প্রাসাদ ছিলো ভারতের বর্ধমানে।&lt;br /&gt;সেই রাজার রাণীর আসল প্রাসাদ ছিলো দিনাজপুরের গনেশতলায়। রাজকন্যা ও রাজপুত্ররা ঢাকায় পড়াশোনা করলেও বছরের প্রায় ছয় মাস কাটাতো নানাবাড়িতে। নানা-নানী, মামা, খালা, পাড়া-প্রতিবেশি, সিনেমা হল এসব নিয়েই ছিলো তাদের উচ্ছল জীবন। সেখানে ছিলো লাল রঙের সিমেন্টে বাঁধানো কলতলা, সিমেন্টের সোফা। মামারা নাটক তৈরি করতেন। কলতলাতে পারিবারিক নাটক মঞ্চস্ত হতো। বড় মামার (বাদল মামা) একটি নাটকের দলও ছিলো- নবরূপী নাট্যদল। সব মিলিয়ে নানাবাড়িতে ছিলো অসাধারন এক সাংস্কৃতিক পরিবেশ। তাদের পরিবারের শিাটাই ছিলো মূলত গান-বাজনা নিয়ে। তিন রাজকণ্যা আর এক রাজপুত্র’র খেলার সাথির কোন অভাব ছিলো না। ছয় খালা ও মামাদের মাঝে বেশ কয়েকজন ছিলো তাদের বয়সি। নানী মেহেরুন্নেসা ছিলেন তাদের বন্ধুর মতো। নাটক-রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, লতা মুঙ্গেশকর এদের নিয়েই সারান মেতে থাকতো তারা। তারা একে অপরের সাথে কোন খেলনা জিনিস নিয়ে খুনসুটি করতো না। সুরের রাজ্যের রাজকন্যা ও রাজপুত্রদের খুনসুটি হতো গান, নাটক ও সাহিত্য নিয়ে। বুঝে ওঠার আগে থেকেই তারা রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার চরিত্রগুলোর সাথে পরিচিত হয়ে উঠেছিলো। ভাই-বোনদের মাঝে কেউ কেতকি চরিত্রকে সমর্থর্ন করতো, কেউ লাবন্যকে। তবে নায়ক অমিত রায়ের ব্যপারে সবারই এক কথা ‘অমিত হলো ভেজা বেড়াল’। ছোটবেলায় সংসারের কোন ঝুট-ঝামেলা তাদের স্পর্শ করতে পারতো না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-ygDw835UTOc/TyJywE_xg5I/AAAAAAAAARg/iruFrEKoEZ0/s1600/ma-maya.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 240px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-ygDw835UTOc/TyJywE_xg5I/AAAAAAAAARg/iruFrEKoEZ0/s320/ma-maya.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702246248504984466" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অত:পর বড় কণ্যা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;সেই সুরের রাজার বড় কণ্যা নুমা একদিন বড় হয়ে ওঠলো। রাজার মতো সাহস নিয়ে সেও রাজত্ব করতে লাগলো। কিন্তু কিভাবে সে বড় হলো?&lt;br /&gt;বড় হতে হলে পড়ালেখা করতে হয়। তাই সে ছোট থাকতেই পড়ালেখায় মন বসালো। ভর্তি হলো গ্রীণরোডের সান ফাওয়ার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। ওখানে একবছর পড়ার পর মুহাম্মদপুর অগ্রণী গার্লস হাই স্কুলে চলে এলো। থাকলো একেবারে দশম শ্রেণী পর্যন্ত। মাঝখানে কি ঘটলো?&lt;br /&gt;ঘটলো অনেক কিছুই, বিশ্বস্ত ও কাছের বান্ধবি অর্চনা, শম্পা ও মুনসহ কয়েকজনকে নিয়ে গঠন করলো ভয়ঙ্কর এক বিচ্ছুবাহিনী। এ বাহিনীর কাজ ছিলো স্কুলজুড়ে দস্যিপনা করে বেড়ানো। এর ওর ব্যপারে নাক গলানো, কান গলানো ছিলো নৈমেত্তিক ব্যপার। গাছের লটকন চুরি করায় বিচ্ছু বাহিনী ছিলো সিদ্ধহস্ত। আর মাঝে মাঝে রোমাঞ্চের জন্য কাসে ফাঁকি দেয়ার পদ্ধতিও আবিষ্কার করতো- বিচ্ছুবাহিনীর সদস্যরা গবেষণা করে আবিষ্কার করে ফেলেছিলো যে, ইসলামিয়াত স্যর কাসে এসে একজনকে সূরা এখলাস জিজ্ঞেস করলে, তার পরের জনকে সূরা নাস জিজ্ঞেস করবে। তাই বিচ্ছুবাহিনীর সবাই সব সূরা না পড়ে ভাগাভাগি করে সূরা মুখস্ত করে আসতো।&lt;br /&gt;এ তো গেলো দশম শ্রেণীর কথা। কিন্তু রাজার বড় কণ্যা এস.এস.সি পাশ করলো কোন স্কুল থেকে? ‘মুহাম্মদপুর গার্লস হাই স্কুল থেকে। আমাদের বাসা পরিবর্তন করার কারণে সেখানে চলে যেতে হয়েছিলো। এইচ.এসসি পাশ করি হলিক্রস কলেজ থেকে। তারপর দর্শনে অনার্স-মাস্টার্স করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-2VE5xnxz_wg/TyJz9wRZxQI/AAAAAAAAASE/dIsUg3e9Mqg/s1600/eka%2Beka%2Beka..ekar%2Bshathe....anmona...jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 172px; height: 320px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-2VE5xnxz_wg/TyJz9wRZxQI/AAAAAAAAASE/dIsUg3e9Mqg/s320/eka%2Beka%2Beka..ekar%2Bshathe....anmona...jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702247582971577602" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পথের ছবি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বড় কন্যা বড় হলো। গানে গানে যশ কুড়োলো। কিন্তু কোন পথে হেঁটে?&lt;br /&gt;সে পথের ছবি আঁকতে গেলে শুরু করতে হয় প্রাসাদ থেকে। অর্থাৎ এলিফ্যন্ট রোডের সেই প্রাসাদ থেকেই পথের উৎপত্তি। তারপর সেই পথ বাঁক নিলো ওস্তাদ আমানুল্লাহ খানের (মারা যান ২০০৩ সালে) ভাঙা বাড়িতে। ১৯৭৫ সালের দিকের কথা- রাজকন্যা নুমা তখন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে।  তাকে তালিম নিতে যেতে হতো আমানুল্লাহ খানের কাছে। মুহাম্মদপুরের একটি ভাঙা বাড়িতে থাকতেন তিনি। সেকি করুণ অবস্থা- একটিমাত্র ঘরে তিনটি খাট পাতা ছিলো। খুব কস্টে-সিস্টে সংসার চালাতেন।&lt;br /&gt;পথের বাকি ছবিটা আঁকা যাক সরাসরি বড়কন্যার বর্ণনায়-&lt;br /&gt;‘আমি প্রথম গান গেয়েছিলাম সত্তরের দশকের শেষের দিকে, তথা ১৯৭৭ সালে। বিটিভিতে আবদুল্লাহ আবু সাঈদের উপস্থাপনায় চতুরঙ্গ অনুষ্ঠানে গেয়েছিলাম কাওসার আহমেদ চৌধুরীর লেখা ও হ্যাপি আখন্দের সুরে এই অন্ধ করায় বসে।&lt;br /&gt;গান গেয়ে আমার প্রথম উপার্জন ছিলো রেডিও থেকে। ১৯৭৭ সালে রেডিওর কলকাকলি অনুষ্ঠানে গেয়ে ২৫ টাকা পেয়েছিলাম। কিভাবে খরচ করেছিলাম সেটাও মনে আছে। ২৫ টাকা দিয়ে একটি বেতের র‌্যাক এবং ছয়টি গ্লাস কিনেছিলাম। তখন আমি মাত্র ৭ম শ্রেণীতে পড়ি। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় একেবারে ছোটবেলা থেকেই ছোট ভাই-বোনদের প্রতি যতœশীল ছিলাম আমি। তাছাড়া সংসার ও সংসারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের প্রতি আমার অন্যরকম নেশা ছিলো।’&lt;br /&gt;১৯৭৭ সালের শেষের দিকেই আমি টেলিভিশন থেকে উপার্জন করি ১০০ টাকা। তখন বাবার সাথে ডুয়েট গেয়েছিলাম ‘আয় খুকু আয়’ গানটি। এই একশ’ টাকা দিয়ে মা আমার নামে একটি একাউন্ট খুলে দেন পূবালী ব্যাংকে।&lt;br /&gt;প্রথম সলো এলবাম তুমি তুলনাহীনা প্রকাশ হয় ১৯৭৯ সালে। আর চলচ্চিত্রে প্রথম গাই ১৯৮৩ সালে ‘দূরদেশ’ ছবিতে। গানটি ছিলো- ভাইটি আমার তুমি কেঁদোনা, বোনটি আমার তুমি কেঁদো না। এর সুরকার ঊষা খান। এটি মূলত ছিলো একটি হিন্দী গানের সুর। গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকার ও ঊষা খান। আর বাংলা ভার্সন গেয়েছিলেন আমি ও সামিনা।’&lt;br /&gt;পেশাগত প্রয়োজনের বাইরেও ফাহমিদা নবী কেবল নিজের আনন্দের জন্য গুনগুন করেন। আবার কারো অনুরোধেও গেয়ে শোনান। কিন্তু কোন গান গাইবেন, কেমন গান গাইবেন তা অধিকাংশ েেত্র নির্ভর করে পরিবেশ ও পরিস্থিতির ওপর। তবে সাধারণত মেলোডি গানই তার বেশি পছন্দ। যেমন- ‘তুমি কি সেই তুমি’ , রবীন্দ্রসঙ্গীত ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’। সর্বোপরী গান গাওয়ার ব্যাপারে মনকেই প্রাধান দেয়ার চেস্টা করেন তিনি ‘মেলোডি গান আমার আত্মার গান। মেলোডিগুলো আমার ভেতর থেকে আসে। এছাড়া অন্যগুলোতে আমি অনুভবে প্রবেশ করতে পারি না।’ তবে কোন কোন সময় মনের চেয়ে শ্রোতার পছন্দটাকেই প্রাধান্য দিতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-U9bQkfjLwtw/TyJywTFHjKI/AAAAAAAAARs/M7HqqAFMV-o/s1600/Me%2Band%2Banmol.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 180px; height: 135px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-U9bQkfjLwtw/TyJywTFHjKI/AAAAAAAAARs/M7HqqAFMV-o/s320/Me%2Band%2Banmol.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702246252285496482" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মেঘ-জোসনার লুকোচুরি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ফাহমিদা নবী মনে করেন, প্রতিটি মানুষের জীবন প্রতি দশ বছর পর পর একেক দিকে বাঁক নেয়। অর্থাৎ মানুষের জীবনকে ভাগ করলে প্রতি দশ বছর করে আলাদা করতে হবে। এক অংশের জীবন অন্য অংশের সাথে মিলবে না। প্রতিটি অংশই আলাদা আলাদা। এমনকি পূর্ববর্তী অংশগুলোর দুঃখবোধ পরবর্তী অংশের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলবে না। আবার পূর্ববর্তী অংশের সুখবোধগুলোও পরবর্তী অংশে আন্দোলিত হবে না।&lt;br /&gt;‘আমার জীবনও প্রতি দশ বছরে একটি করে অংশ হয়ে গেছে। যেমন জন্ম থেকে প্রথম দশ বছর পর্যন্ত এক রকম ছিলো, আবার পরবর্তী দশ বছর ছিলো অন্যরকম। সেটা কেটেছে কৈশোরের দূরন্তপনায়। জীবনের কৈশোরত্তীর্ণ ভাগটিতে এসে প্রচণ্ডভাবে মানুষকে ভয় পেতে আরম্ভ করি আমি। পরবর্তীতে ভেবে দেখলাম, সবাই-ইতো মানুষ। সবার ভেতরে বিশুদ্ধতা-অশুদ্ধতা দুই-ই আছে। সব মানুষের মাঝে হাসি আছে, কান্না আছে। তাহলে মানুষ কতটাই বা খারাপ হতে পারে! সুতরাং সিদ্ধান্ত নিলাম মানুষকে ভয় না করে জয় করতে হবে। তারপর আমার জীবনের পরবর্তী অংশটি কাটে মানুষ জয়ের অভিযানে।’&lt;br /&gt;তবে তিনি তার জীবনের টার্নিং পয়েন্টগুলোর মাঝে বাবার মৃত্যুর সময়টাকে যেভাবে দেখেছেন, এখন তার মেয়ের বাবার মৃত্যুর সময়টাকেও মেয়ের জন্য সেভাবেই দেখছেন। ফাহমিদা নবীর স্বামী ছিলেন জয়নুল আলম বাবু। তিনি মারা যান গত সেপ্টেম্বর মাসের ১৮ তারিখে। তিনি একসময় এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও মূলত ছিলেন একজন সৌখিন ফটোগ্রাফার। ১৯৮৭ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিলো। ১৮ই সেপ্টেম্বর সারাদেশে ভ’মিকম্প হয়। এতে ভয় পেয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান।&lt;br /&gt;বাবার মৃত্যু ও স্বামীর মৃত্যু এ দুটোই তার জীবনের বড় টার্নিং পয়েন্ট। পার্থক্য হলো একটির প্রভাব ছিলো সরাসরি তার ওপর। আর আরেকটির প্রভাব মেয়ের ওপর হয়ে তার নিজের ওপর পড়ছে। ফাহমিদা নবীর একমাত্র মেয়ের নাম আনমোল। বর্তমানে পড়ছেন আইন বিষয়ে। তার বিয়ের আংটি পরানো হয় আগস্টের ৯ তারিখ। বর তানভীর হাসনাত রোমান ভারতের ব্যাঙ্গালোর থেকে বিবিএ শেষ করে পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেখাশোনা করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-LCPz9vh9mcI/TyJz9zeC54I/AAAAAAAAASQ/5UosKlUQyyc/s1600/The%2Btulip%2Band%2Bthe%2Bbutterfly.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 240px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-LCPz9vh9mcI/TyJz9zeC54I/AAAAAAAAASQ/5UosKlUQyyc/s320/The%2Btulip%2Band%2Bthe%2Bbutterfly.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702247583829911426" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বোধ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;জাকিয়া জেনিফার। ফাহমিদা নবীর এক অন্ধ ভক্ত। প্রায়-ই তার ব্যক্তিগত সম্পত্তির একটি অংশ তিনি ফাহমিদার নামে লিখে দিতে চান। কি কারণ? ‘ম্যম-এর (ফাহমিদা নবীর) গাণ আমাকে পাগল করে দেয়। লুকোচুরি গল্প শুনে আমি যোগাযোগ করতে চাই ম্যম-এর সাথে। তারপর প্রথম যেদিন তার সাথে ফোনে কথা বললাম, সেদিন থেকেই মোহগ্রস্ত হয়ে গেলাম।’&lt;br /&gt;জাকিয়া জেনিফারের বাবার বাড়ি হাজারীবাগে। ২০০৮ সালে বিয়ে হয় চকবাজারের ব্যবসায়ীর সাথে। বিয়ের পর স্বামী ও স্বামীর পরিবার তার পড়ালেখা বন্ধ করে দেয়। এ থেকেই সূত্রপাত হয় পারিবারিক কলহের। ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি হতে থাকে দু’জনের। তাই জেনিফার একসময় আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন- ‘ভাবলাম আত্মহত্যা করার আগে ম্যম-এর সাথে শেষবারের মতো কথা বলে নেই। ফোন দিলাম ম্যমকে। আমি যে আত্মহত্যা করবো এ কথা বলার ইচ্ছা ছিলো না, কিন্তু কিভাবে যেন বেরিয়ে এলো মুখ থেকে। সাথে সাথেই ম্যাম ফোন কেটে দিলেন। মনটা আরো খারাপ হয়ে গেলো। কিন্তু কিছুন পরই তিনি ফোন দিলেন আমাকে।’&lt;br /&gt;তারপর দীর্ঘ আলাপ জীবন ও জীবনের বোধ নিয়ে। অবশেষে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন। জেনিফার মনে করেন ফাহমিদা নবী-ই তাকে নতুন জীবন দিয়েছেন। তার কারনেই পরবর্তীতে তিনি আবার সংসারি হতে পেরেছেন। জীবন সম্পর্কে নিজের বোধকে জাগ্রত করা এবং পরিবারের অন্যদের মাঝে জাগ্রত করানোর কাজটি তিনি ফাহমিদার কাছ থেকেই শিখেছেন। বর্তমানে তার পড়ালেখা করার েেত্রও স্বামীর পরিবার থেকে কোন বাধা নেই।&lt;br /&gt;জাকিয়া জেনিফার ফাহমিদা নবীর কাছ থেকে শিখেছেন জীবনের কাছে কখনো হেরে যেতে নেই, বরং জীবনকে নিজের মতো করে গড়ে নিতে হয়। এর জন্য প্রয়োজন মনোবল আর আত্মবিশ্বাস।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফাহমিদা নবী&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ডাক নাম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;নুমা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জন্ম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;৪ জানুয়ারি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বাবা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;মাহমুদুন্নবী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;রাশিদা চৌধুরী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;স্বামী&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;মরহুম জয়নুল আলম বাবু&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সন্তান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আনমোল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;প্রথম এলবাম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;তুমি তুলনাহীনা-১৯৭৯&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মোট এলবাম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;১১টা সলো এবং অসংখ্য মিক্সড ও ডোয়েট।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-3003009036306291118?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/3003009036306291118/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=3003009036306291118&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3003009036306291118'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3003009036306291118'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2012/01/blog-post_27.html' title='মেঘে ঢাকা তারা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-PrO72s-YuB8/TyJyvS44HbI/AAAAAAAAARI/fww25lSWShY/s72-c/Cover.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4674884410145711368</id><published>2012-01-27T15:30:00.007+06:00</published><updated>2012-01-27T15:41:44.004+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফিচার'/><title type='text'>দাবার রাণী</title><content type='html'>&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-o8ZdJ8R75Hc/TyJvXCmkrCI/AAAAAAAAAQM/EuXFbthJAiw/s1600/_DSC0001.JPG"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 213px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-o8ZdJ8R75Hc/TyJvXCmkrCI/AAAAAAAAAQM/EuXFbthJAiw/s320/_DSC0001.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702242519830801442" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;রাণী হামিদ। দাবার রাজ্যের এক রাণীর নাম। খেলায় তিনি প্রতিপরে মন্ত্রী-সেপাই ধ্বংসের নীলনকশা করে গেলেও তার জীবনের উপলব্ধি ‘যুদ্ধ নয় শান্তি’। এবারের প্রচ্ছদ রচনা রাণী হামিদকে নিয়ে। তৈরি করেছেন &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ&lt;/span&gt; ও &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সোহেল অটল&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-ljNT7t64tV4/TyJv7J3gfOI/AAAAAAAAAQY/7wJqsa_StFA/s1600/_DSC0045.JPG"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;রাণী হামিদের ড্রয়িং রুমে দাবার বোর্ড থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। শুধু স্বাভাবিক-ই নয়, বরং একজন আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টারের বাসায় সেটা না থাকলেই বেমানান হতো। রাজা-মন্ত্রী, হাতি-ঘোড়া, কিস্তি-সেপাইগুলো নির্দিস্ট ঘরে সাজানো। যে কেউ দেখে মুগ্ধ হবেন। আর মুগ্ধ হবেন কজুড়ে সাজানো শিরোপা আর শিরোপা দেখে।&lt;br /&gt;ভেতর ঘর থেকে অনেকটা হঠাৎ-ই এসে হাজির হলেন তিনি। মুখে স্মীত হাসি ‘অনেকন বসিয়ে রাখলাম তোমাদের। আসার আগে আরেকবার ফোন করবে না? তাহলে আগেই তৈরি হয়ে থাকতাম।’&lt;br /&gt;বেলা তখন পড়ে এসেছে। সন্ধ্যা হয় হয়। ঠিক হলো আগে ফটো সেশনের কাজ। চলে যাওয়া হলো আউটডোর তথা তার বাড়ির সামনে। পুরনো ডিওএইচএস-এ ছিমছাম বাড়ি। তিনতলা বাড়ির খোলামেলা বিন্যাস, বিস্তৃত আঙিনা, প্রশস্ত লন সবই আকর্ষণীয়। ছবি তোলা হলো আউটডোরে, অত:পর ইনডোরে। তারপর আবার ড্রয়িং রুম এবং জীবনের ডায়েরি খোলে বসা-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বেড়ে ওঠা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;স্মৃতি হাতড়ানোর জন্য একটু সময় ভাবলেন তিনি। তারপর একলাফে চলে গেলেন শৈশবের অধ্যায়ে। যে অধ্যায়টি তিনি পাড়ি দিয়ে এসেছেন নানা দুরন্তপনায়। ‘আমি ছোটবেলা থেকেই ছিলাম দূরন্ত। খেলতাম, ঘুরতাম, ফিরতাম। বলা নেই কওয়া নেই হরহামেশাই এখানে সেখানে উধাও হয়ে যেতাম। হারিয়ে যেতাম গ্রামের মেঠো পথে। ঘুরে বেড়াতাম এ গ্রাম ও গ্রাম।’&lt;br /&gt;শৈশবে যেমন করেছেন দুষ্টুমি তেমনি অনেক বোকামীর কথা মনে হলে আজো তিনি হেসে কুটি কুটি হন। তেমনি এক ঘটনার কথা শোনালেন ‘আমি আর আমার বড় বোন পারু তখন একই স্কুলে পড়তাম। পারু আমার ওপরের কাসে পড়তো। সে ছিলো আমার চেয়ে ফর্সা এবং সবসময় টিপটপ হয়ে থাকতো। আর আমি ছিলাম কালো ও রোদে পোড়া। তাই কাসের মেয়েদের কেউ বিশ্বাসই করতে চাইতো না যে আমরা দু’জন সম্পর্কে আপন বোন হই। তাই একদিন এক মেয়ে জিজ্ঞেস-ই করে বসলো- তোমরা দু’জন কি আপন বোন? আমি তো তখন আপন বলতে কি বোঝায় সেটাই বুঝিনা। বেশ ভড়কে গেলাম, কি জবাব দেব! একটু ভেবে আবিষ্কার করলাম, আপন বলতে ওরা হয়তো বোঝাচ্ছে পর। তাই আমি বললাম- পারু আমার আপন বোন নয়, নিজ বোন। তারপর সবার হাসতে হাসতে গড়াগড়ি যাওয়ার অবস্থা।’&lt;br /&gt;শৈশবের কতা মনে হতেই রাণীর সামনে যে ছবিটি ভেসে ওঠেÑ তিনি হলেন তার বাবা। বাবার আগ্রহের কারণেই তিনি ছিলেন অনেক প্রাণবন্ত। করতে পেরেছেন খেলাধুলা। বাড়িতে ছিলো টেনিস খেলার চর্চা। স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বাবা তার নাম দিয়ে আসতেন।&lt;br /&gt;রাণীর খেলাধুলার ব্যপারে আগ্রহ ছিলো শিকদেরও। তারা চাইতেন সে যেনো দৌড় অব্যহত রাখে। শিকরা স্বপ্ন দেখতেন একদিন জাতীয় দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে রাণী। সেই থেকে ছোট্ট রাণীর দৌড় শুরু। এখনো চলছে। তবে অ্যথলেট হিসাবে নয়। সে দৌড় দাবার দৌড়। জাতীয় পর্যায়ের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জতিক পর্যায়ে। তিনি দাবাড়– হিসাবে আজকের রাণী হামিদ হয়ে উঠেছেন মূলত বাবার আগ্রহের কারনেই ‘বাবাই আমাকে দাবার বোর্ড কিনে দিয়েছিলেন। স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সবসময় পুরস্কার পেতাম আমি। আর এতে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন বাবা। কিন্তু মেয়েদের অ্যথলেট হতে গেলে তো কিছু সমস্যা থাকেই। সে কারণে আমার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আউটডোর খেলা থেকে কোজ করে আনতে থাকলেন বাবা। তাই অবসর সময় কাটানোর জন্য দাবা খেলার প্রতি উৎসাহ দিতেন। তবে অবশ্যই পড়ালেখার যেন তি না হয় সে ব্যাপারে সচেতন ছিলেন। বাবা যখন বাড়িতে থাকতেন না, তখন ছোট ভাইকে নিয়ে দাবার বোর্ডেই মজে থাকতাম।’&lt;br /&gt;বাবা সৈয়দ মমতাজ আলী ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার। চাকরির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাকে কাটাতে হয়েছে। আর এ কারনেই তার সন্তানদের পরিবর্তন করতে হয়েছে অনেক স্কুল। রাণীর প্রাথমিক শিা শুরু হয় চট্টগ্রাম নন্দনকানন গার্লস হাইস্কুলে। তিনি ১৯৫২ সালে সরাসরি ২য় শ্রেণীতে ভর্তি হন। তখন স্কুলের ওপরের শ্রেণীর শিার্থীরা তাকে ডেকে মিছিলে নিয়ে যেতো। কিসের মিছিল, অতশত তিনি বুঝতেন না। মিছিল হবে, ব্যস। একধরনের থ্রিলতো পাওয়া যাবে। এখন তিনি সে স্মৃতি মনে করে গর্ববোধ করেন। কারণ মিছিলগুলো ছিলো রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে।&lt;br /&gt;১৯৫৪ সালে বাবা বদলি হয়ে যান কুমিল্লায়। রাণীও সেখানকার মিশনারি স্কুলে ৪র্থ শ্রেণীতে ভর্তি হন। ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণি পড়েন কুমিল্লার ফয়জুন্নেসা গার্লস হাই স্কুলে। তারপর বাবার বদলির কারণে আবার তাকে কুমিল্লা ছেড়ে চলে যেতে হয় রাজশাহীতে। ৮ম ও ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন রাজশাহীর একটি স্কুলে। ১০ম শ্রেণীতে পড়েন সিলেট বালিকা বিদ্যালয়ে। এ স্কুল থেকে তিনি মেট্রিক পাশ করেন ১৯৬০ সালে। পরবর্তীতে আর কলেজে ভর্তি হননি। কিন্তু ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে প্রাইভেট পরীা দিয়ে ইন্টারমিডিয়েট এবং ডিগ্রী পাস করেন। একাডেমিক পড়ালেখা তার কাছে ছিলো পানির মতো সহজ। ছাত্র-ছাত্রীরা কেন পরীায় ফেল করে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এর কোন জবাব খোঁজে পান না তিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/--85c7trEvl0/TyJwP7UoeOI/AAAAAAAAAQk/rOEqVJnJB8o/s1600/_DSC0016.JPG"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 213px;" src="http://4.bp.blogspot.com/--85c7trEvl0/TyJwP7UoeOI/AAAAAAAAAQk/rOEqVJnJB8o/s320/_DSC0016.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702243497129048290" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সংসার&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশের প্রোপটে একজন নারীর জীবনে প্রথম বাবা, তারপর স্বামী এবং সবশেষে সন্তানদের গুরুত্ব বেশি থাকে। রাণী হামিদও এেেত্র ব্যতিক্রম নন। মাত্র পনের বছর বয়সে তিনি শুরু করেন বিবাহিত জীবন। ১৯৫৯ সালে তার বিয়ে হয় সেনা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আব্দুল হামিদের সাথে। তখন তিনি পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর একজন সাঁতারু হিসেবেও রেকর্ড করেছিলেন। আব্দুল হামিদ বহুল আলোচিত কয়েকটি বইয়েরও লেখক। এর মাঝে রয়েছে 'তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা'। এছাড়া তিনি আরো চারটি বই লিখেছেন। স্বামীর সহযোগিতায়-ই রাণীর পে এতদুর আসা সম্ভব হয়েছে ‘দাবা খেলায় আমি মনযোগ দিতে পেরেছি কেবল আমার স্বামীর কারণে। খেলার জন্য আমাকে প্রায়-ই দেশ ও দেশের বাইরে যেতে হয়েছে। এসব ব্যাপারে তিনি ছিলেন উদার। তিনি সবসময়-ই আমার বায়োডাটা আপগ্রেড রাখতেন। তাছাড়া আমাকে কখন কী করতে হবে এসব তদারকি তিনিই করতেন।’&lt;br /&gt;রাণী হামিদের তিন ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ে ছাড়া পরিবারের সবাই খেলা-ধুলার সাথে যুক্ত। বড় ছেলে কায়সার হামিদ বাংলাদেশের একজন তারকা ফুটবলার। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলেছেন অনেক দিন। আশি ও নব্বই এর দশকে খেলতেন মোহামেডান স্পোর্টিং-এর হয়ে। কায়সার হামিদ ছিলেন সে আমলের সেরা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারদের একজন। দীর্ঘদিন মোহামেডানের অধিনায়ক ছিলেন। মেজ ছেলে সোহেল হামিদ স্কোয়াস ফেডারেশনের সম্পাদক ও একজন ক্রিকেটার এবং ছোট ছেলে শাহজাহান হামিদ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। মেয়ে জেবিন হামিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে মাস্টার্স শেষ করে কিছুদিন পিআইবিতে কিছু দিন চাকরি করেছেন। বর্তমানে তিনি লেখালেখি করেন।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-ljNT7t64tV4/TyJv7J3gfOI/AAAAAAAAAQY/7wJqsa_StFA/s1600/_DSC0045.JPG"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 213px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-ljNT7t64tV4/TyJv7J3gfOI/AAAAAAAAAQY/7wJqsa_StFA/s320/_DSC0045.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702243140256169186" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দাবার বোর্ডে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;দাবাকে পেশা হিসাবে নেয়ার জোরালো ইচ্ছা তার কখনো ছিল না। একজন গৃহিনী হিসাবে সময় কাটানো এবং আনন্দের জন্য তিনি দাবা খেলাকেই বেছে নেন ‘আনন্দের জন্যই আমি দাবা খেলি। তাছাড়া দাবা এমন একটি খেলা, যা সব বয়সেই খেলা যায়। আমার ছেলে কায়সার হামিদ ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছে। অথচ তার মা হয়েও আমি এখনো জাতীয় দলে খেলছি। এটাওতো উপভোগ্য বিষয়। আর প্রচলিত অন্যান্য খেলাধুলার জন্য শারিরীক সমতার প্রয়োজন। কিন্তু দাবায় সেটার দরকার হয়না। এখানে বুদ্ধিবৃত্তির চর্চাই মূখ্য।’&lt;br /&gt;দাবা খেলে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করলেও এর জন্য দৈনন্দিন জীবনের অন্য অনুষঙ্গগুলো বাদ দিতে রাজি নন তিনি। ব্যস্ত জীবনের চেয়ে ঘরের জীবন-ই তার বেশি পছন্দ। তবে কোনকিছু অর্জনের জন্য যতটুকু পেশাদারি হতে হয় ততটুকুতো রয়েছেই।&lt;br /&gt;আর সেই পেশাদারিত্বটুকু পাকা হয়েছে বিয়ের পর। খেলাধুলার প্রতি তাঁর স্বামী আব্দুল হামিদের আগ্রহ ও উৎছিলো ব্যাপক। সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-এর কোয়ার্টারে থাকতেন তারা। তখন তাদের প্রতিবেশি ছিলেন জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়ন ডঃ আকমল হোসেন। তাঁর কাছ থেকেই শেখেন খেলার আন্তর্জাতিক নিয়ম কানুন। পরবর্তীতে ড: আকমলের সহযোগিতায়-ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়ও অংশ নিতে থাকেন। ১৯৭৬ সালে প্রথম মহসিন দাবা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।&lt;br /&gt;জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম অংশ নেন ১৯৭৭সালে। সে খেলায়-ই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যান ‘তখন আমি চার বাচ্চার মা। তখনকার অনুভূতি ছিলো খুবই আনন্দের। দৈনিক বাংলার প্রথম পৃষ্ঠায় আমার ছবি এসেছিলো। জিরো থেকে হিরো হওয়ার মতো আরকি। এরপর আমাকে আর ঠেকায় কে। পরপর ৯ বার জাতীয় পর্যায়ে খেলে প্রতিবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।’&lt;br /&gt;১৯৮১ সালে তিনি ভারতের হায়দারাবাদে এশিয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে কৃতিত্বের স্বার রাখেন। তিনি কমনওয়েলথ এর একজন শীর্ষ দাবাড়–, আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার ও জাতীয় নারী দাবা চ্যাম্পিয়ন। তিনি এ পর্যন্ত তিনবার ব্রিটিশ নারী দাবা চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। এখন আর ব্রিটিশ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে পারেন না। কেন? এ নিয়ে রয়েছে আরেক মজার কাহিনী- ব্রিটিশ মহিলা দাবাড়–রা যখন বাংলাদেশি রাণী হামিদের কাছে বার বার পরাজিত হচ্ছিলেন, তখন বিষয়টি তাদের কাছে অপমানজনক মনে হচ্ছিলো। তারা দাবি তোললেন ব্রিটিশ চ্যাম্পিয়নশিপে অন্যদেশের নারীরা খেলতে পারবে না এবং কর্তৃপ তা-ই করলো।&lt;br /&gt;রাণী হামিদ দাবা অলিম্পিয়াডে যোগ্যতার ভিত্তিতে জাতীয় পুরুষ দলের হয়েও অংশ নিয়েছেন। পুরুষ দলের হয়ে খেলতে যাওয়ায় রয়েছে তার মজার অভিজ্ঞতা ‘একবার গ্রীসে খেলতে যাই পুরুষ দলের হয়ে। আমার খেলা তখনো শুরু হয়নি। অন্য অনেকেই খেলছে। ভাবলাম বাইরে গিয়ে চা খেয়ে আসি। চা খেয়ে যখন ফিরছিলাম, তখনি বাঁধলো গন্ডগোল। নিরাপত্তারীরা কিছুতেই আমাকে ভেতরে ঢুকতে দেবে না। ওরা বার বার বলছে, মহিলা দলের খেলা ওদিকে হচ্ছে এখানে নয়। কিছুতেই বিশ্বাস করানো যাচ্ছে না যে, আমি পুরুষ দলের হয়ে খেলছি। তার ওপর আরো সমস্যা হলো, ওরা ইংরেজি ভাষা বোঝে না। ভেতরে ঢুকতে দেবে না তো দেবেই না। তারপর অনেক ঝক্কি-ঝামেলা করে ঢুকতে পেরেছিলাম।’&lt;br /&gt;বাংলাদেশের যে মানুষটির কাছে দাবা পরিচিত, তার কাছে রাণী হামিদ নামটিও পরিচিত। শুধু দেশে কেন, দেশের সীমানা ছাড়িয়েও তার রয়েছে অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী ‘একবারের ঘটনা। ২০১০ সালে গ্রীসে গিয়েছিলাম খেলতে। বাসে করে এক যায়গা থেকে অন্য যায়গায় যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি রাস্তার মাঝখানে বাস থেমে গেছে। আরে কী কান্ড! তাকিয়ে দেখি বাস চালক সিটে নেই। কোথায় যেনো উধাও হয়ে গেছেন। কিছুন পর চালককে আবিষ্কার করলাম আমার সামনে। হাতে একতোড়া ফুল। আমাকে অভ্যর্থনা জানাতে এসেছেন। আমি তো হতভম্ব! এই লোক আমাকে চিনল কি করে!’&lt;br /&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-CqR99HgmNrc/TyJxEdsIQDI/AAAAAAAAAQ8/E_BJUOI217I/s1600/_DSC0065.JPG"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 213px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-CqR99HgmNrc/TyJxEdsIQDI/AAAAAAAAAQ8/E_BJUOI217I/s320/_DSC0065.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702244399707602994" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সময় কাটে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;রাণী হামিদ তার জীবনকে তিনভাগে ভাগ করেন- বাল্যকাল, মাধ্যবয়স এবং সর্বশেষ বৃদ্ধ বয়স। এ তিনভাগকে তিনি তিন রকম করে উপভোগ করেছেন। তিনটি ভাগই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের দিকে তাকালে যখন সন্তানের মা হলেন সে সময়টাকে তিনি গুরুত্ব দেন। আবার দাবা খেলার দিকে তাকালে এ বয়সটাকে গুরুত্ব দেন। তিনি মনে করেন মানুষের জীবনের কোন সময়-ই গুরুত্বহীন নয়।&lt;br /&gt;দাবার বোর্ডে তিনি প্রতিপরে মন্ত্রী- সেপাই ধ্বংসের নীলনকশা করে গেলেও তার জীবনের উপলব্ধি ‘যুদ্ধ নয় শান্তি। সুখে থাকো, শান্তিতে থাকো। মানুষকে কষ্ট দিয়ো না। পারলে উপকার করো। না পারলে কারো অপকার করো না।’&lt;br /&gt;খাওয়া, ঘুম আর টিভি দেখেই বেশিরভাগ সময় কাটে তার। তিনি মনে করেন স্বামী জীবিত না থাকলে মহিলাদের তেমন কোন দায়িত্ব থাকে না। তিনিও এখন দায়িত্বমুক্ত। সারাদিন নাতি-নাতনীদেরকে নিয়ে হই-চই করে কাটিয়ে দেন ‘এখন নাতিরাই আমার সঙ্গি। এই যে এখানে দেখছ তিনজনকে, (ড্রয়িংরুমে উপস্থিত নাতিদের দেখিয়ে) লম্বাটা হলো সাদাত, ওটা আয়মান। আর এটা হলো মোস্তফা। আমি ডাকি সনু, মনু, মস্তু। নামগুলো লিখে দিয়ো কিন্তু। সনুকে আমি দাবাড়– বানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রথমেই একটি ভুল করে ফেলেছি। বড় একটি টুর্নামেন্টে খেলতে পাঠিয়েছিলাম। সেখান থেকে হেরে এসে দাবার প্রতি ভীতি তৈরি হয়েছে ওর। তারপর আর ইনডোর খেলার প্রতি আগ্রহ নেই। বাপের মতো (কায়সার হামিদের) ফুটবল খেলার নেশা।’&lt;br /&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-yknRHq76Sek/TyJwbzxd3QI/AAAAAAAAAQw/-O1urbTxFr0/s1600/_DSC0083.JPG"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 213px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-yknRHq76Sek/TyJwbzxd3QI/AAAAAAAAAQw/-O1urbTxFr0/s320/_DSC0083.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702243701260934402" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অত:পর&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাত এক মাত্র বাংলাদেশী মহিলা দাবাড়– রাণী হামিদ তার সাফল্যের জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট পাননি সরকারের কাছ থেকে ‘বাংলাদেশে দাবা খেলার পৃষ্ঠপোষকতা নেই। একটি পর্যায়ের পর খেলোয়ারদের বড় ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। যার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সাপোর্ট আমরা পাই না। নিয়মিত টুর্নামেন্ট খেলার জন্য স্পন্সর যোগার করাও এদেশে দুস্কর। দাবাতে স্পন্সররা বেশি আগ্রহী হন না। কারণ মিডিয়া এ খেলাটি সেভাবে প্রচার করে না। দাবার চলতি খবরগলো গণমাধ্যমে প্রকাশ হয় না। ফলে মানুষও জানে না বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন কে হচ্ছে। অন্যান্য খেলার মতো দাবার বড় বড় টুর্নামেন্টগুলোর খবর পত্রিকায় আসা উচিত।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অত:পর রাণী হামিদের ডায়েরির পাতা প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছিলো। ঠিক তখনি হাস্যবদনে ড্রয়িংরুমে প্রবেশ করলেন তার বড় ছেলে কায়সার হামিদ। যথারীতি কুশলাদী বিনিময় এবং ফটো সেশন। অবশ্যই মায়ের সাথে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছবিগুলো তুলেছেন &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ইমশিয়াত শরীফ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;এক টুকরো রাণী হামিদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুরো নাম: সৈয়দা জসিমুন্নেসা খাতুন&lt;br /&gt;জন্ম: ১৯৪৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি&lt;br /&gt;ববা: সৈয়দ মমতাজ আলী (পুলিশ কর্মকর্তা)&lt;br /&gt;মা: মোসাম্মাত্“ন্নেসা খাতুন&lt;br /&gt;ভাই-বোন: সৈয়দ আমীর আলী (অবসরপ্রাপ্ত এসপি), এয়ার কমান্ডার শমসের আলী, সৈয়দ দেলোয়ার আলী, সৈয়দ মোতাহের আলী, জমীরুন্নেসা খাতুন (পারু), সৈয়দা লুত্ন্নেসা খাতুন, মিনু মমতাজ।&lt;br /&gt;বিয়ে: ১৫ বছর বয়সে ১৯৫৯ সালে&lt;br /&gt;স্বামী: মোহাম্মাদ আব্দুল হামিদ (সাবেক সেনা কর্মকর্তা)&lt;br /&gt;সন্তান: কায়সার হামিদ (ফুটবলার), সোহেল হামিদ (স্কোয়াস ফেডারেশনের সম্পাদক), শাহজাহান হামিদ (টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার), জেবিন হামিদ (লেখক)।&lt;br /&gt;শিাগত যোগ্যতা: ডিগ্রি&lt;br /&gt;প্রকাশিত বই: মজার খেলা দাবা, দাবা খেলার আইন কানুন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4674884410145711368?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4674884410145711368/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4674884410145711368&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4674884410145711368'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4674884410145711368'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2012/01/blog-post.html' title='দাবার রাণী'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-o8ZdJ8R75Hc/TyJvXCmkrCI/AAAAAAAAAQM/EuXFbthJAiw/s72-c/_DSC0001.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-8856937771465891643</id><published>2011-10-27T13:53:00.001+06:00</published><updated>2011-10-27T14:00:22.132+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>বায়া যাওরে ...</title><content type='html'>দক্ষিন বনশ্রী লেক থেকে চিত্রগুলো কুড়িয়ে এনেছেন সাবরিনা সোবহান&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-QFmUnBs1MYI/TqkPRQnjgDI/AAAAAAAAAPo/BQykQodqRfU/s1600/14072008%2528021%2529.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 240px; height: 320px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-QFmUnBs1MYI/TqkPRQnjgDI/AAAAAAAAAPo/BQykQodqRfU/s320/14072008%2528021%2529.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5668078395215544370" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-bazagMz3MiU/TqkPQqUdISI/AAAAAAAAAPg/HrikwmU4N-Q/s1600/14072008%2528018%2529.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 240px; height: 320px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-bazagMz3MiU/TqkPQqUdISI/AAAAAAAAAPg/HrikwmU4N-Q/s320/14072008%2528018%2529.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5668078384934887714" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-pghuIk5C6Ko/TqkPQQTLGtI/AAAAAAAAAPU/33pZs_8hip4/s1600/14072008%2528005%2529.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-pghuIk5C6Ko/TqkPQQTLGtI/AAAAAAAAAPU/33pZs_8hip4/s320/14072008%2528005%2529.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5668078377950190290" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-ngRWDJf-vh4/TqkPPrx6TlI/AAAAAAAAAPM/ezCrxtvyDVg/s1600/14072008%2528004%2529.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-ngRWDJf-vh4/TqkPPrx6TlI/AAAAAAAAAPM/ezCrxtvyDVg/s320/14072008%2528004%2529.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5668078368147000914" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-sOwMSuolJ0Q/TqkPPZ-WfKI/AAAAAAAAAO8/tEndT5WGO1s/s1600/14072008%2528003%2529.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-sOwMSuolJ0Q/TqkPPZ-WfKI/AAAAAAAAAO8/tEndT5WGO1s/s320/14072008%2528003%2529.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5668078363367341218" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-8856937771465891643?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/8856937771465891643/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=8856937771465891643&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8856937771465891643'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8856937771465891643'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/10/blog-post_27.html' title='বায়া যাওরে ...'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-QFmUnBs1MYI/TqkPRQnjgDI/AAAAAAAAAPo/BQykQodqRfU/s72-c/14072008%2528021%2529.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-8511293849416534107</id><published>2011-10-20T14:51:00.005+06:00</published><updated>2012-01-27T16:09:27.970+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পাতায় পাতায় পাতা'/><title type='text'>সারা আঁখি পাতা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-fXou72t_g9Q/TqkSIXU3C8I/AAAAAAAAAP8/yGBWBcNw-Ho/s1600/ge.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 250px; height: 222px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-fXou72t_g9Q/TqkSIXU3C8I/AAAAAAAAAP8/yGBWBcNw-Ho/s320/ge.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5668081540932242370" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;সেই মেয়েটি দস্যি মেয়ে&lt;br /&gt;পাতায়, ফলে, ফুলে&lt;br /&gt;দোদোল দোদোল দোলে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাতাদ্বীপ ঝাড়ু দেয়&lt;br /&gt;দীঘল দীঘল চুলে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই মেয়েটি গেছো মেয়ে&lt;br /&gt;গাছে গাছে ঘোরে,&lt;br /&gt;কিম্বা হাওয়ায় ওড়ে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সারা আঁখি পাতা&lt;br /&gt;তার পাতাদ্বীপ জুড়ে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-8511293849416534107?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/8511293849416534107/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=8511293849416534107&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8511293849416534107'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8511293849416534107'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/10/blog-post_2808.html' title='সারা আঁখি পাতা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-fXou72t_g9Q/TqkSIXU3C8I/AAAAAAAAAP8/yGBWBcNw-Ho/s72-c/ge.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-2006861006313970938</id><published>2011-10-07T13:31:00.001+06:00</published><updated>2011-10-07T13:41:48.357+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কবিতা/ছড়া'/><title type='text'>জন্ম ধোলাই</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-fCUu3YcyG-c/To6tKXpBkpI/AAAAAAAAAO0/55LG4zMaoYo/s1600/jog.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 214px; height: 320px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-fCUu3YcyG-c/To6tKXpBkpI/AAAAAAAAAO0/55LG4zMaoYo/s320/jog.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5660652175307674258" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;শোনা যাচ্ছে আগামী ৮ অক্টোবর ছড়াকার &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জগলুল হায়দারের&lt;/span&gt; জন্মদিন। ব্যাপারটার সত্যতা নিরূপন করার জন্য আরেক ছড়াকার &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ &lt;/span&gt;গিয়েছিলেন তার কাছে। ছড়ায় ছড়ায় তাদের কথোপকথন এখানে তুলে ধরা হলো-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন-১&lt;br /&gt;জগলুল হায়দার,&lt;br /&gt;যুৎসই কায়দার&lt;br /&gt;ছন্দ ও মাত্রা&lt;br /&gt;মিল দিয়ে লিখে যান&lt;br /&gt;ছড়া আর কবিতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার ছন্দ&lt;br /&gt;আর সব মন্দ&lt;br /&gt;লেখনীর যাত্রা&lt;br /&gt;কিভাবে শুরু হয়&lt;br /&gt;বলে দিন সবি তা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;থ্যাঙ্কস ভাই আপনাকে&lt;br /&gt;লেগে গেছে তাপ নাকে&lt;br /&gt;সাক্ষাতে আইসা;&lt;br /&gt;ঠিক আছে এই আমি&lt;br /&gt;সারা দিন নিশি-যামি&lt;br /&gt;ছড়া লিখি ঠাইসা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে লাগে ধন্দ&lt;br /&gt;ছড়া লেখা মন্দ&lt;br /&gt;এই কথা শুইনা&lt;br /&gt;দেখান তো মন্দ কী&lt;br /&gt;আঙ্গুলে গুইনা!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন : ২&lt;br /&gt;ছড়াকাররা মন্দ না তো&lt;br /&gt;মন্দ বলি কাকে&lt;br /&gt;খোঁচা মারে আলাভোলা&lt;br /&gt;শান্ত মানুষটাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছড়া হলো শাণদার&lt;br /&gt;ভীতিকর অস্ত্র&lt;br /&gt;আলাভোলা বানদার&lt;br /&gt;খুলে নেয় বস্ত্র।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছড়াকারের ছড়ায় থাকে&lt;br /&gt;নাশকতার বন্দনা&lt;br /&gt;তবুও বলেন, আপনি মশাই&lt;br /&gt;ছড়া লেখা মন্দ না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;আলাভোলা পরান খোলা&lt;br /&gt;মানুষগুলার দোষ নাই&lt;br /&gt;ছড়াকারও কাড়েন না তো&lt;br /&gt;তাদের মুখের রোশনাই।&lt;br /&gt;কিন্তু যারা মুখোশ পরা&lt;br /&gt;মুখে যাদের পলেস্তরা&lt;br /&gt;তাদের কথা অন্য&lt;br /&gt;ছড়াকারের অস্ত্র ঘোরে&lt;br /&gt;কেবল তাদের জন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিপ্লব আর নাশকতার&lt;br /&gt;মাঝেও ফারাক অল্প না&lt;br /&gt;ছড়া নিয়ে তাই অহেতুক&lt;br /&gt;আজগুবি এই গল্প না!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন-৩&lt;br /&gt;আপনি তো এক প্রকৌশলী&lt;br /&gt;কুশল করেন পেশায়&lt;br /&gt;তবুও দেখি সুযোগ হলেই&lt;br /&gt;আড্ডাবাজির নেশায়;&lt;br /&gt;বুঁদ হয়ে যান কিসের টানে&lt;br /&gt;বলুন দেখি কানে কানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;পেশায় আমি যা-ই হই না&lt;br /&gt;ছড়া আমার নেশায়&lt;br /&gt;আমায় যেন সর্বদা কে&lt;br /&gt;ছড়ার সাথে মেশায়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মিশতে মিশতে মিশ্যা গেলাম&lt;br /&gt;এখন জানে প্রাণে&lt;br /&gt;বুঁদ হই তাই ছড়াতে ভাই&lt;br /&gt;বলছি কানে কানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন-৪&lt;br /&gt;লজ্জা নাকি নারীর ভূষণ&lt;br /&gt;আপনি তো নন নারী&lt;br /&gt;গোপন বলার সাহস আছে&lt;br /&gt;উদোম করে হাঁড়ি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবার আগে বলুন দেখি&lt;br /&gt;টান করে বুক-সিনা&lt;br /&gt;অক্টোবরের আট তারিখে&lt;br /&gt;জন্মেছিলেন কি না?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন বয়স কত চলে&lt;br /&gt;বল্লে আরো ভালো&lt;br /&gt;প্রমাণসহ বলতে হবে&lt;br /&gt;জন্ম নেয়ার সালও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;সাহস বেচা পুরুষ আমি&lt;br /&gt;সাহস বেচেই খাই&lt;br /&gt;আমার ছড়ায় মিনমিনে ভাব&lt;br /&gt;তাই তো মোটেও নাই।&lt;br /&gt;সাহস নিয়ে বলছি শুনুন&lt;br /&gt;অক্টোবরের আটে&lt;br /&gt;ওঁয়াও ওঁয়াও এসেছিলাম&lt;br /&gt;এই পৃথিবীর হাটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমগো দেশে বয়স মানে&lt;br /&gt;এসএসসি যা বলে&lt;br /&gt;সেই বয়সের মালাই নাকি&lt;br /&gt;প্রায় সবারই গলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পয়ষট্টিতে জন্মে বয়স&lt;br /&gt;দুই কুড়ি ছয় পূর্ণ&lt;br /&gt;অনেক আগেই করেছি তাই&lt;br /&gt;এই ট্র্যাডিশন চূর্ণ।&lt;br /&gt;মারফতিতে আবার বলি&lt;br /&gt;না যদি ভাই কমান;&lt;br /&gt;বয়স আমার সত্যি তবে&lt;br /&gt;এ সভ্যতার সমান!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন -৫&lt;br /&gt;সাহস আছে জানি সেটা&lt;br /&gt;ছড়ার ভাষা পড়ে&lt;br /&gt;জন্মেছিলেন বলুন দেখি&lt;br /&gt;কোন সে আতুড় ঘরে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;এই শহরের মালিবাগে&lt;br /&gt;মায়ের পেটে এসে&lt;br /&gt;পাক ভারতের যুদ্ধ দিনে&lt;br /&gt;গিয়েছিলাম ফেঁসে।&lt;br /&gt;মাকে বাবা পাঠিয়ে দিলে&lt;br /&gt;জামালপুরের গাঁয়ে&lt;br /&gt;দেশের বাড়ি জন্মেছিলাম&lt;br /&gt;ফুল-প্রকৃতির ছায়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন ৬ :&lt;br /&gt;আপনি নাকি ফান ম্যাগাজিন&lt;br /&gt;একাই নিলেন দখল&lt;br /&gt;দিলেন নাকি পাগল করে&lt;br /&gt;যত্তো পাঠক সকল?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;একটা মোটে পাগলা গারদ&lt;br /&gt;পাবনা যদি ভরে&lt;br /&gt;এই সওয়ালের জবাব দিতে&lt;br /&gt;তাই কাঁপি ভাই ডরে!&lt;br /&gt;পাগল করার ইচ্ছে মোটে&lt;br /&gt;নাইকো আমার ভায়া&lt;br /&gt;ছড়া লিখে চাইছি সবার&lt;br /&gt;আদর স্নেহ মায়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দখল টখল প্রসঙ্গ নয়&lt;br /&gt;প্রসঙ্গটা এই;&lt;br /&gt;চাইছি কেবল সব জাগাতে&lt;br /&gt;ছড়াই ছড়াতেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন-৭&lt;br /&gt;ছড়া লিখেন ভালো কথা&lt;br /&gt;আর কি করেন শুনি&lt;br /&gt;কখনও কি ইচ্ছে করে&lt;br /&gt;করতে খুনোখুনি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;মশায় যখন ভন ভন ভন&lt;br /&gt;হামলে পড়ে বাড়িতে&lt;br /&gt;তখন কিন্তু চাপড় দিয়ে&lt;br /&gt;চাই সে মশা মারিতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পিঁপড়া যদি কামড়ে ধরে&lt;br /&gt;ইভেন ঋষি মুনি&lt;br /&gt;তারাও তখন যায়না হয়ে&lt;br /&gt;হঠাৎ করেই খুনি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খুনের রেকর্ড খারাপ না খুব&lt;br /&gt;মারছি মশা-মাছি&lt;br /&gt;এই শহরে আমরা যে ভাই&lt;br /&gt;এসব নিয়েই আছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন-৮&lt;br /&gt;কখনও কি হাসতে গিয়ে&lt;br /&gt;কান্না করেছেন&lt;br /&gt;আবার সোজা চলতে গিয়ে&lt;br /&gt;উল্টে পড়েছেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;হাসতে গিয়ে হাসলে বেশি&lt;br /&gt;আসতে পারে কান্না&lt;br /&gt;এই কথা তো বলে গ্যাছেন&lt;br /&gt;কবেই রাজেশ খান্না!&lt;br /&gt;হাসি তবে হিসাব করে&lt;br /&gt;হিসাব করেই কাঁদি&lt;br /&gt;দুটোই কিন্তু এই জীবনে&lt;br /&gt;স্বর্ণ এবং চাঁদি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সোজার মধ্যে উল্টো হওয়া&lt;br /&gt;এতো ইজি নয়তো&lt;br /&gt;তাই জীবনে উল্টে যেতে&lt;br /&gt;মানুষ বিজি নয়তো।&lt;br /&gt;কিন্তু আয়না দেখলে পরে&lt;br /&gt;বুঝতে পারি ভুলটা&lt;br /&gt;সোজা থেকেও তখন কেমন&lt;br /&gt;লাগতে থাকে উল্টা।&lt;br /&gt;ডান হাতটা বাম হয়ে যায়&lt;br /&gt;বাম হাতটা ডান&lt;br /&gt;বদলে ফেলে নিজ পজিশন&lt;br /&gt;তেমনি চোখ ও কান!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন-৯&lt;br /&gt;আচ্ছা বাবু এবার বলুন&lt;br /&gt;ছড়া লেখার মন্ত্র কি&lt;br /&gt;লিখতে হলে লাগবে কোনো&lt;br /&gt;খটর-মটর যন্ত্র কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর :&lt;br /&gt;ডাক নামটা বাবু আমার&lt;br /&gt;সেটাও গেছেন জেনে&lt;br /&gt;প্রশ্ন দিলেন অবশেষে&lt;br /&gt;সেই নামটাও এনে!&lt;br /&gt;জানেন যখন বলছি শুনুন&lt;br /&gt;এসব কথা বাজে,&lt;br /&gt;ছড়া লেখায় যন্ত্র-টন্ত্র&lt;br /&gt;লাগবে না তো কাজে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লাগবে প্রথম প্রতিভা আর&lt;br /&gt;চেষ্টা তারই পরে&lt;br /&gt;লিখবে তারাই বুকে ছড়ার&lt;br /&gt;তেষ্টা যারই-ধরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫ অক্টোবর’২০১১ নয়া দিগন্ত’র সাপ্তাহিক ফান ম্যাগাজিন থেরাপিতে প্রকাশিত&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-2006861006313970938?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/2006861006313970938/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=2006861006313970938&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2006861006313970938'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2006861006313970938'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/10/blog-post.html' title='জন্ম ধোলাই'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-fCUu3YcyG-c/To6tKXpBkpI/AAAAAAAAAO0/55LG4zMaoYo/s72-c/jog.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-6552656950397316698</id><published>2011-09-15T13:11:00.001+06:00</published><updated>2011-09-15T13:15:19.285+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>নিচে জমিন</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-IyBF-bbsYfM/TnGlupiF8DI/AAAAAAAAAOs/9x8aAUk4YYw/s1600/IMG_4826.JPG"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 214px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-IyBF-bbsYfM/TnGlupiF8DI/AAAAAAAAAOs/9x8aAUk4YYw/s320/IMG_4826.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5652481228168097842" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-6552656950397316698?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/6552656950397316698/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=6552656950397316698&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6552656950397316698'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6552656950397316698'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/09/blog-post_15.html' title='নিচে জমিন'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-IyBF-bbsYfM/TnGlupiF8DI/AAAAAAAAAOs/9x8aAUk4YYw/s72-c/IMG_4826.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-1572689616205287522</id><published>2011-09-02T15:49:00.003+06:00</published><updated>2011-09-02T16:06:11.404+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পাতায় পাতায় পাতা'/><title type='text'>সুখের বাসর</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-HZp6XF7ligM/TmCqcUwpOwI/AAAAAAAAAOk/h-qLkGOv7Hw/s1600/dp.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 256px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-HZp6XF7ligM/TmCqcUwpOwI/AAAAAAAAAOk/h-qLkGOv7Hw/s320/dp.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5647701336308398850" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;br /&gt;পাতাদের পাতারাণি শুকনো পাতায়&lt;br /&gt;পাতাদ্বীপ পায়েলের ছন্দে মাতায়&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রুনুঝুনু রুমুঝুম নাচন ওঠায়&lt;br /&gt;গোটা দ্বীপ জুড়ে এক আসর জোটায়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এলোমেলো সুকোমল সবুজ আসর&lt;br /&gt;আহা-হা পাতাদের সুখের বাসর&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুখগুলো জ্বলে ওঠে তারায় তারায়&lt;br /&gt;উচাটন মন যেনো কোথায় হারায়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-1572689616205287522?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/1572689616205287522/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=1572689616205287522&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1572689616205287522'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1572689616205287522'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/09/blog-post.html' title='সুখের বাসর'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-HZp6XF7ligM/TmCqcUwpOwI/AAAAAAAAAOk/h-qLkGOv7Hw/s72-c/dp.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-2311450960613172629</id><published>2011-08-24T15:03:00.003+06:00</published><updated>2011-08-24T15:05:57.176+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>মিথ্যা ধরার মেশিন</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/-kG8bTlQQfr4/TlS-gyH8ZUI/AAAAAAAAAOU/Z-TW6MHHu04/s1600/polygraph%2Bmachine.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 300px; height: 200px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-kG8bTlQQfr4/TlS-gyH8ZUI/AAAAAAAAAOU/Z-TW6MHHu04/s320/polygraph%2Bmachine.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5644345703422256450" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;তোতামিয়াকে চমকে দিয়ে হঠাৎ  উদয় হলো নিরুদ্দেশ মন্তাজউদ্দিন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কোনদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; হেটে যাচ্ছিলো দোকানের সামনে দিয়ে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; &lt;span&gt;।&lt;/span&gt; প্রায় একবছর পর অ™ভ’ত এ লোকটার দেখা মিলল&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; ডেকে দু’চার কথা জিজ্ঞেস না করলেই নয়-&lt;br /&gt;-এতদিন আছিলা কই?&lt;br /&gt;-আমার কি আর ঠিক-ঠিকানা আছে? ওপরে আসমান, নিচে জমিন, মাঝখানে আমি&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; সেইখানেই থাকি, যেইখানে রাখেন অন্তর্যামী&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;- আ রে ধূর, মারফতি কথা বাদ দেও&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; বও দেহি, দুই-চাইরডা আলাপ করি&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;অনিচ্ছা সত্বেও বেঞ্চের এক কোনায় বসলো মন্তাজ উদ্দিন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; বসতে বসতেই চোখ পড়লো উইল্লা চোরার দিকে, অপর কোনায় বসে আছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; মাথায় টুপি, পরনে পাঞ্জাবি, শুকনো মুখ&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কিন্তু চেহারায় পবিত্রতার ছাপ&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; বিমুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে আছে তার দিকে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; নিজের চোখকে একদম বিশ্বাস করাতে পারছে না মন্তাজউদ্দিন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;- কিমুন আছুইন বাইছা (ভাইসাহেব)?&lt;br /&gt;- বালা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তোমার এই পরিবর্তন কেমনে?&lt;br /&gt;কপালের চোখ মাথায় তোলে জিজ্ঞেস করলো মন্তাজ উদ্দিন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;উইল্লা চোরা জবাব দেয়ার আগেই কথা কেড়ে নিলো তোতা মিয়া&lt;br /&gt;- উইল্লা চোরা তো চুরি-চামারি করে না একবছর ধরে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; গত বছর রমজান মাসে তওবা কাটছিল&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;লজ্জায় মাথা নামিয়ে নিলো উইল্লা চোরা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; গোঁফের নিচে হাসি লুকিয়ে রাখলো তোতা মিয়া &lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আর একটু নড়েচড়ে বসে লজ্জাবনত উইল্লা চোরার চোখে সরাসরি চোখ রাখলো মন্তাজ উদ্দিন-&lt;br /&gt;- তুমি হাছা কইতাছ নাকি, চুরি-চামারি একেবারে ছাইরা দিছ?&lt;br /&gt;- এইসব লইয়া কেউ মিছা  কয় নাকি? বলেই দাঁত কেলিয়ে সরল হাসি দিলো সে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তারপর অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল বাকি দুইজন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তবে দু’জনের হাসির আওয়াজ প্রায় সমান হলেও অর্থ একেবারে ভিন্ন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তোতা মিয়া হেসেছে উইল্লা চোরার দাঁত কেলানো হাসি দেখে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আর মন্তাজ উদ্দিন হেসেছে যে কারণে তা তাৎক্ষনিকভাবে অন্যদের বোঝার কথা নয়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; দু’জনের হাসির মাঝে আরেকটি পার্থক্য হলো- দু’জন হাসি শুরু করেছে একই সাথে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কিন্তু তোতা মিয়ার হাসির রেশ শেষ হয়েছে অনেকে আগেই&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আর মন্তাজ উদ্দিন এখনো হেসে চলেছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; হেসে চলেছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; হেসেই চলেছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; হাসতে হাসতে উইল্লা চোরাকে জিজ্ঞেস করলো-&lt;br /&gt;এইসব লইয়া কেউ মিছা কয় না, না? তারপর আবারো হাসতে লাগল&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;মন্তাজ উদ্দিনের হাসি দেখে রীতিমতো ঘাবড়ে গেলো অন্যরা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; হাসতে হাসতে একবার কুঁজো হয়ে যায়, আবার পেছনে কাত হয়ে উল্টে যায়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;  তবুও হাসি বন্ধ হওয়ার নাম নেই&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;- রোজা রাইখা এতো হাসো কেমনে?&lt;br /&gt;তোতা মিয়ার প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে দ্বিরুক্তি করল মন্তাজ উদ্দিন- এইসব লইয়া কেউ মিছা কয় না, না?&lt;br /&gt;তারপর একমুহুর্ত থামল এবং বলল, চুরি-চামারি কইরা কিছু হর্তা-কর্তারা দেশের মাটিসুদ্ধ গায়েব করতাছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আর মুখে কইতাছে দেশ প্রেমের কথা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; গোরস্থান, মসজিদ, ইস্কুলের টাকা মাইরা প্রকাশ্যে মিছা কইতাছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;- আ রে হাসি থামাইয়া কথা কও&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; মন্তাজউদ্দিনের বেগতিক অবস্থা দেখে অনুরোধ করলো সন্ত্রস্ত উইল্লা চোরা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;- কেরে, হাসি থামাইয়া কথা কইতাম কেরে? পাল্টা প্রশ্ন করলো মন্তাজ উদ্দিন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কিন্তু পরক্ষণেই একরকম বেখাপ্পাভাবে দীর্ঘক্ষন চলতে থাকা হাসিটা থামিয়ে দিলো সে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তারপর বললো, আমিতো তোর হাসির কথা হুইন্না হাসতাছি&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কিন্তু কেউ কেউ যে মানুষের বিপদে হাসে, মানুষরে বিপদে ফালাইয়া হাসে?&lt;br /&gt;- মানুষের বিপদে হাসে? এমন মানুষও আছে নাকি?&lt;br /&gt;- আছে রে আছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কেউ কেউ আছে সুখে-দুখে হাসে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কারণে-অকারণে হাসে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; পথে-ঘাটে হাসে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; সড়ক দূর্ঘটনায় মানুষ মারা যায়, খবর শুনে হাসে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; রাস্তা খাল হয়ে বাস বন্ধ হয়ে যায়, তখনও হাসে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; ঈদে ঘরমুখি মানুষের ভোগান্তি দেখে হাসে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; খালি হাসে আর হাসে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; হাসে আর মিছা কথা কয়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;- এত হাসে!&lt;br /&gt;-হ্যা এত হাসে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; হাসে আর আকাশ পথ-পাতাল পথের স্বপ্ন দেখায়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আর মানুষ স্বপ্ন দেখতে দেখতে তিনঘন্টার পথ ছয় ঘন্টা লাগিয়ে বাড়ি ফেরে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; অথচ গত তিন বছরে সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষনাবেক্ষনে কুড়ি হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হইছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;চমকে ওঠে তোতা মিয়া&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কিছু একটা বলতে যায়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কিন্তু ইশারা দিয়ে থামিয়ে দেয় মন্তাজ উদ্দিন&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;-কিছুদিন আগে ভারতের এক টেলিভিশন চ্যানেলে আজব একখানা মেশিন দেখছিলাম&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; মিথ্যা ধরার মেশিন’&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;- মিথ্যা ধরার মেশিন! এইটা আবার কী?&lt;br /&gt;- আছে, মিথ্যা ধরার মেশিন আছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; এইটার আসল নাম হইলো ‘পলিগ্রাফ মেশিন’&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; এইটা মানুষের বুকে লাগাইতে অয়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তারপর হৃদয়ের ধুকপুকানি গুইনা মেশিনটা কইয়া দিতে পারে কার কথা হাছা, আর কার কথা মিছা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কার হাসি কালা, আর কার হাসি বালা (ভালো)&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ওমা, ওমা! এমন মেশিন আছে নাকি! একেবারে রে-রে করে দোকানের সামনে চলে এলো ময়না&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; এতক্ষণ কোথায় ছিলো কে জানে? হয়তো আড়ালে থেকে কথা শুনেছে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; এমন মেশিন ুথাকলে তো এবারের ঈদে জামা কেনার পরিবর্তে ওর একটা মিথ্যা ধরার মেশিনই দরকার&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কারণ এ দেশের হর্তা-কর্তাদের হাসি সাদা না কালো তার একটা পরীক্ষাতো নিতেই হয়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; তবে মিধ্যা ধরার মেশিন যে একেবারে সত্যি সত্যিই আছে তা কোনভাবে বিশ্বাস করলো না ময়না&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; মন্তাজ উদ্দিন বোঝানোর চেস্টা করলো, তারপরও না&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-2311450960613172629?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/2311450960613172629/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=2311450960613172629&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2311450960613172629'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2311450960613172629'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/08/blog-post_24.html' title='মিথ্যা ধরার মেশিন'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-kG8bTlQQfr4/TlS-gyH8ZUI/AAAAAAAAAOU/Z-TW6MHHu04/s72-c/polygraph%2Bmachine.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-7096380482727516633</id><published>2011-08-15T18:25:00.002+06:00</published><updated>2011-08-15T18:32:22.841+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>আম্রকাননে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-KfeM8gohZ5M/TkkRRwVxr-I/AAAAAAAAAOM/iSxAkDKxRTo/s1600/P6226234.JPG"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 68px; height: 51px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-KfeM8gohZ5M/TkkRRwVxr-I/AAAAAAAAAOM/iSxAkDKxRTo/s320/P6226234.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5641059004989943778" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/-tt9s0T5XKSc/TkkRRlqM3cI/AAAAAAAAAOE/7gRnaKf2Bj0/s1600/IMG_4861.JPG"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 214px; height: 320px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-tt9s0T5XKSc/TkkRRlqM3cI/AAAAAAAAAOE/7gRnaKf2Bj0/s320/IMG_4861.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5641059002122821058" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-B8ejwpOdt9s/TkkRRSG_jLI/AAAAAAAAAN8/usu208gI4pY/s1600/IMG_4852.JPG"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 320px; height: 214px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-B8ejwpOdt9s/TkkRRSG_jLI/AAAAAAAAAN8/usu208gI4pY/s320/IMG_4852.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5641058996874874034" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-qsFVDCIOo8A/TkkRQ60VHkI/AAAAAAAAAN0/hes0iVF5t24/s1600/IMG_4803.JPG"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 320px; height: 214px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-qsFVDCIOo8A/TkkRQ60VHkI/AAAAAAAAAN0/hes0iVF5t24/s320/IMG_4803.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5641058990622580290" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-7096380482727516633?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/7096380482727516633/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=7096380482727516633&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/7096380482727516633'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/7096380482727516633'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/08/blog-post.html' title='আম্রকাননে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-KfeM8gohZ5M/TkkRRwVxr-I/AAAAAAAAAOM/iSxAkDKxRTo/s72-c/P6226234.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4553090047720151622</id><published>2011-07-30T12:13:00.004+06:00</published><updated>2011-07-30T12:21:55.574+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফিচার'/><title type='text'>গাধাই বড় ভরসা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/-d8wdp0Dvuf4/TjOhzJxI3nI/AAAAAAAAANk/Zl0gwYpTEoo/s1600/P6226239.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 400px; height: 300px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-d8wdp0Dvuf4/TjOhzJxI3nI/AAAAAAAAANk/Zl0gwYpTEoo/s400/P6226239.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5635025458938044018" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-style: italic; font-weight: bold;"&gt;শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;গর্দভটা এমন এক কাণ্ড করে বসবে ভাবতে পারিনি। গর্দভ বলতে সত্যিকারের গাধার কথা বলছি, কোনো বোকাসোকা মানুষের কথা নয়। রাজশাহী শহীদ কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানে লাগামছাড়া গাধাটার অবাধ বিচরণ দেখে যতটা না অবাক হয়েছি তার চেয়ে বেশি অবাক হয়েছি ওর বিচার বিবেচনাহীন কাণ্ড দেখে। কী সেই কাণ্ড তা বলার আগে প্রাসঙ্গিক কিছু কথা বলে নেয়া প্রয়োজনÑ&lt;br /&gt;চিড়িয়া দেখতে টাকা লাগে, আমাদেরও লাগল। দশ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে উদ্যানে প্রবেশ করলাম। এর আগেও ২০০২ সালে একবার এখানে এসেছি। তখন টিকিটের মূল্য কত ছিল তা মনে পড়ছে না। তবে খুব সম্ভবত দশ টাকা নয়।&lt;br /&gt;যতটুকু জানা যায়, ১৯৭২ সালে রাজশাহী মহানগরীর কাজীহাটায় পদ্মা নদীর কোলঘেঁষে ৩৩ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছিল এ পার্কটি। এক সময় এ স্থানটি ছিল রাজশাহী শহরের রেসকোর্স। রেসের পর এখানে টমটম ও ঘোড়ার গাড়ির দৌড়ও হতো। এগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পরিত্যক্ত জমিতে তৎকালীন মন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান এখানে একটি উদ্যান করার উদ্যোগ নেন। সেখানে রোপণ করা হয় মূল্যবান গাছের চারা। তৈরি করা হয় ফুলকুঞ্জ, লেক, কৃত্রিম পাহাড়। খনন করা হয় পুকুর। শুরুর দিকে বাগানে দু’টি বানর ছিল। পরে ১৯৭৫ সালের শেষ ভাগে সেখানে একজোড়া হরিণ এনে রাখা হয়। এভাবে ধীরে ধীরে সেই উদ্যানটি চিড়িয়াখানা হিসেবেও গড়ে ওঠে। ১৯৯৬ সালে এ উদ্যানটিকে সিটি করপোরেশনের হাতে তুলে দেয়া হয়। জানা যায়, তখন এখানে ছিল দু’টি সিংহ, একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার, ১৯৪টি চিত্রল হরিণ, দু’টি মায়া হরিণ, ২৬টি বানর, ৯টি বেবুন, চারটি গাধা, দু’টি ভাল্লুক, একটি ঘোড়া, দু’টি সাদা ময়ূর, তিনটি দেশী ময়ূর, ৮৫টি তিলা ঘুঘু, ৬৮টি দেশী কবুতর, চারটি সজারু, ২৮টি বালিহাঁস, দু’টি ওয়াকপাখি, একটি পেলিকেন, ছয়টি  টিয়া, চারটি ভুবন চিল, চারটি বাজপাখি, একটি হাড়গিল, তিনটি হুতুম পেঁচা, নয়টি শকুন, দু’টি উদবিড়াল, তিনটি ঘড়িয়াল ও একটি অজগর। দশনার্থীদের জন্য লেকে ছিল প্যাডেল বোট, নাগর দোলা। তখন কৃত্রিম পাহাড়ে উঠলে চোখে পরত বিস্তৃত পদ্মা। এসবের অনেক কিছুর অস্তিত্বই দেখতে পাইনি ২০০২ সালে। তখন আকর্ষণ করার মতো ছিল একটি সিংহ, একটি বাঘ, কয়েকটি বানর ও হরিণ।&lt;br /&gt;চিড়িয়াখানা দেখার প্রধান আকর্ষণ হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার। তাই ঠিক করলাম বাঘের খাঁচা থেকেই আমরা (আমি, সোহেল অটল ও রাজশাহীর স্থানীয় রাসেল) শুরু করব চিড়িয়াখানা অভিযান। অন্য কোনো কিছুর দিকে না তাকিয়ে সোজা এগিয়ে গেলাম বাঘের খাঁচার দিকে। সাথের দু’জনকে বললাম নাক চেপে এগোতে। বাঘের খাঁচার বোটকা গন্ধ খুব সাঙ্ঘাতিক। কিন্তু সাঙ্ঘাতিক বোঁটকা গন্ধ নয়, বরং সাঙ্ঘাতিক ধরনের এক হোঁচট খেতে হলো আমাদের, বাঘের খাঁচায় বাঘ নেই। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! উঁকিঝুঁকি মেরে দেখা গেল সেখানে বড়সড় একটি পাখি। সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে এর নাম ‘পেলিকান’। পেলিকান পাখির মুখগহ্বরে নাকি এমন পরিমাণ জায়গা থাকে, যাতে কমপক্ষে ১০ লিটার পানি অথবা ৩০ পাউন্ড মাছ সঞ্চিত রাখা যায়। বাধ্য হয়ে পেলিকানটাকেই পর্যবেক্ষণ করতে হলো কিছুক্ষণ। পাখিটা দেখতে এতই বড় যে সে যদি তার ডানাদুটোকে প্রসারিত করে তবে তা দৈর্ঘ্যে কম করে হলেও দশ ফুট হবে।&lt;br /&gt;অনেকটা হতাশ হয়েই তাকালাম আশপাশে। দেখলাম ডান দিকের খাঁচায় একটি ভালুককে আটকে রাখা হয়েছে। আমরা যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই সম্ভবত খাঁচাটা পরিষ্কার করা হয়েছে। ভালুকটা এদিক ওদিক হাঁটাহাঁটি করছে আর মাঝেমধ্যে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আমরা যে তাকে দেখছি সে খবর নেই। রাসেল বললেন, সিংহটার কী অবস্থা দেখা যাক। হাতে যেন প্রাণ ধরে এলো, খাঁচায় বাঘ দেখতে না পেয়ে ভেবেছিলাম সিংহটাও বুঝি উধাও হয়ে গেছে। আসলে বাঘটি কবে নাই হয়ে গেল সে খবর রাসেলও জানতেন না।&lt;br /&gt;আমাদের আসতে দেখেই সিংহটা লুটিয়ে গেল মেঝেতে। একেবারে অলস ভঙ্গিতে গড়াগড়ি খেলো দু’বার। তারপর ওপরের দিকে মুখ করে উল্টে পড়ে রইলো নির্জীব। খাঁচার ভেতরের দিকে যে অংশটায় খাবার দেয়া হয়, সেখানে একদলা মাংস পড়ে আছে। কিন্তু ওদিকে কোনো মনযোগ নেই বনের রাজার। আমরাও আর ওকে বিরক্ত করতে চাইলাম না। একটু সামনে এগিয়ে বাম দিকে বাঁক নিতেই খাঁচার ভেতর দেখা গেল সজারু। গায়ে ময়লা, দুর্গন্ধ। তবুও ক্যামেরার চোখ খাঁচার ভেতর ঢুকিয়ে দিলেন সোহেল অটল। তারপর নিয়ে নিলেন সজারুটার ছবি। অতিরিক্ত দুর্গন্ধে পেট ফুলে আসছিল, তাই আমি এগিয়ে গেলাম চিড়িয়াখানার সবচেয়ে আনন্দদায়ক খাঁচাটার দিকে। অসংখ্য বানর হুটোপুটি করে বেড়াচ্ছে পুরো খাঁচাজুড়ে। কোনোটি জাল বেয়ে ওঠে যাচ্ছে ওপরে, একটি উঠছে আরেকটির কাঁধে। আবার কোনোটিকে দেখা যাচ্ছে দর্শকদের ছুড়ে দেয়া বাদাম লুফে নেয়ার জন্য লাফালাফি করতে। খাঁচার বানরগুলোর সাথে সাথে দর্শনার্থীদের বাঁদরামোগুলোও ছিল দর্শনীয়।&lt;br /&gt;আমরা এগিয়ে যাচ্ছিলাম ঘড়িয়ালের আস্তানার দিকে। ২০০২ সালে ঘড়িয়ালটি পানি থেকে ওঠে দর্শনার্থীদের নাগালের ভেতর এমনভাবে শুয়েছিল যে, আমি ভেবেছিলাম এটি বুঝি ভাস্কর্য। তাই গ্রিলের ভেতর হাত ঢুকিয়ে দিয়েছিলাম। পিঠ স্পর্শ করতেই নড়ে উঠেছিল ঘড়িয়ালটি। সেই ভয়ঙ্কর সুখস্মৃতি-ই আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল সেদিকে। কিন্তু ঠিক কোন যায়গায় এর অবস্থান তা গড়বড়ে করে ফেললাম। অবশেষে রাসেলের নির্দেশনায় খুঁজে পেলাম ঘড়িয়ালের শূন্য আস্তানা। শূন্য বললাম এ কারণে যে, সেখানে জল আছে, আছে আগের মতো সেই ছোট্ট একটি দ্বীপের মতো স্থলও। নেই কেবল ঘড়িয়ালের অস্তিত্ব। না, না, না এ কখনো হতে পারে না। একেবারেই চুপসে গেলাম আমি। ছোট্ট দ্বীপের মতো যায়গাটিতে ছিল ঝোপ-ঝাড়, ছিল অসংখ্য পাখিদের ওড়াওড়ি।&lt;br /&gt;অনেক কিছু হতাশাজনক হলেও চিড়িয়াখানায় কাঠবেড়ালিদের আনাগোনা সেই আগের মতোই আছে। গাছের ওপর, ঘাসের ফাঁকে এমনকি লোকচলাচলের ঢালাই পথেও ওদের নির্ভয় ছুটোছুটি। আমাদের তিনজনেরই বিমুগ্ধ দৃষ্টি পিছু নিলো একটি চটপটে কাঠবেড়ালির। হঠাৎই দৃষ্টি আটকে গেল একটি গাধার দিকে। আয়েশি ভঙ্গিতে তখন গর্দভের মতো ঘাস খাচ্ছিল গাধাটি। কোনো খাঁচার ভেতর নয়, উন্মুক্ত উদ্যানে। খাঁচায় বন্দী অর্ধমৃত প্রাণীগুলো দেখে দেখে এতটাই কান্ত হয়ে ওঠেছিলাম যে গর্দভটাকে উন্মুক্ত দেখে তা নিমিষেই উবে গেল। সুস্বাস্থ্যবান এ গাধাটিকেই মনো হলো রাজশাহী চিড়িয়াখানার একমাত্র ভরসা। যখন গাধাটিকে নিয়ে আমরা আশাব্যঞ্জক নানা বুলি ছাড়ছিলাম, ঠিক তখনই সে এমন একটি কাণ্ড আরম্ভ করল, যার কথা শুরুতে বলেছি। সে রহস্য ভাঙার আগে আরো প্রয়োজনীয় কিছু কথা বলে নেইÑ&lt;br /&gt;সোহেল অটলের ফোন বেজে উঠল। ফোন করেছেন নয়া দিগন্তের গোদাগাড়ী সংবাদদাতা আশরাফ বাবু। তিনি তখন চিড়িয়াখানার ভেতরে প্রবেশ করে আমাদের খোঁজাখুঁজি করছিলেন। তার সাথে দেখা করার জন্য পুকুর ঘেঁষে এগিয়ে এলাম। দেখা হলো, কুশলবিনিময় হলো এবং আমাদের দল ভারি হলো।&lt;br /&gt;আমাদের চারজনের দলটি এগিয়ে চলল অফিস কক্ষের দিকে। কিন্তু হতাশ হলাম। দরজায় বড়সড় একটি তালা ঝোলানো। একপাশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি পোস্টার। আমরা তখন খোঁজ করছিলাম দায়িত্বরতদের। মোটামুটি হাঁকডাক ছাড়ার পর দেখা মিলল পার্ক পরিদর্শক মিলন আক্তারের। লম্বা সালাম দিয়ে হাজির হলেন টিকিট চেকার হাবিবুল ইসলাম। বেটে-খাটো লোক তিনি। কাজ করছেন ছয়-সাত বছর হলো। গাধাটা সম্পর্কে তিনি জানালেনÑ গাধা নিরীহ প্রাণী, মানুষের ক্ষতি করে না তাই ছাড়া রয়েছে যে। এটা পালিয়ে যায় না? ‘পালিয়ে যাবি কোথি? সব পথ বন্ধ।’&lt;br /&gt;অফিস কক্ষের দরজা খুলে দিলেন মিলন আক্তার। ভেতরে সব এলোমেলো, বোঝা যায় অফিসে বসার চেয়ে বাইরে আড্ডা দেয়াতেই তাদের বেশি স্বাচ্ছন্দ্য। জানালেন তিনি ছাড়াও আরো দুইজন সুপারভাইজার রয়েছেন, মো: আবদুল খালেক স্বপন ও এবাদুল হক বাবু। আমরা চিড়িয়াখানার ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে মিলন বলেন, সব কথা নগরভবনে পাবেন। ভাবটা এমন যেন ওখানে খাঁচায় ভরে ‘কথা’ তৈরি করে রাখা হয়েছে এবং প্যাকেজ আকারে বিক্রি করা হচ্ছে। দর্শনার্থীদের অনেক অভিযোগ, আগের সেই প্রাণচাঞ্চল্য নেই, নেই বাঘ, লেকে নেই বড় বড় বাহারি মাছ। খাঁচাগুলো প্রাণিশূন্য হয়ে পড়ছে দিন দিন। কেটে ফেলা হচ্ছে গাছ ইত্যাদি।&lt;br /&gt;একেবারেই মুখ খুলতে নারাজ মিলন। কিছুক্ষণ পর অফিস কক্ষে প্রবেশ করলেন আরেক পরিদর্শক এবাদুল হক বাবু। তিনি জানালেন, উদ্যানে এখন কাজ চলছে। একপাশে উদ্যান এবং অন্যপাশে চিড়িয়াখানা করা হবে।&lt;br /&gt;এ কারণেই কি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে? ‘হ্যাঁ, কিছু গাছ কাটা হয়েছে তা ঠিক। তবে অনেকগুলো ঝড়ে পড়ে গেছে।’ তিনি জানালেন, উদ্যানের দায়িত্বে রয়েছেন একজন নির্বাহী মেজিস্ট্রেট। আর পশুপাখিদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখাশোনা করেন একজন ভেটেরিনারি ডাক্তার। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: সাদেকুল ইসলামের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে জানা যায়, শহীদ কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানে ১৫ বছর যাবত একজন অনিয়মিত ডাক্তার রয়েছেন। এখানে ফুল টাইম কোনো ডাক্তার কাজ করেন না। বর্তমানে দায়িত্বপালন করছেন ডা. ফরহাদ। তিনি মূলত কসাইখানা পরিদর্শক। চিড়িয়াখানায় তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগের ব্যাপারে অনেকবারই কর্তৃপক্ষের কাছে ধর্ণা দিয়েছেন বলে নির্বাহী মেজিস্ট্রেট মো: সাদেকুল ইসলাম জানান।&lt;br /&gt;শহীদ কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানের গল্প এখানেই শেষ। তবে গাধার গল্পটার মীমাংসা এখনো হলো না। সত্যি বলতে রাজশাহী চিড়িয়াখানার চিত্র দেখে মনে হয়েছে, দর্শনার্থীদের জন্য গাধাই বড় ভরসা। দর্শনার্থী হিসেবে এ প্রাণীটির কাছ থেকে আমরা যে বিনোদন পেয়েছি তা অন্য কোনো জন্তু থেকে পাইনি। কী বিনোদন? সেটা না-ই বললাম। আর সব কথা সব সময় বলা যায় না।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4553090047720151622?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4553090047720151622/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4553090047720151622&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4553090047720151622'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4553090047720151622'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/07/blog-post.html' title='গাধাই বড় ভরসা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-d8wdp0Dvuf4/TjOhzJxI3nI/AAAAAAAAANk/Zl0gwYpTEoo/s72-c/P6226239.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4450055744049999383</id><published>2011-06-30T15:17:00.003+06:00</published><updated>2011-06-30T15:31:53.216+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>রাজশাহী চিড়িয়াখানায়</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-C1CmtO_6kGo/TgxCZqVqZbI/AAAAAAAAANc/NQ1dORkKGJw/s1600/P6226230.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-C1CmtO_6kGo/TgxCZqVqZbI/AAAAAAAAANc/NQ1dORkKGJw/s320/P6226230.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5623943043308217778" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-9cqdJkxKgys/TgxAQMMC8bI/AAAAAAAAANU/jUN1RWMl4jg/s1600/P6226249.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-9cqdJkxKgys/TgxAQMMC8bI/AAAAAAAAANU/jUN1RWMl4jg/s320/P6226249.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5623940681572741554" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-uxS80L9e3dY/TgxAPwsTAMI/AAAAAAAAANM/LcK62PMxFSw/s1600/P6226248.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-uxS80L9e3dY/TgxAPwsTAMI/AAAAAAAAANM/LcK62PMxFSw/s320/P6226248.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5623940674191818946" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-HqO__qALv1o/TgxAPpVjDsI/AAAAAAAAANE/ux6LwTmVwtU/s1600/P6216222.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-HqO__qALv1o/TgxAPpVjDsI/AAAAAAAAANE/ux6LwTmVwtU/s320/P6216222.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5623940672217353922" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/-AAHl8E4ppqc/TgxAPaDqOuI/AAAAAAAAAM8/T8LzPg7_fcc/s1600/P6216217.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 240px; height: 320px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-AAHl8E4ppqc/TgxAPaDqOuI/AAAAAAAAAM8/T8LzPg7_fcc/s320/P6216217.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5623940668115794658" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-qoPN-aSEpHc/TgxAPEvW5tI/AAAAAAAAAM0/PjjQDIQv6AA/s1600/P6216216.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-qoPN-aSEpHc/TgxAPEvW5tI/AAAAAAAAAM0/PjjQDIQv6AA/s320/P6216216.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5623940662393497298" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ছবিগুলো রাজশাহী চিড়িয়াখানায় তোলা। বলে রাখা প্রয়োজন- আমরা (আমি, সোহেল অটল ও রাসেল) কিন্তু চিড়িয়া নই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4450055744049999383?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4450055744049999383/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4450055744049999383&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4450055744049999383'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4450055744049999383'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/06/blog-post_2145.html' title='রাজশাহী চিড়িয়াখানায়'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-C1CmtO_6kGo/TgxCZqVqZbI/AAAAAAAAANc/NQ1dORkKGJw/s72-c/P6226230.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-6132232049489254476</id><published>2011-06-30T14:52:00.001+06:00</published><updated>2011-06-30T15:09:46.860+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফিচার'/><title type='text'>`নানা হে..'</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-ti2MDoghc_A/Tgw9QdNt3XI/AAAAAAAAAMs/0gMmkKSb1Jc/s1600/nana%2Bhe2.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 214px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-ti2MDoghc_A/Tgw9QdNt3XI/AAAAAAAAAMs/0gMmkKSb1Jc/s320/nana%2Bhe2.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5623937387608268146" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ&lt;/span&gt;, রাজশাহী থেকে ফিরে&lt;br /&gt;নাতি মঞ্চে গিয়ে কয়েকবার ‘নানা’ বলে হাঁক ছাড়ে। গায়ে গেঞ্জি, কোমরে গামছা।&lt;br /&gt;নেপথ্য থেকে একজন চেঁচিয়ে ওঠে, তুই এখেনে চিল্লেচিল্লি করছিস কেনে?&lt;br /&gt;নাতি- তোমরা হাঁর নানাকে কেহু দেখ্যাছো নি আমি সেই সক্কাল থেইকা বোইলে রাখলাম এখেনে এক অনুষ্ঠান হবে। কিন্তু হাঁর নানার কোন দেখা নাই।&lt;br /&gt;হঠাত মঞ্চে উদয় হন নানা। তারপর আচমকা লাঠি মারেন নাতির পেছনে এবং বলেন, শালাকে দিব পাইনঠ্যার বাড়ি।&lt;br /&gt;নানার মুখে পাকা দাঁড়ি, মাথায় মাথাল, পরনে লুঙ্গি, হাতে লাঠি। হাতের লাঠিটি ঘুরাতে ঘুরাতে নাতিকে শুধায়, আগে বোল কিসের অনুষ্ঠানের লেগি আমাকে বোলেছিস?&lt;br /&gt;-    আজকে এখেনে আম, সিল্ক প্রদর্শনী ও লোকউতসব চলছে যে।&lt;br /&gt;এভাবে নানা-নাতির রসালো আলাপচারিতা চলতে থাকে কিছুন। এর পর গানের ধুয়া তোলে দু’জন-&lt;br /&gt;‘হে নানা, শান্তির শহর এই রাজশাহী&lt;br /&gt;তার গুণগান হামরা গাহি&lt;br /&gt;এই রাজশাহীর নাই যে কোথাও তুলনা&lt;br /&gt;হে নানা, শিার শহর এই রাজশাহী&lt;br /&gt;মানুষ গরার কারখানা।’&lt;br /&gt;ধুয়ার পর সংলাপ। সংলাপের পর ধুয়া। এভাবেই গীত হতে থাকে গম্ভীরা।&lt;br /&gt;গম্ভীরা পরিবেশনের এ চিত্রটি আম, সিল্ক প্রদর্শনী ও লোক উৎসব মঞ্চের। রাজশাহী নগরভবন প্রাঙ্গনে তিন দিনব্যাপী এ উতসব শুরু হয় গত ২২ জুন এবং শেষ হয় ২৪ জুন।&lt;br /&gt;বরেন্দ্রনগরী রাজশাহীর বিখ্যাত আম, সিল্ক এবং গম্ভীরাকে উপজীব্য করে ‘আমরা রাজশাহীবাসী’ নামে একটি আঞ্চলিক সংগঠন বাৎসরিকভাবে এর আয়োজন করে। বরাবরের মতো এবারের উৎসবেরও পৃষ্ঠপোষকতা করেছে বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক। এবার নিয়ে পরপর চারবার এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। গত বুধবার নগরভবন প্রাঙ্গনে তিনদিনব্যাপি অনুষ্ঠানটি শুরু হয় বিকেল পাঁচটায়। শেষ হয় রাত দশটায়। বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে এটি উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ সরিফুল ইসলাম বাবু। সভাপতিত্ব করেন আমরা রাজশাহীবাসীর সভাপতি মো. আবু বাক্কার আলী। উদ্বোধনের পর মেলামঞ্চে একে একে বক্তৃতা করেন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের চেয়ারম্যান ড.আবুল আহসান চৌধুরী, বাংলাদেশ সিল্ক বোর্ড রাজশাহীর চেয়ারম্যান সুনীল চন্দ্র পাল এবং বাংলালিংকের সহকারি ম্যানেজার শিবলী সাদিকসহ আরো অনেকেই ।&lt;br /&gt;নগরভবন আঙিনায় বসেছিল আম ও সিল্কের পসরা। উদ্বোধনের সময় দর্শনার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও সন্ধ্যার পর সরগরম হয়ে উঠতে থাকে মেলাপ্রাঙ্গন।&lt;br /&gt;রাজশাহীর কৃষকদের অনেকেই আমের ওপর নির্ভরশী। বাংলাদেশেতো নয়ই বরং পৃথিবীর কোথাও এমন সুস্বাদু ও সুগঠিত আম নেই। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ও তৃতিয় দিনও সকাল ১০টা থেকে রাত দশটা পর্যন্তভিন্ন ভিন্ন জাতের রকমারি স্বাদের আম প্রদর্শিত হয়।&lt;br /&gt;রাজশাহীকে বলা হয় রেশমনগরী। এখানকার সিল্কের গুটি থেকে তৈরি হয় অভিজাত ও মসৃন কাপড়। রাজশাহী সিল্কের শাড়ি ও অন্যান্য পণ্যের চাহিদা দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বাইরেও ছড়িয়ে পরেছে। মেলার স্টলগুলোতে সিল্কের তৈরি পোশাক প্রদর্শিত হয়েছে।&lt;br /&gt;রাজশাহী অঞ্চলের আরেক ঐতিহ্য গম্ভীরা। পশ্চিমবঙ্গের মালদহ এলাকায় এ গানের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তা রাজশাহী অঞ্চলের গান হয়ে ওঠে। এ ধারার গানে প্রধানত দু’টি কেন্দ্রীয় চরিত্র মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এদের একজন হচ্ছেন নানা, যিনি পেশায় কৃষক এবং অন্যজন নাতি, যে একজন রাখাল। গম্ভীরায় সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি উঠে আসলেও সময়ের সাথে সাথে এর স্বরুপ পাল্টাচ্ছে। এবারের উতসবে পরিবেশিত গম্ভীরার মূল বিষয়বস্তু ছিল রাজশাহীর শিা-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরনে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। গম্ভীরায় নানার ভূমিকায় ছিলেন খুরশিদ আল মাহমুদ ও নাতির ভূমিকায় মো: মনি আক্তারুল ইসলাম সনি। দু’জনই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন যায়গায় গম্ভীরা পরিবেশন করছেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকে রাজশাহী থিয়েটারের মাধ্যমে গম্ভীরার সাথে আস্টেপৃস্টে জড়িয়ে যান ‘ খুরশিদ।&lt;br /&gt;মো: মনি আক্তারুল ইসলাম সনি নাতির ভূমিকায় মঞ্চে আছেন ছয় বছর হলো। নিজের মনের তাগিদেই আনন্দের সাথে কাজটি করে যাচ্ছেন তিনি ‘লোকজ সংস্কৃতিকে ধরে রাখার জন্য আমরা গম্ভীরা শুরু করি। আমাদের পরিবারের কেউ সংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথে জড়িত না থাকলেও নিজের চেস্টায় আমি উঠে এসেছি।’ খুরশিদের মতো তিনিও রাজশাহী থিয়েটার থেকেই উঠে এসেছেন। তিনি মনে করেন ম্যাসেজ পৌঁছানোর একটি ভালো মাধ্যম হলো গম্ভীরা ‘ নানা নাতির হাস্যরসের মাধ্যমে সহযেই মানুষের কাছে মেসেজ পৌঁছে দিতে পারি আমরা। তাই গম্ভীরা সমাজসচেতনতা তৈরি করতে সহায়ক।’&lt;br /&gt;বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করার পর অন্য কোন পেশায় না গিয়ে গম্ভীরাকেই তারা পেশা হিসাবে নিয়েছেন। তবে তিনি বলেন ‘এখন পর্যন্ত গম্ভীরা তেমনভাবে পেশাদারিত্বের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। কিন্তু এর প্রসার যেভাবে হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকলে গম্ভীরাকে পরিপূর্ণ পেশা হিসাবে গ্রহণ করার জন্য খুব বেশি দিন অপো করতে হবে না আমাদের।’&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-6132232049489254476?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/6132232049489254476/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=6132232049489254476&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6132232049489254476'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6132232049489254476'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/06/blog-post_30.html' title='`নানা হে..&apos;'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-ti2MDoghc_A/Tgw9QdNt3XI/AAAAAAAAAMs/0gMmkKSb1Jc/s72-c/nana%2Bhe2.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-1065312306495008624</id><published>2011-06-27T17:13:00.001+06:00</published><updated>2011-06-27T17:15:16.466+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>ছবিটা ডাইনোসর যুগের</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-kreoRw-5tHQ/TghmNy2O_lI/AAAAAAAAAMk/sshE5tV0Fig/s1600/IMG_4805.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 214px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-kreoRw-5tHQ/TghmNy2O_lI/AAAAAAAAAMk/sshE5tV0Fig/s320/IMG_4805.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5622856521945644626" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ছবিটা ডাইনোসর যুগের। চলে এসেছে টাইম মেশিনে চড়ে। সেই যুগের কোন একদিনে (২৩ জুন) আমরা তিনজন ( বা থেকে আমি, বিশিস্ট আম্রখাদক সোহেল অটল ও জোবায়ের) গিয়েছিলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে।&lt;br /&gt;সাথে অবশ্য আরো অনেকে ছিলেন কিন্তু টাইম মেশিনের চোখে তারা আপাতত ধরা পড়েননি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-1065312306495008624?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/1065312306495008624/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=1065312306495008624&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1065312306495008624'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1065312306495008624'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/06/blog-post.html' title='ছবিটা ডাইনোসর যুগের'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-kreoRw-5tHQ/TghmNy2O_lI/AAAAAAAAAMk/sshE5tV0Fig/s72-c/IMG_4805.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-431369062735427163</id><published>2011-05-28T15:04:00.004+06:00</published><updated>2011-05-28T15:48:00.217+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খুদে পন্ডিতদের জন্য'/><title type='text'>ইশকুল পালিয়ে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-CFtlAfyRDuk/TeC8KUp5HcI/AAAAAAAAAMQ/0R97ErW1IUs/s1600/Rok.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 247px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-CFtlAfyRDuk/TeC8KUp5HcI/AAAAAAAAAMQ/0R97ErW1IUs/s320/Rok.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5611692021232770498" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;‘আজকালকার কিশোরদের ওপর পড়া লেখার যে চাপ, তা অনেকটা রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করার মতো’&lt;br /&gt;ওমা, এমন কথা আবার কে বললো?&lt;br /&gt;নিশ্চয়ই মহা ফাঁকিবাজ ধরনের কেউ হবে। পড়ালেখার চাপ আর রিমান্ড কি এক জিনিস হলো?&lt;br /&gt;পড়ালেখাতো তুমিও করছো। তুমি কি রিমান্ডে আছো বলে মনে হয়?&lt;br /&gt;কই নাতো দিব্যি স্বাধীন-ই আছো। সকালে আম্মুর ডাকে বিছানা ছেড়ে উঠছো। তারপর তড়িঘড়ি করে প্রাত কাজ সারছো, নাস্তা করছো এবং আম্মু কিংবা আব্বুর সাথে ইশকুলে যাচ্ছো। কাস শেষে আবার ঠিক ঠিকই বাসায় ফিরে আসছো। তারপর কয়েকজন টিচার আসছেন তোমাকে পড়াতে। ব্যস, এভাবেইতো দিন কেটে যাচ্ছে। একে কি রিমান্ড বলা যায়?&lt;br /&gt;কে সেই বোকা লোকটা, যে কিনা এমন কথা বললো?&lt;br /&gt;উহু, সেই লোকটা কিন্তু মোটেও বোকা নন। তাঁর নাম রকিব হাসান।&lt;br /&gt;তিন গোয়েন্দা সিরিজের লেখক?&lt;br /&gt;হ্যা, রকিব হাসান বলতে তো তাকেই বোঝায়।&lt;br /&gt;এই সেরেছে রে। তাহলেতো বিশ্বাস না করে উপায় নেই। তিনিতো আর মিথ্যে বলার লোক নন। তাছাড়া কিশোর পাশা, মুসা আমান আর রবিন মিলফোর্ডের মতো বিচ্ছুরা যার কলমের ইশারায় উঠবস করে, তাকে আর যাই হোক বোকা বলা যাবে না।&lt;br /&gt;রকিব হাসানের কাছে তোমাদের এই অতিপড়াপড়ির রুটিনটা রীতিমত রিমান্ডের মতোই মনে হয়। এই যে আম্মুর ডাকে ঘুম থেকে উঠছো, ইশকুলে যাচ্ছো, টিউটরের কাছে পড়ছো এসবকেই তিনি রিমান্ড বলেছেন। অর্থাৎ তোমাদের জীবনে এখন পড়া লেখার রিমান্ড চলছে আরকি। এবার নিশ্চয়ই ভাবছো, রকিব হাসানের কাছে হয়তো ইশকুল মানেই ছিলো আতঙ্ক? মোটেই তা নয়। তার কাছে ইশকুল ছিলো স্বপ্ন, আনন্দ আর যত  দূরন্তপনার স্বর্গরাজ্য। সেইসময়ের ইশকুলগুলো এখনকার মতো ছিলো না। তোমরাতো পড়াপড়ির চাপে না সময় পাও খেলতে যেতে, না পারো গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াতে। তখনকার ইশকুল যদি এমন হতো, তবে হয়তো কিশোর রকিব হাসানের পড়ালেখাই করা হতো না। তাইতো এই বয়সে এসে পড়ালেখার রিমান্ডবন্দি তোমাদের জন্য বড় মায়া হয় তার। তোমরা কি এখন ইচ্ছে করলেই বেরোতে পারবে ডোংরা গাছের পাতার ভেতর টুনটুনির বাসা খোঁজার অভিযানে? একদমই পারবে না। এবার হয়তো মানবে যে, তোমাদের এখনকার অতিপড়াপড়িকে রিমান্ডের সাথে তুলনা করে ভুল করেন নি রকিব হাসান। শুনলে লোভ হতে পারে- রকিব হাসানদের ইশকুলবেলাটা ছিলো স্বপ্নের মতো। তিনি কেবল টুনটুনির বাসা-ই খুঁজেছেন এমন নয়, রীতিমত গুলতি নিয়ে পাখি শিকারেও বেড়িয়েছেন। ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিয়েছেন ডুব সাাঁতার দিয়ে। তাই বলে আবার ভেবো না, রোজ রোজ ইশকুল পালিয়ে কেবল হইরই করে বেড়াতেন। ইশকুল পালানোর রেকর্ড বলতে গেলে তার একদমই নাই। গুটিকয়েক যাও আছে তাও পড়ালেখার ভয়ে নয়। ইশকুলের পড়া তার কাছে কোন ব্যপারই ছিলো না। কারণ বছরের শুরুতে নতুন বই পাওয়ার পর পরই প্রায় সব পড়া শেষ হয়ে যেতো। তাই পিটুনির ভয়ে ইশকুল পালানোর প্রশ্নই উঠে না। তবে হ্যা, ইশকুল থেকে জানালা দিয়ে পালিয়ে আসার একটি ঘটনা আছে বটে- একবার কাসে বসেই তিনি খবর পেলেন বিরাট বিরাট গামলা ভরে মিষ্টি আসছে ইশকুলে। কি যেন কি উপলক্ষ্যে তাদেরকে মিষ্টি খাওয়ানো হবে। খবর শুনেতো কাসে শুরু হয়ে গেলো প্রচন্ড হট্টগোল। টেবিল চাপড়ানো, জোরে-জোরে কথা বলা, চেঁচানো ইত্যাদি আরকি। কিছুক্ষন পর ঠিকই দেখা গেল দফতরি মিষ্টি নিয়ে চলে এসেছে। সবাইকে বলল, যার যার খাতা থেকে একটা করে পাতা ছিঁড়ে নিতে। ফড়াত ফড়াত পাতা ছিঁড়তে লাগলো সবাই। কিন্তু রকিব হাসানের আর তর সইছিলো না। কিসের আবার ছেঁড়াছেড়ি, হাতে নিয়েই খেয়ে ফেলা যায়। আম্মাতো আর কাসে নেই যে হাত ময়লা কি না দেখতে আসবে। শুরু হলো মিষ্টি বিতরণ। সাথে করে একটা পিরিচ আর ছুরি নিয়ে এসেছে দফতরি। পিরিেিচ একটি করে রসগোল্লা তুলে রাখে, ছুরি দিয়ে কেটে দুই ভাগ করে, তারপর অর্ধেকটা রসগোল্লা আলগোছে তুলে এনে ফেলে দেয় ছেলেদের বাড়িয়ে দেয়া কাগজে। এই অর্ধেকটা করে রসগোল্লা বিতরণ করছে দেখে মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো রকিব হাসানের। তাকে যখন দিতে এলো, সাফ মানা করে দিলেন, খাবেন না।&lt;br /&gt;হয়তো ভাবছো মিষ্টি খাওয়া-খাওয়ির সাথে আবার ইশকুল পালানোর সম্পর্ক কী? হ্যা সম্পর্কতো একটা আছেই। তাহলে পরের ঘটনা শোন- মিষ্টি খাওয়ার হইচইতো শেষ হলো। কিছুক্ষন পর পাশের ঘরে আবার শুরু হলো হট্টগােল। কী ব্যাপার? একটি ছেলে বলল, ‘আবার মিষ্টি নাকি?’। হলেও হতে পারে। তখন কম হয়ে গিয়েছিলো বলে আবার এনেছে। পরক্ষনেই গলা ফাটিয়ে চেঁচানোর শব্দ পেলেন। ঘটনা কী? কিছুক্ষন পরই খবর এলো ইশকুলের সব ছাত্রদেরকে কলেরার ইনজেকশন দেয়া হবে। এই ছিল তবে মিষ্টি খাওয়ানোর পেছনের কারণ! যথারীতি ভারিক্কি চালে কাসরুমে ঢোকল মেডিকেল টিম। ঢোকেই দরজা বন্ধ করে দিলো। প্রথম বেঞ্চের প্রথম ছেলেটার কাছে গিয়ে দাঁড়ালো তারা। গাঁইগুঁই করতে লাগল ছেলেটি। কিন্তু এতে কোন কানই দিলোনা ওরা। চামড়ায় সুচ ঠেকতেই আঁউ করে উঠল ছেলেটা। তারপর ভ্য্যাঁ করে কেঁদে ফেলল। সিরিয়ালে দুই নম্বর ছেলেটাকে ধরতে যেতেই সে ঢুকে গেল বেঞ্চের তলায়।&lt;br /&gt;এসব দেখে কি আর স্থির থাকা যায়? তার বুকেও তখন কাঁপুনি ওঠেছে। স্যার তাদেরকে অভয় দেয়ার জন্য বার বার বলছিলেন ‘কিছু না, কিছু না, পিঁপড়ের কামড়। টেরই পাবে না।’ কথার সত্যতা প্রমাণ করার জন্য নিজেই শার্টের হাতা গুটিয়ে এগিয়ে গেলেন ইনজেকশন নিতে। সুচ ফোটানোর সাথে সাথে দাঁতমুখ খিঁচিয়ে তাঁর চেহারা বিকৃত করে ফেলার ভঙ্গি দেখেই সবাই আন্দাজ করে ফেলেছিলো, পিঁপড়ের কামড়টা বড় শক্ত কামড়।&lt;br /&gt;ভয়টা আরো বেড়ে গেল তার। হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করলেন, তিনি যেখানে বসে আছেন এর পাশের জানালাতে শিক নেই। জানালাটা অনেক বড় হলেও বেশ উঁচুতে। ওটা ডিঙাতে হলে বেঞ্চের ওপর উঠতে হবে। স্যার দেখে ফেলতে পারেন। সবচেয়ে কঠিন ব্যাপার যেটি তা হলো, ওখান থেকে নিচে লাফিযে নামা। জানালার ঠিক নিচে রয়েছে একটি চওড়া ড্রেন। আর কাঁটাঝোপে ভরা। তবুও সেটা ইনজেকশনের চেয়ে ভালো মনে হলো। হঠাৎ তিনি বেঞ্চের ওপর উঠে দাঁড়ালেন। একলাফে জানালায় উঠে যা থাকে কপালে ভেবে দিলেন লাফ। নর্দমা ডিঙিয়ে পড়লেন ওপাশে। কাঁটার আঁচড় লাগল দু-এক জায়গায়। তবুও দিলেন ঝেড়ে দৌড়। বইখাতা সব কাসেই ফেলে এসেছেন। জানেন, এগুলো হারাবে না। দফতরি হয়তো অফিসঘরে রেখে দেবে।&lt;br /&gt;এই হলো রকিব হাসানের ইশকুল পালানোর গল্প। আর যেদিন তিনি স্থির করতেন ইশকুলে যাবেন না, ব্যাস জোর করেও কেউ তাকে পাঠাতে পারতো না। কারণ সবাই জানতো একগুঁয়ে এ ছেলের ওপর জোর খাটবে না। ইশকুলে না গিয়ে কি করতেন সে সময়টুকু? চলে যেতেন পুকুরে মাছ ধরতে কিংবা টই টই করে ঘুরে বেড়াতে।&lt;br /&gt;এতক্ষনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে, তিনি টই টই করে ঘুরে বেড়িয়েছেন, মাছ ধরেছেন, গুলতি দিয়ে পাখি শিকার করেছেন সবই মানলাম। তবে গোয়েন্দাগিরি করেছেন কখন?&lt;br /&gt;খুবই যৌক্তিক প্রশ্ন। যেহেতু তিনি তিনগোয়েন্দা সিরিজের লেখক, সেহেতো তার কিশোরবেলাটা গোয়েন্দাদের পালের গোদা হিসাবে কেটেছে এমন ধারণা হওয়াটাই স্বাভাবিক। আর নিশ্চয়ই বেশ কয়েকজন চৌকষ চেলাপেলা তাকে ছায়ার মতো অনুকরণ করতো। সবার কাজ ছিলো কোথায় কার মুরগি চুরি গেছে, কবে কার ছাগল হারিয়ে ফেলেছে ইত্যাদি নানান ঘটনার খোঁজখবর রাখা। আবার নিজেদের তাগিদেই রহস্য উদঘাটনে আদাজল খেয়ে লাগতো সবাই। রকিব হাসানের নামের সাথে এমন ধরনের কল্পনাইতো মানানসই, তাই না?&lt;br /&gt;হ্যা, তাই। তিনিও গোয়েন্দা ছিলেন। তবে মনে মনে গোয়েন্দা আরকি। দস্যু বাহরাম, শার্লক হোমস এগুলো নিয়মিত পড়তেন। কিন্তু তিনি ছিলেন অনেকটা নিঃসঙ্গ। তাই কিশোরগোয়েন্দা দল গঠন করাও তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। অবশ্য এমন কোন ইচ্ছেও ছিলো না তার।&lt;br /&gt;কি সাঙ্ঘাতিক কথারে বাবা, ছোটবেলায় গোয়েন্দাগিরি করার সামান্যতম অভিজ্ঞতা নেই, অথচ বড় হয়ে কিনা লিখে ফেললেন গাদাগাদা রোমাঞ্চকর গোয়েন্দা কাহিনী!&lt;br /&gt;এতে মোটেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। সব শিক্ষার জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়না। বই পড়ে পড়ে পৃথিবী ঘুরে আসা যায়। কাজেই তিনিও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন বই পড়ে। তাকে বাস্তবে গোয়েন্দাগিরি করে গোয়েন্দাসিরিজ লিখতে হয়নি।&lt;br /&gt;রকি বীচের লোহালক্করের জঞ্জালের ভেতর থাকে গোয়েন্দাপ্রধান কিশোর পাশা। বাংলাদেশী বংশো™ভ’ত। ুদ্র জিনিসও বুদ্ধিদীপ্ত এ ছেলেটির দৃষ্টি এড়ায় না। যে জিনিস একবার দেখে সেটা মনে থাকে দীর্ঘদিন। তার মুদ্রাদোষ হলো গভীর চিন্তামগ্ন থাকলে নিচের ঠোঁটে চিমটি কাটা। গোয়েন্দা সিরিজের দ্বিতীয় চরিত্র মুসা আমান। তাকে ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা, লনের ঘাস ছাটা এসব কাজ প্রায়ই করতে হয়। শত্রুর পেটে আঘাত করতে তার জুড়ি নেই। তার মুদ্রাদোষ হলো কথায় কথায় ‘খাইছে’ কিংবা ‘ইয়াল্লা’ বলা। ভ’তে তার যত ভয়। তবে বিপদের মুহূর্তে সবচেয়ে সাহসী হয়ে উঠে মুসা। আর তিন গোয়েন্দার নথি গবেষক হিসেবে পরিচিত রবিন মিলফোর্ড। আয়ারল্যান্ডের বংশোদ্ভোত। তার কাজ হচ্ছে তিন গোয়েন্দার সকল কেসের রেকর্ড ব্যখ্যা বা নথি সংরক্ষণ করা। সে তিন গোয়েন্দার সবার মধ্যে সবচেয়ে কেতাদুরস্ত।&lt;br /&gt;এ তিনটি চরিত্রের রোমাঞ্চকর গোয়েন্দাগিরিই তার লেখার উপজীব্য। এ তিনটি চরিত্রকে অনুসরণ করে তোমাদের মতো অনেকেই গোয়েন্দা দল গঠন করে ফেলেছে। কেউ হাতে অস্ত্র নিয়ে গোপন আস্তানাও গড়েছে। দূর্ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব নেয়ার জন্য এলাকার মুরব্বিদের ফুসলিয়েছে এমন কিশোরেরও অভাব নেই। কেউ কেউ আবার শখের গোয়েন্দা হিসাবে নিজেদের পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দবোধ করতো। আবার অনেকেই প্রচন্ড আবেগ নিয়ে রহস্যের জট খোলার নতুন কৌশল শেখার আশায় দেখা করেছে স্বয়ং রকিব হাসানের সাথেও। তারপর তিনি ওদেরকে কি উপদেশ দিয়েছেন জানো?&lt;br /&gt;তিনি বলেছেন ‘কল্পনাকে সবসময় বাস্তবের সাথে মেলাতে নেই।’&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-431369062735427163?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/431369062735427163/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=431369062735427163&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/431369062735427163'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/431369062735427163'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/05/blog-post_28.html' title='ইশকুল পালিয়ে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-CFtlAfyRDuk/TeC8KUp5HcI/AAAAAAAAAMQ/0R97ErW1IUs/s72-c/Rok.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-1226803084038693091</id><published>2011-05-27T13:50:00.003+06:00</published><updated>2011-05-28T15:01:19.519+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পাতায় পাতায় পাতা'/><title type='text'>পাতায় পাতায় গাঁথা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/--fQHPRnSvX4/Td9Y0rJ_EqI/AAAAAAAAAMA/W6t3PxDhfJI/s1600/Pata.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 201px;" src="http://3.bp.blogspot.com/--fQHPRnSvX4/Td9Y0rJ_EqI/AAAAAAAAAMA/W6t3PxDhfJI/s320/Pata.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5611301322687976098" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;পাতার দ্বীপের পাতার খবর দুধ সাগরে দুলছে&lt;br /&gt;দোদুল দুলে হাওয়ায় ভেসে জনে জনে তুলছে-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাসলে পাতা মুক্তো ঝরে&lt;br /&gt;কাঁদলে ঝরে পাতা&lt;br /&gt;পাতার দ্বীপের কান্নাগুলো&lt;br /&gt;পাতায় পাতায় গাঁথা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কেন কেন কাঁদবে কেন&lt;br /&gt;দ্বীপের রাণি পাতা!&lt;br /&gt;এমন খবর মিথ্যে খবর&lt;br /&gt;ধ্যত্তেরি ছাই ছাতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মিথ্যেনাগো মিথ্যেনাগো&lt;br /&gt;মিথ্যে নয় এক রত্তি,&lt;br /&gt;পাতারাণি ভীষণ একা&lt;br /&gt;সত্যি খবর সত্যি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-1226803084038693091?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/1226803084038693091/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=1226803084038693091&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1226803084038693091'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1226803084038693091'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/05/blog-post_4959.html' title='পাতায় পাতায় গাঁথা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/--fQHPRnSvX4/Td9Y0rJ_EqI/AAAAAAAAAMA/W6t3PxDhfJI/s72-c/Pata.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-3372137162606857011</id><published>2011-05-27T13:46:00.003+06:00</published><updated>2012-01-27T16:08:23.216+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পাতায় পাতায় পাতা'/><title type='text'>নাম রাখা যাক পাতা</title><content type='html'>&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-muSbUAMJbWg/TyJ3WnIZpnI/AAAAAAAAASo/P9s0g3Dc4ps/s1600/pata-ill.jpg"&gt;&lt;img style="display:block; margin:0px auto 10px; text-align:center;cursor:pointer; cursor:hand;width: 250px; height: 337px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-muSbUAMJbWg/TyJ3WnIZpnI/AAAAAAAAASo/P9s0g3Dc4ps/s400/pata-ill.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5702251308549514866" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;যে মেয়েটি পাতার ঘরে&lt;br /&gt;পাতায় পাতায় ঘুমোয়&lt;br /&gt;চোখের পাতা এক করে যে&lt;br /&gt;চাঁদের চুমোয় চুমোয়&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই মেয়েটির নাম যেন কী?&lt;br /&gt;তেপান্তরের কেউ জানে না&lt;br /&gt;হয়তো বুঝি সেও জানে না&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;নাম ছাড়া সে যায় না ডাকা&lt;br /&gt;যায়না মনের ছবি আঁকা&lt;br /&gt;তাই মেয়েটার নাম রাখা যাক&lt;br /&gt;পাতা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই মেয়েটির ধাম জেনেছি&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;দূর কোথাও অচীনপুরে&lt;br /&gt;যেখানটাতে স্বপ্ন ঘুরে&lt;br /&gt;দুধ সাদা এক সাগর তীরে&lt;br /&gt;পাতার দ্বীপে পাতার ভীড়ে&lt;br /&gt;পাতাই হলো সেই মেয়েটির&lt;br /&gt;ছাতা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-3372137162606857011?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/3372137162606857011/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=3372137162606857011&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3372137162606857011'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3372137162606857011'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/05/blog-post_27.html' title='নাম রাখা যাক পাতা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-muSbUAMJbWg/TyJ3WnIZpnI/AAAAAAAAASo/P9s0g3Dc4ps/s72-c/pata-ill.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-5041485404010480633</id><published>2011-05-20T13:35:00.007+06:00</published><updated>2011-05-20T13:53:56.301+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>রাজধানীর রাজপথে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-FrmEEJIZ7-E/TdYcQQM94bI/AAAAAAAAAL4/hvKcG8-NKDY/s1600/14032008%2528021%2529.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 232px; height: 309px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-FrmEEJIZ7-E/TdYcQQM94bI/AAAAAAAAAL4/hvKcG8-NKDY/s320/14032008%2528021%2529.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5608701451489370546" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলা নেই কওয়া নেই, হুটহাট ক্লিক করে বসলো সাবরিনা সোবহান। আর আমিও বেআক্কেলের মতো বন্দি হয়ে গেলাম রাজধানীর রাজপথে।&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-Lngxa8BwgS4/TdYcHIpwRuI/AAAAAAAAALw/y3_J3qaHRFs/s1600/14032008%2528020%2529.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 240px; height: 320px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-Lngxa8BwgS4/TdYcHIpwRuI/AAAAAAAAALw/y3_J3qaHRFs/s320/14032008%2528020%2529.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5608701294843807458" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-sC_oyjBiR1E/TdYb9VdLjXI/AAAAAAAAALo/08Yl11vXevM/s1600/14032008%2528019%2529.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 240px; height: 320px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-sC_oyjBiR1E/TdYb9VdLjXI/AAAAAAAAALo/08Yl11vXevM/s320/14032008%2528019%2529.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5608701126482038130" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-5041485404010480633?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/5041485404010480633/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=5041485404010480633&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/5041485404010480633'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/5041485404010480633'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/05/blog-post_20.html' title='রাজধানীর রাজপথে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-FrmEEJIZ7-E/TdYcQQM94bI/AAAAAAAAAL4/hvKcG8-NKDY/s72-c/14032008%2528021%2529.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4016214876435767040</id><published>2011-05-14T17:11:00.002+06:00</published><updated>2011-05-14T17:17:27.909+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রম্য'/><title type='text'>বাবলু ভাই জিন্দাবাদ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-Xihh-XXScsk/Tc5knlaeNHI/AAAAAAAAALY/UTGgMGxDjk0/s1600/Bablu%2Bbhai.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 197px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-Xihh-XXScsk/Tc5knlaeNHI/AAAAAAAAALY/UTGgMGxDjk0/s320/Bablu%2Bbhai.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5606529217343665266" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;আমাদের বাবলু ভাই এর বিবাহ (আদৌ যদি হয়)  উপলক্ষে সামান্য উপহার&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4016214876435767040?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4016214876435767040/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4016214876435767040&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4016214876435767040'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4016214876435767040'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/05/blog-post.html' title='বাবলু ভাই জিন্দাবাদ'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-Xihh-XXScsk/Tc5knlaeNHI/AAAAAAAAALY/UTGgMGxDjk0/s72-c/Bablu%2Bbhai.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-7080104131326674270</id><published>2011-04-20T19:55:00.002+06:00</published><updated>2011-04-20T20:05:21.857+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রম্য'/><title type='text'>দুইখানা গাভী লইয়া রাজনৈতিক রঙ্গ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-9PGO1PRoOmg/Ta7oDVz-qDI/AAAAAAAAALI/vigOpCdLiC4/s1600/Gavi.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 106px; height: 320px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-9PGO1PRoOmg/Ta7oDVz-qDI/AAAAAAAAALI/vigOpCdLiC4/s320/Gavi.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5597666530960517170" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;ধরা যাক আপনি দু’টি গাভীর মালিক। এ দু’টি গাভীর পরিণতি কোথায় কেমন হবে তা নিয়েই রাজনৈতিক রঙ্গ &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ডেমোক্রেট&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। নিজের জন্য একটি রেখে অপরটি প্রতিবেশীকে দিয়ে দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সোসাইলিস্ট&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। এর মধ্যে একটিকে সরকার নিয়ে নেবে এবং আপনার প্রতিবেশীকে দিয়ে দেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;আমেরিকান রিপাবলিকান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। আর আপনার প্রতিবেশীর কোন গাভীই নেই। তাতে কী আসে যায়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কমিউনিস্ট&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। সরকার দুটোর মালিকানা নিযে নেবে এবং আপনাকে দুধ সরবরাহ করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফ্যাসিস্ট&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। সরকার দুটোকেই ক্রোক করে আপনার কাছেই দুধ বিক্রি করবে। আর আপনি গোপন আন্দোলনে জড়িয়ে গিয়ে ধ্বংসাত্বক প্রচারণা শুরু করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ডেমোক্রেসি (আমেরিকান স্টাইল)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। একটি গাভীর মালিক এমন ভিনদেশী কারো সাহায্যার্থে সরকার আপনার কাছ থেকে অতিরিক্ত কর আদায় করবে। যার ধকল সইতে না পেরে দুটো গাভীই বিক্রি করতে বাধ্য হবেন। উল্লেখ্য, ভীনদেশীর আগের গাভীটি ছিলো আপনার সরকারেরই উপহার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পুঁজিবাদ (আমেরিকান স্টাইল)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছ্ েএকটি বিক্রি করে একটি ষাঁঢ় কিনেন এবং গরুর পাল তৈরি করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ব্যুরোক্রেসী (আমেরিকান স্টাইল)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। সরকার দুটোকেই নিয়ে নেবে, একটিকে লাথি দেবে, অপরটির দুধ দোহন করবে এবং আপনাকে দুধের দাম পরিশোধ করতে হবে। তারপর সমস্ত দুধ ড্রেনে ফেলে দেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;আমেরিকান করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। একটিকে বিক্রি করে অন্যটিকে চারটি গরুর সমান দুধ দেয়ার মতো ক্ষমতাসম্পন্ন করে তুলুন। আপনি তখনি অবাক হবেন, যখন গাভীটি মারা যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফ্রান্স করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। আরো একটি গাভীর মালিকানার দাবিতে আপনি ধর্মঘটে যান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জাপানিজ করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। এদেরকে এমনভাবে তৈরি করুন, যেন সাধারণ গরুর দশভাগের একভাগ আকার হয়েও  দৈনিক বিশবার দুধ দেয়। তারপর চালাক চতুর গাভীর কার্টুন ইমেজ তৈরি করে বিশ্বের বাজারে ছেড়ে দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;জার্মান করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। এদেরকে এমনভাবে তৈরি করেন, যেন গাভী দুটি ১০০বছর বাঁচে, মাসে একবার খায়, তাও নিজের দুধ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ব্রিটিশ করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। এরা পাগল, এরা মৃত। এখন এদের জন্য কেবল অনুগ্রহ প্রয়োজন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ইতালিয়ান করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। কিন্তু জানেন না এরা এখন কোথায় আছে। এদেরকে খোঁজে বের করার আগে দুপুরের খাবারের বিরতি নিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;রাশিয়ান করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। সত্যিই গাভীর সংখ্যা দুই কিনা তা গুনে দেখুন। প্রথমবার গোনার পর দেখলেন গাভীর সংখ্যা দুইটি নয় পাঁচটি। আবার গুনুন। এবার দেখলেন পাঁচটি থেকে গাভীর সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৪২টিতে। ধৈর্য্য হারাবেন না। আবার চেস্টা চালান। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, এবার সংখ্যাটা কমে এসে দাঁড়িয়েছে ১২টিতে। অবশেষে ধৈর্য্যরে বাঁধ ভেঙ্গে গেল আপনার। গাভী গোনা বন্ধ করে আরেক বোতল ভদকার ছিপি খুলুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সুইস করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি নয় ৫০০০ গাভী রয়েছে। কিন্তু এগুলো আয়ত্ত্বের বাইরে। তাই অন্যদেরকে গাভীগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ব্রাজিলিয়ান করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। আমেরিকান করপোরেশনের সাথে পার্টনারশীপে আসুন। দ্রুত আপনি ১০০০ গাভীর মালিক হয়ে যাবেন এবং একসময় আমেরিকান করপোরেশন কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ভারতীয় করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। দুটোকেই পরম ভক্তিতে পূজা করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চাইনিজ করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার গাভী রয়েছে মাত্র দু’টি, আর দুধ দোহনের জন্য লোক রয়েছে ৩০০ জন। সবাইকে আরো বেশি দুধ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত করুন। এ লোকগুলোর সার্বক্ষণিক নজর রাখতে হবে প্রোডাকশন বৃদ্ধির দিকে। আর এসব নিয়ে যে সাংবাদিক রিপোর্ট করবে, তাকে গ্রেফতার করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ইসরাইলি করপোরেশন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আপনার দু’টি গাভী রয়েছে। গাভী দু’টি আপনার ওপর নির্ভরশীল নয়। এরা নিজেরাই একটি দুধের কারখানা, একটি আইসক্রীম স্টোর খুলে বসলো। তারপর নিজেদের চলচ্চিত্র স্বত্ব বিক্রী করল। আর এদের বাছুরকে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পাঠাল এমফিল করার জন্য।&lt;br /&gt;সেখানে আপনার প্রয়োজন আর কতটুকু?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-7080104131326674270?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/7080104131326674270/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=7080104131326674270&amp;isPopup=true' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/7080104131326674270'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/7080104131326674270'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/04/blog-post_20.html' title='দুইখানা গাভী লইয়া রাজনৈতিক রঙ্গ'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-9PGO1PRoOmg/Ta7oDVz-qDI/AAAAAAAAALI/vigOpCdLiC4/s72-c/Gavi.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-1258015322775877287</id><published>2011-04-02T15:55:00.001+06:00</published><updated>2011-04-02T15:56:34.482+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>রঙ্গব্যঙ্গ পাঁচফোড়ন</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-PIE60h8crKU/TZbywRktS1I/AAAAAAAAALA/EFiLEeupALQ/s1600/181547_1437829044356_1791918035_817090_7344496_n.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 213px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-PIE60h8crKU/TZbywRktS1I/AAAAAAAAALA/EFiLEeupALQ/s320/181547_1437829044356_1791918035_817090_7344496_n.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5590922898592058194" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;আইডিয়াবাজ সম্পাদিত রঙ্গব্যঙ্গ পাঁচফোড়ন এর মোড়ক উন্মোচন।&lt;br /&gt;উন্মোচন করছেন- আনিসুল হক ও আহসান হাবীব। পাশে সোহেল অটল ও তারেক ফিরোজসহ অন্যরা। আর ক্যামেরার আড়ালে আমিতো আছিই।&lt;br /&gt;তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি'২০১১&lt;br /&gt;স্থান- একুশে বইমেলা&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-1258015322775877287?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/1258015322775877287/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=1258015322775877287&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1258015322775877287'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1258015322775877287'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/04/blog-post.html' title='রঙ্গব্যঙ্গ পাঁচফোড়ন'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-PIE60h8crKU/TZbywRktS1I/AAAAAAAAALA/EFiLEeupALQ/s72-c/181547_1437829044356_1791918035_817090_7344496_n.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-8892009834568185754</id><published>2011-03-29T16:34:00.003+06:00</published><updated>2011-03-29T16:36:38.663+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>নিভৃতে জ্বলতে দাও</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-3ipfILGqCAc/TZG14WTCV_I/AAAAAAAAAKs/2vVPpdiaPro/s1600/PhotoFunia-ca158d.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 238px; height: 320px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-3ipfILGqCAc/TZG14WTCV_I/AAAAAAAAAKs/2vVPpdiaPro/s320/PhotoFunia-ca158d.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5589448592206223346" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;শান্তনা দিতে এসোনা,&lt;br /&gt;ভাষা হারিয়ে ফেলতে পারো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন আমি জ্বলছি।&lt;br /&gt;বরং নিভৃতে জ্বলতে দাও।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-8892009834568185754?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/8892009834568185754/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=8892009834568185754&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8892009834568185754'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8892009834568185754'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/03/blog-post_29.html' title='নিভৃতে জ্বলতে দাও'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-3ipfILGqCAc/TZG14WTCV_I/AAAAAAAAAKs/2vVPpdiaPro/s72-c/PhotoFunia-ca158d.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-8249406336473904778</id><published>2011-03-04T14:02:00.001+06:00</published><updated>2011-03-04T14:31:11.983+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রম্য'/><title type='text'>গোঁফ বিভ্রাট</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-kxEFXVWz7sk/TXCjJcscX8I/AAAAAAAAAKY/BsMqUei7eIU/s1600/sha%2B%2Bmuhammad%2Bmoshahid-------------------------------------.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 303px; height: 320px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-kxEFXVWz7sk/TXCjJcscX8I/AAAAAAAAAKY/BsMqUei7eIU/s320/sha%2B%2Bmuhammad%2Bmoshahid-------------------------------------.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5580139321028796354" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;গোফরান সাহেব। কাজ করেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। আপাদমস্তক ভদ্রলোক। অবশ্য তিনি ভদ্র কী অভদ্র সে বিষয়ে আপাতত না গেলেও চলে। কারণ অফিসের সবাই এখন গোফরান সাহেবের গোঁফ নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত। গোঁফ, সে তো যেকোনো পুরুষেরই থাকে। এ নিয়ে আবার ব্যস্ত হওয়ার কী আছে? হ্যাঁ, ব্যাপার একটা আছে বটেÑ&lt;br /&gt;তবে ব্যাপারটাতে ঢোকার আগে গোঁফ বিষয়ে সবার একটা সাধারণ ধারণা থাকা প্রয়োজন। উইকিপিডিয়া বাংলায় গোঁফের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে ‘গোঁফ বা মোচ হলো ওষ্ঠের ওপরে গজানো চুল। সাধারণত কারো গোঁফ আছে বলা হলে মনে করা হয় তার ওষ্ঠের ওপরের অংশটুকুতেই তা সীমাবদ্ধ আছে, কারণ গাল ও থুতনির অন্যান্য অংশে গজানো চুলকে দাড়ি বলা হয়। বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের গোঁফ ওঠা শুরু হয়। নিওলিথিক যুগ থেকেই পাথরের ুর দিয়ে ৗেরি করার চল শুরু হয়, আর এই সুদীর্ঘকালের ব্যবধানে গোঁফের নানারকম ফ্যাশন চালু হয়েছে। যারা গোঁফ রাখে তারা নিয়মিত ছেঁটে ও আঁচডে রীতিমতো এর যতœ করে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দীর্ঘ ও সযতেœ রতি গোঁফের প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। বিশ্ব দাড়ি ও গোঁফ চ্যাম্পিয়নশিপে ছয়টি উপবিভাগে গোঁফের বিভাজন করা হয়। গোঁফের এমন কদর দেখেই হয়তো বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ননসেন্স ছড়াকার সুকুমার রায় বলেছিলেন : ‘গোঁফকে বলে তোমার আমারÑ গোঁফ কি কারো কেনা?/গোঁফের আমি গোঁফের তুমি, তাই দিয়ে যায় চেনা।’&lt;br /&gt;উইকিপিডিয়ার বর্ণনা এতটুকুই। সেখানে গোফরান সাহেবের গোঁফের কথা উল্লেখ না থাকলেও সুকুমার রায়ের কবিতার একটি উদ্ধৃতি রয়েছে।  হেড অফিসের এক বড়বাবু এ কবিতাটির নায়কের ভূমিকায়। আর আমাদের নায়ক গোফরান সাহেব। সুকুমার রায়ের নায়ক আর আমাদের নায়কের মাঝে পার্থক্য এতটুকু যে, বড়বাবুর সামান্য একটু মাথার ব্যামো থাকলেও এমনিতে বেশ শান্ত স্বভাবেরই। আর গোফরান সাহেবের মাথায় কোনো রকমের ব্যামোট্যামো নেই। কিন্তু তাকে কিঞ্চিত অস্থির স্বভাবের বলা চলে। আরো একটি সাঙ্ঘাতিক ধরনের পার্থক্য রয়েছেÑ একদিন কাউকে না বলে, না কয়েই বড়বাবু আন্দাজ করে বসলেন, তার গোঁফজোড়া বুঝি হারানো গেল, ‘ব্যস্ত সবাই এদিক-ওদিক করছে ঘোরাঘুরি.../বাবু হাঁকেন, ওরে আমার গোঁফ গিয়েছে চুরি!/ গোঁফ হারানো! আজব কথা! তাও কি হয় সত্যি?/ গোঁফ জোড়া তো তেমনি আছে, কমেনি এক রত্তি/সবাই তারে বুঝিয়ে বলে, সামনে ধরে আয়না।/ মোটেও গোঁফ হয়নি চুরি, কখনো তা হয় না।’ কিন্তু গোফরান সাহেবের গোঁফ কখনো চুরি গিয়েছিল বলে আজ পর্যন্ত কোনো প্রমাণ মেলেনি। চুরি করা তো দূরের কথা তার ভোলা-ভালা পাতলা গোঁফগুলোতে হাত দেয়ার সাহস পর্যন্ত কেউ রাখে না। পাতলা বলতে একেবারে পাতলা নয়। সামান্য চারা-চারা আর ছাড়া ছাড়া আরকি। উইকিপিডিয়ার সংজ্ঞা অনুযায়ী এগুলোকে নিঃসন্দেহে গোঁফ বলে স্বীকৃতি দেয়া যায়।&lt;br /&gt;এ তো গেলো গোঁফের কথা। কিন্তু তার দাড়ির রকমটা কী? সে বিষয়েও ধারণা নিয়ে নেয়া জরুরি। হ্যাঁ, পাতলা-টাতলা গোঁফের পাশাপাশি হালকা-সালকা কিছু দাড়িও রয়েছে তার। একবার সময় করে বসলে গুণে ফেলা যাবে সবগুলো। গোফরান সাহেব নিজে বেশ কয়েকবার দাড়ি শুমারিতে মনোনিবেশ করেছিলেন। চুলের জুলফি থেকে গালের নরম অংশটুকু পর্যন্ত সফলভাবেই গুণে ফেলতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু থুতনির দিকে এসেই সব গোলমেলে হয়ে গেলো। ‘একবার না পারিলে দেখো শতবার’ এ মন্ত্রের শিক্ষা ছোটবেলায়ই পেয়েছিলেন তিনি। তাই জানার অদম্য বাসনায় শতবার পেরিয়ে হাজারবার পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যেতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। কিন্তু দাড়ি শুমারির কাজটা শেষ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বার বারই থুতনিতে এসে হিসাব লণ্ডভণ্ড। একজন মানুষের ধৈর্য্য বলতেও তো একটা কথা আছে। একদিন ঠুস করেই তার ধৈর্য্যরে বাঁধটা ভেঙে গেল। সব কিছু ভাঙলে যেমন কম্পন তৈরি হয়, তারপর সেই কম্পন শব্দ হয়ে আঘাত করে মানুষের কানে, গোফরান সাহেবের বেলায়ও তেমনটি ঘটল। অর্থাৎ তার অন্তরের অন্তঃস্থলে একটি মারাত্মক ধরনের কম্পন তৈরি হলো। আর সে কম্পনের বহিঃপ্রকাশ ঘটল মুখে-চোখে। এমনকি ঠোঁটেও। তবে এই কম্পন সেই কম্পন নয়। কম্পনের চোটে তার লজ্জারাঙা মুখে মিষ্টি ধরনের ভাব ফুটে উঠল। সেই সাথে ঠোঁটের ফোকর ভেদ করে ‘হিস হিস’ ধরনের হাসির শব্দও বেরিয়ে এলো।&lt;br /&gt;দেখ দেখি কী কাণ্ড! দাড়ি শুমারিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি আবার হাসতে যাবেন কেন? এই কেনর জবাবটা যে কি তার সবটুকু বলা যাবে না। সে এক লম্বা ইতিহাস। তবে এ হাসির গোপন রহস্য সম্পর্কে অল্প-স্বল্প ধারণা দেয়া যেতে পারে মাত্র। সেদিনের সেই ঘটনার কথাটাই ধরা যাকÑ&lt;br /&gt;অফিসের ক্যান্টিনে রোজকার মতো খেতে বসেছিলেন গোফরান সাহেব। হঠাৎই আবিষ্কার করলেন তিনি কোনোভাবেই ডালে চুমুক দিতে পারছেন না। যতবারই চেষ্টা করছেন ততবারই গোঁফজোড়া ভিজে যাচ্ছে। এমন ফ্যাঁসাদে জীবনে পড়েননি। রবীন্দ্রনাথ তাহলে ডাল খেতেন কিভাবে? নাকি ডাল খাওয়ার জন্য গোঁফওয়ালাদের বিশেষ কোনো পদ্ধতি রয়েছে? একজন নতুন গোঁফওয়ালা হিসেবে এসব প্রশ্নের জবাব গোফরান সাহেবের না জানারই কথা। কিন্তু এর আগেও তো তিনি ডালে চুমুক দিয়েছেন, এমন তো কখনো হয়নি! তাহলে কি ধরে নেয়া যায় আগের চেয়ে গোঁফজোড়া আরো বড় হয়ে গেছে? হলেও হতে পারে, কমপক্ষে পনের দিন তো হবেই তিনি ডাল স্পর্শ করেননি। এবার খুশি হয়ে উঠলেন গোফরান সাহেব। যাক বাবা, ছাড়াছাড়া গোঁফগুলো এবার তাহলে বাড়তে শুরু করেছে। ইচ্ছা থাকলেই যে উপায় হয় এটা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।&lt;br /&gt;বিপুল বিক্রমে ডালে চুমুক দিতে লাগলেন তিনি। ফুড়–ৎ-ফাড়–ৎ শব্দে ক্যান্টিন মুখরিত। অনেকটা নিজের ইচ্ছেতেই ঘনঘন গোঁফজোড়া চুবাচ্ছেন। যার গোঁফ আছে সেই তো গোঁফ নিয়ে যেমন খুশি তেমন খেলতে পারে। যার নেই তার পক্ষে তো আর সম্ভব নয়। কাজেই নগদ যা পাও তা উপভোগ করে নাও। ডালে গোঁফ চুবানোতে যে এত আনন্দ এর আগে চিন্তাও করতে পারেননি তিনি। বড্ড মায়া হলো গোঁফহীনদের জন্য। একবার চোখ বুলিয়ে নিলেন ক্যান্টিনজুড়ে। তিনি ছাড়া আর কারো নাকের নিচে কিচ্ছুটি নেই। গোঁফ না রাখলে সে আবার কিসের পুরুষ মানুষ! তা ছাড়া গোঁফ চুবানো ডালের স্বাদ যে বুঝেনি তার জীবনের চৌদ্দ আনাই মিছা। তাও আবার যেনতেন গোঁফ নয়, সার-গোবর দিয়ে বড় করে তোলা গোফরান সাহেবের নিজের গোঁফ!&lt;br /&gt;আহ। কী তৃপ্তিরে বাবা। হাত ধুয়ে পরপর দুইবার ঢেঁকুর তুললেন গোফরান সাহেব। তারপর ক্যাশ কাউন্টারের দিকে এগিয়ে গেলেন বিল পরিশোধ করতে। বিল হলো সর্বমোট তেত্রিশ টাকা। তিনি পকেট থেকে একটি কড়কড়ে পঞ্চাশ টাকার নোট বাড়িয়ে দিলেন ম্যানেজারের দিকে। যথারীতি বিল রেখে একটি দশ টাকা আর একটি পাঁচ টাকার নোট ফেরত দিলো ম্যানেজার। ‘আর দুই টাকা কোথায়?’ এমন ধরনের একটি জিজ্ঞাসা গোফরান সাহেবের চোখেমুখে ফুটে উঠার আগেই ‘ভাঙতি দুই টাকা নেই’ বলে একটি চুইংগাম বাড়িয়ে দিলো ম্যানেজার। হালের দোকানদারদের যা অবস্থা আরকি। অন্য সময় হলে দুই টাকার পরিবর্তে এই জিনিসটা নিতে রাজি হতেন না তিনি। কিন্তু আজ যে বিশেষ দিন। শখের গোঁফজোড়া যে আরো বড় হয়ে উঠছেÑ আজই তো তার প্রমাণ মিলল। তাই একদমই মেজাজ খারাপ করলেন না গোফরান সাহেব। চুপচাপ খোসা ছাড়িয়ে মুখে পুরে দিলেন চুইংগামটি। শিশুদের এ খাবারটিতে যে এত্তো স্বাদ লুকিয়ে রয়েছে, এ বিষয়ে একদম ধারণা ছিল না তার। এত দিন চুইংগাম খায়নি বলে বড় আফসোস হতে লাগল। ছন্দে ছন্দে চুইংগাম চিবাতে লাগলেন তিনি। সেই সাথে লক্ষ করলেন তার গোঁফজোড়াও সমান তালে নেচে যাচ্ছে। একেবারে সোনায় সোহাগা। গোঁফের নাচনে দোলে দোলে নিজের চেয়ারটাতে এসে বসলেন। এবার একটা সুখের ঘুম প্রয়োজন। মাথা কাত করে চেয়ারেই গা এলিয়ে দিলেন গোফরান সাহেব। দুনিয়ার সব আরাম এসে যেন ঘিরে ধরলো তাকে। লেগে গেলো চোখের পাতা। পুরো পৃথিবীটাই যেন শান্ত হয়ে এলো। চুইংগাম চিবাতে চিবাতেই তিনি চলে গেলেন অতীতের অম্লমধুর দিনগুলোতেÑ&lt;br /&gt;আজকের এই গোঁফ একদিনের ফসল নয়। প্রতিটি সফলতার জন্যই প্রয়োজন নিবিড় অধ্যবসায়। গোফরান সাহেবের অধ্যবসায়ের সেই দিনগুলোই বয়ে এনেছে আজকের সাফল্য। তখন কেবল গোফরান সাহেব কৈশোরে পা দিয়েছেন। সমবয়সি অনেকের কাজলকালো গোঁফ ভেসে উঠলেও তার নাকের নিচে গোঁফের কোনো রেখাই দেখা দেয়নি। সেই সুযোগে অনেক বন্ধুরাই নিজেদের বড় ভাই হিসেবে দাবি করে বসলো। সমবয়সি কাউকে ভাই বলে ডাকবে এমন অপমান সহ্য করার মতো লোক গোফরান নয়। কোনো কালেই তার এ অভ্যাস ছিল না। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে করেই হোক নিজেকে বড় বলে প্রমাণ করতে হবে। কিন্তু এর জন্য কি করা যায়? দ্বারস্ত হলেন শুভাকাক্সিক্ষদের। কেউ কেউ একেবারেই নিরাশ করল তাকে। সাফ সাফ জানিয়ে দিলো কোনো দিনই নাকি তার গোঁফ গজাবে না। আবার একান্ত কাছের অনেকেই পরামর্শ দিলো ‘নাকের নিচে রেজার চালিয়ে দেখতে পারিস’। আইডিয়াটা পছন্দ হয়ে গেলো গোফরানের। কিন্তু বাসায় তো কোনো রেজার নেই। দোকান থেকে কিনতে যাওয়াটাও সমীচীন হবে না। বেরসিক দোকানি যদি জিজ্ঞেস করেই বসে ‘রেজার দিয়ে তোমার কি কাজ খোকাবাবু?’ কী আর করা, বাধ্য হয়েই বিকল্প পথ বেছে নিতে হলো। খাপখোলা চকচকে ব্লেড হাতে নিয়ে চুপি চুপি বাথরুমে ঢুকতে হয়েছিল তাকে। তারপর পানিতে মুখ ভিজিয়ে একচোট সাবান মেখে নিয়েছিলেন। ভাবখানা এমন যেনÑ সাবানের ফেনার নিচে অসংখ্য খোঁচা খোঁচা দাড়ি-গোঁফ লুকিয়ে আছে। একেবারে বড়দের মতো আরকি। তারপর কম্পমান হস্তে ব্লেডটা প্রথম চালিয়েছিলেন ঠিক ওষ্ঠ আর নাসিকার মাঝখানেই (ওষ্ঠ ও নাশিকা-উইকিপিডিয়ায় ব্যবহৃত এ দু’টি শব্দের অর্থ দাঁড়ায় যথাক্রমে ঠোঁট ও নাক)। যা হঙয়ার হলোও তাই। ঠোঁট কেটে একাকার। ভাগ্য সহায় ছিল বলে উন্নত নাসিকার কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আধুনিক যুগের ব্লেড ব্যবহার করেও পার পেলেন না গোফরান।&lt;br /&gt;সদ্য কৈশোরপ্রাপ্ত গোফরান যে এমন কাজ করতে পারেন তা কেউ-ই ভাবতে পারেনি। ঘটনাটা প্রথম ফাঁস হয় তার নিজের বাড়িতেই। তারপর বাড়ি থেকে বন্ধু, বন্ধু থেকে স্কুল। এভাবে গড়াতে গড়াতে একেবারে মেয়ে বন্ধুদের কান পর্যন্ত গড়িয়ে যায়। জলের মতো সহজ বিষয়টা ধীরে ধীরে বরফের মতো সাঙ্ঘাতিক হয়ে উঠতে থাকে। অন্যদের হাসি-তামাশা যেমন তেমন, মেয়েদের টিটকিরি একেবারেই সহ্য হওয়ার মতো নয়। কাসে, প্রাইভেটে, রাস্তায় যেখানে খুশি পেলেই হলো, মেয়েরা সমস্বরে উত্যক্ত করা শুরু করলো গোফরানকে। আধুনিক ভাষায় একে সম্ভবত ‘এডাম টিজিং’ হিসেবেই অভিহীত করা যায়। কেবল এডাম টিজিংয়ের শিকার হওয়াই শেষ ছিল না, মুরব্বিদের কেউ কেউ ইচড়ে পাকা বলেও খোঁচাটোচা দিতো তাকে। সেই থেকেই জেদ ধরে বসল। যে করেই হোক নাকের নিচে গোঁফ চাই-ই চাই। প্রয়োজনে রোপণ করে হলেও। এর জন্য উর্বর মাটি দরকার হলে আফ্রিকার জঙ্গলে পর্যন্ত যেতে রাজি আছে। আর একবার যদি গোঁফের বাগান জেগে ওঠে, তবে তো ছেঁটে-আঁচড়ে নিয়মিত যতœ নেবেই। শুধু গোঁফের জন্য একটি আলাদা চিরুনির বাজেটও করে ফেললেন গোফরান। এভাবে যতœ-আত্তি আর পুষ্টি পেয়ে গোঁফজোড়া যখন বড় হয়ে উঠবে, তখন তাবড় তাবড় গোঁফের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। এক সময় বিশ্ব গোঁফ চ্যাম্পিয়নশিপের গৌরব আসবে তার ঘরেই। তখন গিনেস বুকে যদি তার নাম উঠে যায়, এতেও কোনো আপত্তি থাকবে না।&lt;br /&gt;কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়াল একটিমাত্র অপূর্ণতা। আর সেটা হলো চেষ্টা-তদবির করেও গোঁফের দেখা পাচ্ছেন না। কথায় আছে ‘একবার না পারিলে দেখো শতবার’। তাই একবার-দু’বার, তিনবার, চারবার  করে করে শতবার পর্যন্ত দেখলেন তিনি। কিন্তু কোনো ফল হলো না। তার পরও ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলেন না গোফরান। শতবার পেরিয়ে হাজারবার। এভাবে হাজার হাজারবার রেজর চালাতে হলো তাকে। রেজরের আঁচড়ে আঁচড়ে গালের চামড়া ভারি করে তুললেন। অবশেষে দু-একটি গোঁফ অঙ্কুরিত হতে দেখা গেল। অর্থাৎ সফলতা তিনি পেয়েছেন। এই প্রথমবারের মতো তিনি প্রমাণ করলেন যেÑ ইচ্ছা থাকিলেই উপায় হয়।&lt;br /&gt;গোফরানের নাকের নিচে গোঁফ দেখে তো মুখপোড়া বন্ধুদের মুখে স্কচটেপ লেগে যাওয়ার অবস্থা। যারা বলেছিল, ‘গোফরানের কখনো গোঁফ গজাবে না’ তাদের দেখিয়ে দেখিয়ে বেড়াতে লাগলেন তিনি। এরপর থেকেই সবকিছুর কেমন জানি আমূল পরিবর্তন হতে থাকল। যেই বাবার কাছে দশ টাকা চাইলে হাজারটি প্রশ্ন করে জর্জরিত করেন, সেই বাবাই তাকে রেজর কেনার জন্য পুরো ষাট টাকা দিয়ে দিলেন!&lt;br /&gt;সেই থেকে তার গোঁফের যতœ-আত্তিতে মনোযোগ আরো বেড়ে গেল। আরো বেড়ে গেল আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর শঙ্কার দোলা। শঙ্কাটা তখন হয়েছিল দাড়ি নিয়ে। গোঁফের দেখা মিললেও দাড়ির কোনো চিহ্নও ছিল না গোফরানের গালে। আবার সেই দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা। অর্থাৎ সার-গোবর, পানি-জল দিয়ে নিড়ানি পদ্ধতি অবলম্বন এবং অবশেষে সফল। এভাবেই চলছিল গোফরানের সংগ্রাম।&lt;br /&gt;একদিন গোফরান বড় হলেন। একটি ভালো চাকরি পেলেন। সেই সাথে পেলেন মুষ্টিমেয় কিছু দাড়ি। এই গোফরান আর সেই গোফরান রইলেন না। তার ওষ্ঠ এবং নাসিকার মধ্যবর্তী স্থানে এখন ছাড়া ছাড়া গোঁফ। আর নিজে বেশ কয়েকবার শুমারি করে ব্যর্থ হয়ে নিশ্চিত হলেন যতেœ লালিত থুতনির দাড়িগুলো এখন শুমারিসীমা অতিক্রম করেছে। বিশেষ করে আজকের ডাল অনুভূতির কথা তো বলারই অপেক্ষা রাখে না। আহ্ বড়ই তৃপ্তির অনুভূতি। অম্লমধুর স্মৃতি রোমন্থন করতে করতেই আরো একটি মিষ্টি হাসি দিলেন তিনি।&lt;br /&gt;কি অদ্ভুতুড়ে কাণ্ড! গোফরান সাহেব সামান্য একটি হাসি দিয়েছেন মাত্র, তাও নিঃশব্দে। কিন্তু তার কানে এসে প্রবেশ করল অসংখ্য হাসির কলরোল। পুকুরের মাঝখানে ঢিল ছুড়লে একটি ঢেউ থেকে যেমন  পুকুরজুড়ে অসংখ্য ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়, ঘটনাটা ঠিক তেমনি ঘটল। ভূতটুত ভর করেনি তো তার ওপর? আধোঘুমে ডুবে থেকেই নিজের গায়ে চিমটি কাটলেন। পরক্ষণেই ককিয়ে উঠলেন ব্যথায় । সবকিছুই দেখি ঠিকঠাক আছে। অস্বাভাবিক কিছুই ঘটেনি। হয়তো সেটা মনের ভুল হতে পারে। আসলে হাসিটাসির কোনো শব্দই হয়নি। এবার নিশ্চিন্ত হতে যাচ্ছিলেন তিনি। পরপরই ভাবলেন পরীক্ষামূলকভাবে আরো একটি হাসি দিয়ে দেখা দরকার। যেই ভাবা সেই কাজ, ঠোঁট দুটোকে দুই দিকে ছড়িয়ে দিয়ে দাঁতগুলো বিকশিত করলেন। ওম্মা! এবার দেখি হাসির চোটে কানে তালা লেগে যাওয়ার অবস্থা হলো। তালা প্রায় লেগেই গিয়েছিলো, যদি তৎক্ষনাৎ চোখ না খুলতেন তিনি-&lt;br /&gt;ততক্ষণে গোফরান সাহেবকে ঘিরে অসংখ্য মানুষের জটলা তৈরি হয়েছে। কেউ হু-হু-হু করে হাসছে, কেউ হাহ্ হাহ্ করে। আবার কারো পেটে খিল ধরে মরণাপন্ন অবস্থা। গোফরান সাহেব ঘটনার আদ্যোপান্ত ঠাহর করতে পারছেন না। এ দিকে বেরসিকের দল তাকে ঘিরে হেসেই চলেছে। কিছু বুঝে উঠতে না পেরে তিনি মোটামুটি ধরনের নিশ্চিত হয়েই গেছেন সুকুমার রায়ের বড়বাবুর মতো তার গোঁফজোড়াও বুঝি চুরি গেল। আচমকা চেঁচিয়ে উঠলেনÑ ওরে আমার গোঁফ গিয়েছে চুরি।&lt;br /&gt; চুরি হবে কেনো, ডাকাতি। তারই এক সহকর্মী পরিস্থিতি সম্পর্কে সামান্য ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করলেন।&lt;br /&gt; একি অনাসৃষ্টি! দিনদুপুরে ডাকাতি!&lt;br /&gt;গোফরান সাহেবের গোঁফজোড়া বুঝি এবার খোয়াতে হবে। টিটকিরি করলেন ভিড়ের মধ্য থেকেই আরেকজন।&lt;br /&gt;এতবড় স্পর্ধা! ডাকাতির হুমকি! উত্তেজিত বাতচিত শুরু করলেন গোফরান সাহেব। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন এক হাত দেখে নেয়ার উদ্দেশ্যে।&lt;br /&gt;অভ্যাগতদের মাঝে এতক্ষণ যারা মূল ঘটনাটি দেখতে পাচ্ছিলেন না, এবার তারাও স্পষ্ট করে দেখার সুযোগ পেলেন। রাগে গজগজ করতে থাকা গোফরান সাহেবের ডালমাখা গোঁফজোড়ায় লেপ্টে আছে চুইংগাম। বড়ই আঠাল পদার্থ এটি। একবার গোঁফে লেপ্টে গেলে শেভ না করে উপায় থাকে না। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অফিসজুড়ে লেগে গেল মহা হট্টগোল।&lt;br /&gt;এখন প্রশ্ন হচ্ছে গোফরান সাহেবের মুখের চুইংগাম গোঁফে লাগল কিভাবে?&lt;br /&gt;কে জানে কিভাবে।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-8249406336473904778?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/8249406336473904778/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=8249406336473904778&amp;isPopup=true' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8249406336473904778'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8249406336473904778'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/03/blog-post.html' title='গোঁফ বিভ্রাট'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-kxEFXVWz7sk/TXCjJcscX8I/AAAAAAAAAKY/BsMqUei7eIU/s72-c/sha%2B%2Bmuhammad%2Bmoshahid-------------------------------------.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-6045594755367431504</id><published>2011-02-14T21:11:00.001+06:00</published><updated>2011-02-14T21:14:41.604+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>ম্যালা ভালোবাসা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/-3fyh-2fQx6Q/TVlGelJDk8I/AAAAAAAAAKQ/JX7gfr9pMeE/s1600/Cartoon.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 278px;" src="http://1.bp.blogspot.com/-3fyh-2fQx6Q/TVlGelJDk8I/AAAAAAAAAKQ/JX7gfr9pMeE/s320/Cartoon.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5573563505027814338" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;কার্টুন: জাহিদ হাসান বেনু&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-6045594755367431504?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/6045594755367431504/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=6045594755367431504&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6045594755367431504'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6045594755367431504'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/02/blog-post.html' title='ম্যালা ভালোবাসা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-3fyh-2fQx6Q/TVlGelJDk8I/AAAAAAAAAKQ/JX7gfr9pMeE/s72-c/Cartoon.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4355135952718664048</id><published>2011-01-07T12:23:00.002+06:00</published><updated>2011-01-07T12:43:17.456+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>ঠান্ডা লড়াই</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TSa18P83XMI/AAAAAAAAAKE/WgePENuMAyo/s1600/Tanda-1.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 245px; height: 320px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TSa18P83XMI/AAAAAAAAAKE/WgePENuMAyo/s320/Tanda-1.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5559330836714052802" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমাকে আর সোহেল অটলকে একসাথে নয়া দিগন্তে দুটি সাপ্তাহিক প্রকাশনা অবকাশ ও থেরাপির দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে থেরাপি সম্পাদক নানাভাবে চেস্টা করেছেন অবকাশকে পেছনে ফেলতে। এর জন্য ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্রেও মেতেছেন তিনি। এমনকি অবকাশের কয়েকটি সংখ্যা বন্ধ করে দেয়ার পায়তারা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন। আমার মতো সোজাসাপটা মানুষের বিরুদ্ধে অটলের এই ষড়যন্ত্রকে আমিও সহজভাবে নিতে পারিনি।&lt;br /&gt;তারপর লেগে যায় তুমুল লড়াই। সে এক ভয়ঙ্কর ঠান্ডা লড়াই।&lt;br /&gt;আর সে লড়াইয়ের দৃশ্যই চিত্রিত করেছেন শিল্পী হামিদুল ইসলাম।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4355135952718664048?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4355135952718664048/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4355135952718664048&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4355135952718664048'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4355135952718664048'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2011/01/blog-post.html' title='ঠান্ডা লড়াই'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TSa18P83XMI/AAAAAAAAAKE/WgePENuMAyo/s72-c/Tanda-1.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4486426485170985073</id><published>2010-12-05T17:17:00.002+06:00</published><updated>2010-12-05T17:19:42.412+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফিচার'/><title type='text'>প্রকৃতিপাগল ওরা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TPt1IK-KKhI/AAAAAAAAAJ0/QOVUSq4mHzg/s1600/INTERVIEW%2BWITH%2BNDNSC%2BMEMBERS.JPG"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TPt1IK-KKhI/AAAAAAAAAJ0/QOVUSq4mHzg/s320/INTERVIEW%2BWITH%2BNDNSC%2BMEMBERS.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5547156149281368594" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt; &lt;span style="font-style: italic; font-weight: bold;"&gt;শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;গাছের নাম ‘পান্থপাদপ’। এর আগে দেখেছি অনেক, নাম জানা ছিল না। এমন অদ্ভুত নাম শেখর রায়ের মুখেই শুনলাম প্রথম। ভাবলাম তিনি ছাড়া বাকি সবার বুঝি আমার মতোই দশা। একবার দৃষ্টি ঘোরালাম নটর ডেম কলেজের ছাত্রদের দিকে। হতাশ হতে হলো। ২০ থেকে ২৫ জোড়া উজ্জ্বল চোখই বলে দিচ্ছে যে ওরা মোটেও এ ব্যাপারে অজ্ঞ নয়। আর অন্তর্ভেদী এ চোখগুলোর কাছেই ধরা পড়তে হলো আমাকে। অর্থাৎ হেলাফেলার পাত্র হয়ে গেলাম আর কি। ওরা যেন বলছে ‘এখনো এটাও জান না? এসব তো আমাদের কাছে পানির মতো সোজা।’&lt;br /&gt;হ্যাঁ গাছ, পাখি, ফুলসহ প্রকৃতির সব ব্যাপার-স্যাপার ওদের কাছে পানির মতোই। কারণ ওরা নটর ডেম নেচার স্টাডি কাবের সদস্য। ওরা প্রকৃতিপাগল। প্রকৃতিকে জানতে বুঝতে ফিল্ড ট্রিপে বেরিয়েছে (২৬ নভেম্বর ২০১০) নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নটর ডেমের আঙিনায়। ঘুরে ঘুরে দেখছে এ গাছ ও গাছ। আর ওদেরকে এটা-ওটা বুঝিয়ে দিচ্ছেন কাবের আজীবন সদস্য শেখর রায়। আমার কৌতূহল মেটানোর জন্যই পান্থপাদপ সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ একটি বক্তৃতা দিতে হলো তাকেÑ এর ইংরেজি নাম ঞৎধাবষষবৎ’ং। বাংলা ‘পান্থ’ শব্দটির অর্থ হলো পথিক। আর ‘পাদপ’ হলো গাছ। অর্থাৎ ইংরেজি  ও বাংলা উভয় ভাষাতেই ‘পান্থপাদপ’ অর্থ দাঁড়ায় পথিকের জন্য গাছ। কৌতূহল বেড়ে গেল আরো। গাছটি কি কেবল পথিকের জন্যই? তাহলে এটি নটর ডেম আঙিনায় কেন? আরামবাগ মোড়ে রোপণ করলেই হতো, প্রতিদিন অসংখ্য পথিক যাওয়া-আসা করে এ পথ ধরে। জটিলতা ভেঙে দিলো কাবের ইন্টারমিডিয়েট পড়–য়া সদস্যরাই। গাছটির পাতা দেখতে কলাপাতার মতো। কিন্তু কান্ডের ভেতরটা ফাঁপা, যেখানে পানি জমে থাকে। আগেকার দিনে এ পানিতে তিয়াস মেটাতো অনেক পথিক। কেবল আগেকার দিনেই কেন, এখনো এর কান্ডে তিয়াস মেটানোর মতো পানি পাওয়া যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে একটি সমস্যা আছে। জলবায়ুর উষ্ণতা আর বনাঞ্চল ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কারণে বিশ্বের পরিবেশ এখন ভীষণভাবে বিপন্ন। এখন পৃথিবীতে গাছের বড়ই প্রয়োজন। আর যেখানে গাছের প্রয়োজন সেখানে কেবল তিয়াস মেটানোর জন্য গাছটিকে কেটে ফেলবেন, এমনটি হওয়ার নয়। আর আপনি চাইলেও কাটতে দেবে না প্রকৃতিপ্রেমিকরা। ভাবতে পারেন এ গাছটি না হয় কাটতে মানা, অন্য কোথাও কি এমন গাছ পাওয়া যাবে না? হ্যাঁ, পাওয়া যাবে বটে, তবে সহজে নয়। কারণ এটি বিরল প্রজাতির। বাংলাদেশে নটর ডেম কলেজেই গাছটি প্রথম লাগানো হয় এবং এ ব্যাপারে নটর ডেম ছিল পাইওনিয়র। অনেক মানুষ গাছটিকে দেখতে নটর ডেম কলেজে আসেন।&lt;br /&gt;পান্থপাদপের পর প্রকৃতিপাগল ওরা যে গাছের সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলো, তাতে আমার পিলে চমকে যাওয়ার অবস্থা। শুনেছিলাম পৃথিবীতে সে গাছ একটিই মাত্র আছে। আর সেটি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। তাহলে নটরডেমে এলো কিভাবে?&lt;br /&gt;বলছি সে কাহিনীইÑ গাছটির নাম ‘তালিপাম’। এর বৈশিষ্ট্য হলো একবার ফল দিয়ে মারা যায়। দেখতে একেবারেই সাধারণ তাল গাছের মতো, কেউ বলে না দিলে বোঝা প্রায় অসম্ভব যে, এটি তাল গাছ নয়। তাই একে ‘বন্যতাল’ বলেও ডাকা হয়। এ গাছ ফল দেয়ার পর সর্বোচ্চ এক বছর বাঁচে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছটিতে গত বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ফল পাকা শেষ হয়েছে। ফলে ধারণা করা হয় কিছু দিনের মধ্যেই গাছটি মারা যাবে। তাই এ গাছটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য উদ্যোগী হয় রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস্ লিমিটেড। এরা বীজ থেকে নতুন চারা উৎপাদনের প্রচেষ্টা চালায় এবং সফল হয়। গত ১ বৈশাখ, ১৪১৭ সালে এর অঙ্কুরোদগম ঘটে। বীজ থেকে চারা বের হতে দেড় থেকে আড়াই মাস সময় লাগে। এ পর্যন্ত প্রায় দু’হাজার চারা তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে রোপণ করে। আর এরই একটি হলো নটর ডেম আঙিনার ‘তালিপাম’।&lt;br /&gt;প্রকৃতিপাগলদের সাথে প্রকৃতিকথন চলছিলো বেশ। হঠাৎ না বলে না কয়ে আমাদের দলে এসে ভিড়লেন নটর ডেম কলেজের অধ্যক্ষ ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা। সম্ভবত পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন কোথাও। প্রিয় ছাত্রদের দেখে খোঁজ নিতে দাঁড়িয়ে গেলেন। উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন কাবের। উপদেশ দিলেন ছাত্রদের। তারপর আরো কথা-বার্তা  হলো। বিদায় নিলেন তিনি এবং আলোচনা মোড় নিলো গাছ থেকে পাখিতে। বিপুল উৎসাহে ছাত্ররা দেখালো পাখিদের জন্য তাদের উদ্যোগ। আঙিনার গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে কৃত্রিম পাখির বাসা। এগুলো টানিয়েছে ওরাই। মাঝে মাঝে পাখিরা উড়ে এসে বসে, ডিম দেয়, বাচ্চা ফুটায়।&lt;br /&gt;প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করার জন্য ওদের চেষ্টার শেষ নেই। ওরা প্রকৃতিকে সময় দেয় তিনটি আঙ্গিক থেকেÑ ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও কাবের মাধ্যমে। রাকিব হাসান খান আবির। বর্তমানে নেচার স্টাডি কাবে ওর সদস্য নং ১১হ১২। নটর ডেম কলেজে ভর্তির ফরম তুলতে এসে কাবের একটি ক্যাটালগ হাতে পায় সে। আর এ ক্যাটালগের মাধ্যমেই কাবের সাথে ওর পরিচয়। সেই থেকেই শুরু। তারপর নটর ডেম কলেজে ভর্তি এবং নেচার কাবের সদস্য হওয়া। এ কাব তাকে শিখিয়েছে- প্রকৃতিকে ভালোবাসতে হবে, প্রকৃতিকে শিখতে হবে, জানতে হবে। অযথা সময় নষ্ট করা যাবে না। পড়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। যখন ভালো লাগবে পড়বে, যখন ভালো লাগবে না পড়বে না। ইত্যাদি ইত্যাদি।&lt;br /&gt;এক ঝাঁক প্রকৃতিপ্রেমীর সাথে আড্ডা জমে গেল আরো। খোলা আঙিনায় গাছের কোমল ছায়ায় দাঁড়িয়ে আমরা। বলছি-শুনছি, জানছি-জানাচ্ছি। কখনো বা উদ্বেগ প্রকাশ করছি সেসব কিশোরদের জন্য, যারা এই বয়সেই জড়িয়ে যায় নানা অপরাধে। হাতের সময়টুকু ব্যয় করে অনর্থক কাজে। কেউ কেউ বখাটেপনা আর মাদকাসক্ত হয়ে প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই শেষ করে দিচ্ছে নিজেকে। অথচ এ আড্ডার সবাই কিশোর। তাদের মাঝে এমন কেউ নেই যার হাতে অনর্থক কাজ করার মতো সময় রয়েছে।&lt;br /&gt;উদ্যমী এ কিশোরদের একজন আবদুর রহিম। থাকে বাসাবোতে। নেচার স্টাডি কাবে সদস্য নং ১২হ৪০। সকাল সাড়ে ৫টায় সে বিছানা ছেড়ে ওঠে। প্রাতঃকাজ সারার পর প্রথম যে দায়িত্বটির কথা তার মাথায় আসে তা হলোÑ সে একজন মুসলমান। আর তাই তাকে ফজরের নামাজ পড়তে হবে। নামাজ শেষে পত্রিকা পড়া, নাশতা করা ইত্যাদি কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে ঠিক ৭টার মধ্যে বেরিয়ে যায় স্কুলের উদ্দেশে। পৌঁছে সাড়ে ৭টায় এবং কাস শুরু ৮টা থেকে। আর শেষ হয় পৌনে ১টায় এবং বাসায় যেতে আধাঘণ্টা। দুপুরের খাওয়া সেরে বাবার জন্য ভাত নিয়ে যেতে হয় সবুজবাগ থানার পাশে। ফিরতে ফিরতে সাড়ে ৩টা বেজে যায়। কোনো কোনো দিন প্রাইভেট পড়তে যায়। আর যেদিন প্রাইভেট থাকে না সেদিন বিকেলে এবং ছুটির দিনে সে বেরিয়ে যায় প্রকৃতির কাছে দেয়া ওয়াদা রক্ষা করতে। প্রকৃতি যেন দূষিত না হয় সে জন্য কাজ করে। পরিবারের সদস্যদের সচেতন করে। সচেতন করে প্রতিবেশীদের। এই তো সেদিন স্কুলে আসার সময় দেখতে পেল, জবাই করা পশুর বর্জ্য পরে আছে রাস্তার মাঝখানে। নেচার কাবের সদস্য হিসেবে পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কাজ দেখেও না দেখার ভান করে চলে আসতে পারেনি রহিম। একটু সময় দিয়ে নিজেই চলার পথ থেকে সরিয়ে রেখেছে বর্জ্য। তারপর স্থানীয়দের বলে এসেছে যেন মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়।&lt;br /&gt;রহিমের দৈনন্দিন কাজের মাঝে মগ্ন থেকেই আমরা পা বাড়ালাম ৩১২ নম্বর কক্ষের দিকে, যেখানে একটু পরই গঠন হবে নতুন বছরের জন্য কাবের নতুন কমিটি। সদস্যরা কক্ষে প্রবেশ করল। আর শেখর রায় আমাকে নিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন নটর ডেম কলেজের সাবেক ছাত্র এবং কাবের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ড. আশরাফুজ্জামন চৌধুরীর মুখোমুখি। বর্তমানে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্টের সহকারী অধ্যাপক। তার পাহাড়সম স্বপ্ন নতুন প্রজন্মকে নিয়ে। নেচার স্টাডি কাবের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে প্রকৃতি সংরক্ষণের চেতনা ছড়িয়ে দেয়ার সুযোগ রয়েছে বলেই তিনি এর সাথে রয়েছেন। ড. চৌধুরী বলেন, এখানকার ছেলেপেলেদের মাঝে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার যে বীজ প্রবেশ করানো হয়, তা ধীরে ধীরে অঙ্কুরিত হয়। তারপর এ ভালোবাসার  বৃক্ষ গজিয়ে উঠতে থাকে স্ব স্ব পরিবেশে। এরই প্রমাণ বর্তমানে এর সদস্যরা প্রকৃতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন দেশ-বিদেশে। এমনই একজন সদস্যের উদাহরণ টানলেন তিনি। নটর ডেম কলেজের সাবেক ছাত্র কাউসার মোস্তফা। সম্প্রতি নিতান্ত শখের বসেই থাইল্যান্ডের একটি বাঘের খাঁচায় ঢুকেছিলেন তিনি। কী সাঙ্ঘাতিক কাণ্ড! বাঘ তো বাঘের মতোই ভয়ঙ্কর, মানুষকে কাছে পেলে ছেড়ে কথা বলার প্রাণী নয়। এ কারণেই যুক্তরাজ্যের চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কাছে মুচলেকা দিয়ে ঢুকতে হয়েছিল তাকে। অর্থাৎ খাঁচার বাঘ তার ঘাড় মটকে দিলেও কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। কিন্তু সবাইকে আশ্চর্য করে দিয়ে কাউসার মোস্তফা ঠিক ঠিকই খাঁচায় ঢোকেন এবং অক্ষতভাবে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। শুধু কি তাই, ডোরাকাটা শরীরে হাত বুলিযে হিংস্র বাঘকে বশ করেছিলেন তিনি। কাউসারকে দেখে হালুম করা তো দূরের কথা টু শব্দটিও করেনি। বরং জড়াজড়ি করে নিশ্চিন্তে শুয়ে থাকতে দিয়েছিল তাকে। যেন প্রকৃতিপ্রেমিক হিসেবে কাউসার মোস্তফাকে যথার্থই চিনতে পেরেছিল সে।&lt;br /&gt;আশরাফুজ্জামান চৌধুরীর সাথে কথা বলতে বলতেই ব্যস্তপদে এসে হাজির হলেন কাবের প্রতিষ্ঠাতা মিজানুর রহমান ভূঁইয়া। পরনে পাঞ্জাবি-পাজামা। পায়ে পুরো সোলের স্যান্ডেল। মুখে কাঁচাপাকা দাড়ি। চোখে চশমা। মাথায় শুভ্র টুপি। আর নিশ্চিত করে বলে দেয়া যায় যে, তার ভেতরটাও ভীষণ শুভ্র। একদম কাশফুলের মতো। কারণ শুভ্র হৃদয় না থাকলে প্রকৃতিকে ভালোবাসা যায় না। এই মিজানুর রহমান ভূঁইয়াই কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতি সংরক্ষণের চেতনা ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৮৪ সালে কাব গঠনের উদ্যোগ নেন। তিনি স্বপ্ন দেখেন সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব একটি পৃথিবীর। জলবায়ুগত উষ্ণায়ন, বনাঞ্চল ধ্বংস, বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতির বিলুপ্তি পরিবেশকে বিপন্ন করে তুলছে। রাসায়নিক ও কীটনাশকের অপরিকল্পিত ব্যবহার, পারমাণবিক অস্ত্রের অনৈতিক ব্যবহার, নদী ও সমুদ্রগর্ভে বর্জ্য নিক্ষেপ প্রতিনিয়ত ভাবায় তাকে। তাই এসবের বিপরীতে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কাজ করছেন নিভৃতে। পরিবেশের জন্য ঘাম ঝরাতে কোনো পিছুটান নেই তার। তবে এতসব উদ্যমের মাঝেও রয়েছে কিছু সীমাবদ্ধতা। এককালীন নামেমাত্র অঙ্কের রেজিস্ট্রেশন ফি ছাড়া আর কোনো টাকা তারা সদস্যদের কাছ থেকে নেন না। তাই কাবের কোনো আয়ও নেই। এর সদস্যরা গাঁটের পয়সা খরচ করে স্বেচ্ছাশ্রম দেন। অর্থনৈতিক এ সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের অনেক উদ্যোগই মুখ থুবড়ে পরে। তবে তিনি জানান, ‘মাঝে মাঝে বিভিন্ন দেশী-বিদেশী সংস্থা আমাদের অর্থ দিতে চায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সমস্যা হলো, ওরা নির্দিষ্ট ছক বেঁধে দেয়। আর সে ছক অনুযায়ী কাজ করতে গেলে আমরা আমাদের মৌলিকত্ব থেকে বিচ্যুত হবো।’ সে কারণে অনাড়ম্বরভাবেই কাজ করছেন তারা। খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি বাজানোর পক্ষপাতী তিনি নন । অনেকেই প্রকৃতির জন্য কাজ করতে গিয়ে উল্টো প্রকৃতির ক্ষতি করে বসেন। তারা যতটুকু কাজ করেন তার চেয়ে বেশি ঢোল-পেটরা পেটান, এই মেলা সেই মেলার আয়োজন করে জনসমাগম ঘটাতে বেশি পছন্দ করেন। এতে করে প্রাণীদের অভয়াশ্রম বিনষ্ট হয়। এতটুকু বলে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন শুভ্র হৃদয়ের এই মানুষটি। তারপর উদাস দৃষ্টি ফেললেন নটর ডেম আঙিনায়।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4486426485170985073?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4486426485170985073/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4486426485170985073&amp;isPopup=true' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4486426485170985073'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4486426485170985073'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/12/blog-post.html' title='প্রকৃতিপাগল ওরা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TPt1IK-KKhI/AAAAAAAAAJ0/QOVUSq4mHzg/s72-c/INTERVIEW%2BWITH%2BNDNSC%2BMEMBERS.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-1496454136578399296</id><published>2010-11-29T15:09:00.001+06:00</published><updated>2010-11-29T15:11:41.244+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফিচার'/><title type='text'>পাখিরা আত্মহত্যা করে যেখানে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TPNuJu4R3jI/AAAAAAAAAJs/oGEi1ceE01E/s1600/01.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 185px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TPNuJu4R3jI/AAAAAAAAAJs/oGEi1ceE01E/s320/01.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5544896679705173554" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold; font-style: italic;"&gt;শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;নিকষ অন্ধকার। টিপটিপে বৃষ্টি। সেই সাথে গাঢ় কুয়াশা। আর মৃদু বাতাসের প্রবাহ শুরু হলেই ঘটতে থাকে ঘটনাটা। অর্থাৎ সন্ধ্যা ৭ টা থেকেই পাখিগুলো ব্যস্ত হয়ে যায় আগুনে ঝাপ দিতে। উদ্দেশ্য আত্মহত্যা!&lt;br /&gt;হ্যা, পাখিরা আগুনে ঝাপিয়ে আত্মহত্যা করে জাটিঙ্গা গ্রামে। আর গ্রামের নামেই নাম এ পাখিদের ‘জাটিঙ্গা’। ভারতের আসাম রাজ্যের গৌহাটি থেকে ৩৩ কিলোমিটার দূরে উত্তর কাছাড় জেলার একটি গ্রাম এটি, হাফলং থেকে ৯ কি.মি. দক্ষিনে। প্রাকৃতিক অপার সৌন্দর্য আর পাখি রহস্যের কারণেই আসামের এ গ্রাম সারা বিশ্বে পরিচিত। এখানে মৌসুমী মাসগুলোর শেষের দিকে শুরু হয় পাখিদের আত্মহত্যার হিড়িক। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।&lt;br /&gt;অমাবস্যার রাত, টিপটিপে বৃষ্টি, গাঢ় কুয়াশা আর বাতাসের প্রবাহ এ কয়টির সমন্বয় ঘটলেই আলোর উৎসের দিকে ছুটে যাওয়া এদের অভ্যাস। জাটিঙ্গার লোকজনের এতে বেশ সুবিধাই হয়েছে। তাদের মাংসের প্রয়োজন হলে রাতে আগুন জ্বেলে বসে। ব্যস, পাখিগুলো ডানা ঝাপটিয়ে আসতে থাকে আত্মাহুতি দিতে। আলোর উৎসের ঠিক উপরে এসে পাখা আর পা ছেড়ে দিয়ে ধপ করে মাটিতে পড়ে যায় যেন ‘কান্ত প্রাণ এক’। মায়াবি চোখের এ পাখিগুলোকে তখন দেখে মনে হতে পারে অর্ধমৃত। জীবণের প্রতি বুঝি ভীষণ বিরক্ত। আর তাই এ জীবণ এরা রাখতে চায়না। আকাশ থেকে লুটিয়ে পড়ার সময় সব পাখিই যে আগুনের উপর পড়ে এমন নয়। বরং কিছু ইতস্তত ছড়িয়ে যায় আগুনের পাশে। কিন্তু এরা বেঁচে থাকলেও মরার মতো পড়ে থাকে এবং সহজেই ধরা দেয়। পাখি শিকারের জন্য এর চেয়ে সহজ উপায় আর কি হতে পারে গ্রামবাসিদের কাছে? অনেক সময় আলোর দিকে উড়ে আসতে থাকা পাখিদের বাঁশের লাঠি কিংবা গুলতি দিয়েও সহজে শিকার করে স্থানীয় লোকজন।&lt;br /&gt;এসব পাখিদের কি কোন দুঃখ তাড়া করে? নয়তো কেন তারা আত্মহত্যা করতে আসে? এর জবাব কারো কাছে নেই। বহু বছর ধরে এমনটাই চলে আসছে। হৃদয়ে দুঃখ থাক আর নাই থাক এদের চোখে সব সময় বুনো ভাব আর দুঃখের ছায়া দেখা যায়। জাটিঙ্গা পাখি কখনো পোষ মেনেছে বলে কারো জানা নেই। আর পাখিবিষারদ ও গবেষকরা হলফ করে বলেছেন, পাখিরা কখনো মানসিক রোগে ভোগে না। তাহলে কেন আগুন ও আলোর প্রতি এদের অমোঘ টান?&lt;br /&gt;এ রহস্যের জট আজ পর্যন্ত কেউ খুলতে পারেনি। এটাকে কেউ বলে আত্মহত্যা, কেউ বলে ভুতুড়ে ব্যাপার। কেননা জাটিঙ্গার পাশেই হাফলং। সেখানে এই পাখি কখনো যায় না অথচ জাটিংগা আর হাফলংয়ের আকাশের দূরত্ব মাত্র ৩ কিলোমিটার। স্থানীয় ‘জাইনতিয়া’ জনগোষ্ঠীর ধারণা, এমন ঘটনার পেছনে অশুভ আত্মার ভ’মিকা রয়েছে।&lt;br /&gt;অনেক গবেষকরাই আপ্রাণ চেস্টা করেছেন জাটিঙ্গা পাখিরহস্যের কিনারা করতে। কিন্তু পারেন নি। তবে অধিকাংশের বিশ্বাস বৈরি আবহাওয়াই এর প্রধান কারণ। চাঁদহীন কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে টিপটিপে বৃষ্টির সাথে বাতাসের প্রবাহ প্রকৃতিতে একটি গোলমেলে অবস্থা তৈরি করে। যে কারণে পাখিরা আর স্বাভাবিক থাকতে পারে না, বাধ্য হয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। কিন্তু কি কারণে আলোর উৎস এদেরকে আকর্ষণ করে? এর কোন সদুত্তর না থাকলেও পাখিদের নিষ্ক্রিয় হওয়ার ব্যাপারে আরেকটি ধারণা রয়েছে, আলোর আকর্ষণে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে এরা ছুটতে থাকে উৎস লক্ষ্য করে। পথে গাছগাছালিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। আর আহত অবস্থায় উৎসে এসেই নিঃশ্বেস হয়ে যায় শরীরের শক্তি। তবে এ ধারণার পেছনে কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ মেলেনি। তাছাড়া মাটিতে লুটিয়ে পড়া পাখিদের গায়ে কোন আঘাতের চিহ্নও পাওয়া যায়নি।&lt;br /&gt;পাখি বিশারদ ড. এস সেনগুপ্ত, এ. রউফ এবং সলিম আলির গবেষণায় ৪৪ প্রজাতির পাখির আলোক উৎসের প্রতি আকর্ষণ রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়। কিন্তু দেখা গেছে, জাটিঙ্গা গ্রামের দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও দুইশ’ মিটার প্রস্তের নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া অন্যান্য এলাকায় আলোর প্রতি তাদের আকর্ষণ নেই। আবার আরো একটি অ™ভ’ত ব্যাপার হলো এ আত্ম্যহত্যার প্রবণতা কেবল স্থানীয় জাটিঙ্গা পাখিদের মাঝেই দেখা যায়, কোন অতিথি পাখি এমন আচরণ করে না। কাজেই পাখি বিশারদ আর তাবড় তাবড় গবেষকদের মাথা গুলিয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। তারা ব্যাপারটিকে ভ’তুরে বলে মানতেও রাজি নন, আবার রহস্যের জাল ভেদ করে বেরিয়েও আসতে পারছেন না।&lt;br /&gt;ড. সুধীর সেনগুপ্ত ধারণা করছেন জটিল আবহাওয়ার কারণে হয়তো সেখানকার ভ’চুম্বকত্বের পরিমাণ বেড়ে যায়। আর অত্যধিক ভ’চুম্বকত্ব এবং আলো একসাথে পাখিদের ওপর মারাত্মক কোনো প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ফলে সাইকোলজিকেলভাবে পাখিরা উদভ্রান্ত হয়ে যায় এবং অস্বাভাবিকভাবে আলোর উৎসের দিকে ছুটে চলে। তারপর অবশ হয়ে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। তবে এসব কথাও প্রমাণিত হয়নি। মূলত বৈরী আবহাওয়ায় গাঢ় কুয়াশা আর টিপটিপে বৃষ্টিতে উড়ে যাবার সময় গ্রামবাসীদের আলোর ফাঁদে আকৃষ্ট হয়ে পাখিরা এ কান্ড ঘটায়, এটিই সব গবেষণার উপসংহার। এছাড়া ঐ এলাকায় পাখির ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। এ জন্য সংখ্যাগত সাম্যাবস্থা বজায় রাখতে এটি হয়তো প্রকৃতিরই কোন না জানা খেলা।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-1496454136578399296?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/1496454136578399296/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=1496454136578399296&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1496454136578399296'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1496454136578399296'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/11/blog-post.html' title='পাখিরা আত্মহত্যা করে যেখানে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TPNuJu4R3jI/AAAAAAAAAJs/oGEi1ceE01E/s72-c/01.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-2238724376968405247</id><published>2010-10-03T16:56:00.002+06:00</published><updated>2010-10-03T17:02:40.338+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>চুলাচুলি সমাচার</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TKhirYaQrMI/AAAAAAAAAJk/B6RxbPYYPpc/s1600/Chulachuli.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 214px; height: 320px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TKhirYaQrMI/AAAAAAAAAJk/B6RxbPYYPpc/s320/Chulachuli.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5523773440396405954" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;কোমরে কাপড় বেঁধে অগ্নিমূর্তি ধারণ করেছে আঙ্গুরির মা। পিছিয়ে নেই আছিয়ার মাও। এতক্ষন কেবল অন্দর থেকে অন্দরেই ছুটাছুটি করছিলো গ্রাম্য গালাগালের তীর। এখন পরিস্থিতি এগুচ্ছে সম্মুখ সমরের দিকে। প্রথমে দেউড়ির আড়াল থেকে বেরিয়ে এলো দুজনের মাথা। তারপর পুরো অবয়ব। ঝাড়– উঁচিয়ে নানা অঙ্গভঙ্গি করতে করতে এগিয়ে আসছে আঙ্গুরির মা। সসস্ত্র প্রতিপক্ষের বিপরীতে একমুহুর্ত থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হলো আছিয়ার মা, তবে হতাশ হতে হলোনা। তাৎক্ষনিক প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিলো তার ছোট মেয়ে নুরেছা। চোখের পলকেই মায়ের হাতে চালান করে দিলো শক্ত-সামর্থ একটি ঝাড়–। এবার সমানে সমান। ক্রমশ কমে আসছে দুজনের মাঝের দুরত্ব। উত্তপ্ত হচ্ছে রণাঙ্গন। বাড়ছে দর্শকদের উত্তেজনা।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;চোখের পলক ফেলতে ভুলে গেছে ময়না। কী নিয়ে এ লড়াইয়ের সূত্রপাত এর কিছুই তার জানা নেই। এমনকি কথার তীরের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ শুনেও কোন সূত্র উদ্ধার করতে পারলো না সে। তবে পাশাপাশি বাড়ির এ দুই মহিলার মাঝে এমন বাক বিতন্ডা আজই নতুন নয়। কম করে হলেও সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন গালাগালি, চুলাচুলি না করলে সম্ভবত তাদের পেটের ভাতই হজম হয়না। আর এ কারনেই দর্শকরা নিরব দাঁড়িয়ে। কেউ এগিয়ে যাচ্ছেনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে।&lt;br /&gt;- কিরে ময়না, খারইয়া খারইয়া বেইট্টাইন্তের (মহিলাদের) কাইজ্জা দেহস? খারঅ তর বাপের কাছে কইয়া লই।&lt;br /&gt;সবুজের কথাতে লজ্জা পেল ময়না, ভয়ও হলো কিছুটা। এত দর্শকদের ভীরে সবুজ ভাই যে তাকে দেখে ফেলবে, ভাবতে পারেনি সে। কথার কোন জবাব না দিয়ে দ্রুত বাড়ির দিকে চলে যেতে উদ্যত হচ্ছিলো। কিন্তু তখনি ঘটে গেলো ঘটনাটা!&lt;br /&gt;আছিয়ার মাকে চুলের মুঠি ধরে হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে এলো আঙ্গুরির মা। হাতের ঝাড়– ফেলে দিয়ে নিচ থেকে প্রতিপক্ষের চুলের মুঠিটিও ধরার চেস্টা করলো আছিয়ার মা। খুব একটা সুবিধা করতে না পারলেও চুলের নাগাল পেল ঠিকই। কিছুক্ষনের মাঝেই দুজন সমানে সমান। একজন আরেকজনের চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকাতে লাগলো। এবার কথার তীরের পরিবর্তে শুরু হলো যন্ত্রণাকাতর আর্তনাদের প্রতিযোগিতা। তারপর হাউমাউ কান্না। কিন্তু কেউ কাউকে ছাড়তে রাজি নয়, যেন বিনা যুদ্ধে নাহি দেব সুচাগ্র মেদেনি। চুলাচুলির তুমুল পর্যায়ে দু’জনেই লুটিয়ে পরলো মাটিতে। তারপর গড়িয়ে পড়তে লাগলো বাড়ির ঢাল বেয়ে।&lt;br /&gt;ঘটনার শেষটা দেখে যাওয়ার ইচ্ছা ছিলো ময়নার। কিন্তু আড়চোখে সবুজ ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে আর দাঁড়াতে সাহস হলোনা। হাঁটা শুরু করলো বাড়ির দিকে। পেছন পেছন আসতে দেখলো সবুজ ভাইকেও।&lt;br /&gt;- বেইট্টাইন্তের কাইজ্জা দেহুন বালা না বুজছস? এইগুলা অইল অশিক্ষিত মানুষের কাম। তুই তো ইস্কুলে পরস। তোর এইসবের দিকে মনযোগ দেওন উচিত না।&lt;br /&gt;- আইচ্ছা ভুল অইয়া গেছে। আর এমুন অইত না।&lt;br /&gt;- দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা শেষ করছস ভালোয়, ভালোয়। অহন সমাপনী পরীক্ষা ভালো কইরা দেওয়ার প্রস্তুতি নে। শিক্ষিত অইয়া মানুষের মতো মানুষ অওয়ার চেস্টা কর। শিক্ষার আলো মানুষের সব মূর্খতা দূর কইরা দেয়। মানুষরে বিচার-বিবেচনা শিখায়। আঙ্গুরির মা আর আছিয়ার মা পড়ালেহা করে নাই বইলা এরার কোনো বিচার-বিবেচনা নাই। আর এর লাইগ্যাই অতো লোকজনের সামনে চুলাচুলি করতেও এরার শরম লাগে না।&lt;br /&gt;- আইচ্ছা সবুজ ভাই, শিক্ষাই কি মানুষরে মানুষের মতো মানুষ বানায়?&lt;br /&gt;- হ-অ&lt;br /&gt;- অহন আমার একটা কতার জবাব দেও দেহি। হেদিন পত্রিকার মইদ্যে ছবি দেখলাম, ঢাহা শহরে কলেজের ছাত্রীরা রাস্তার মাইদ্যে চুলাচুলি করতাছে! হেরা কি শিক্ষিত না?&lt;br /&gt;‘শিক্ষিত’ শব্দটি উচ্চারণ করতে গিয়েও করতে পারলো না সবুজ। এই ছোট্ট মেয়েটির প্রশ্নে এমন বেকায়দায় পড়ে যাবে, ভাবতে পারেনি সে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন করার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন কলেজের ছাত্রলীগ নেতৃদের চুলাচুলির ছবি সেও দেখেছে পত্রিকায়। মিছিলের সামনে থাকাকে কেন্দ্র করে তাদের এই চুলাচুলির সূত্রপাত। তখন প্রধানমন্ত্রীর ছবি পর্যন্ত দলিত হয় তাদের পায়ের নিচে।&lt;br /&gt;একেবারেই চুপসে গেল সবুজ। বুদ্ধিমতি মেয়ে ময়নাও আর ঘাটাতে চাইলো না তাকে। তবে এ-ই প্রথমবারের মতো সবুজ ভাইকে ধরাশায়ি করতে পেরে তার চোখেমুখে আনন্দ ফুটে উঠল।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-2238724376968405247?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/2238724376968405247/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=2238724376968405247&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2238724376968405247'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2238724376968405247'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/10/blog-post.html' title='চুলাচুলি সমাচার'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TKhirYaQrMI/AAAAAAAAAJk/B6RxbPYYPpc/s72-c/Chulachuli.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-6963058413555620343</id><published>2010-09-26T15:32:00.000+06:00</published><updated>2010-09-26T15:33:21.652+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>খেলার নাম ভাটিয়া</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যে কেউ ভেবে বসতে পারে মধ্যবয়স্ক এ লোকগুলো বুঝি দাঁড়িয়াবান্ধা খেলছে। নুমানের ছোট চাচার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তিনি শহরে থাকেন। স্বপরিবারে গ্রামে এসেছিলেন দু’দিনের জন্য। এখন আবার চলে যাচ্ছেন। ফিরতি পথে নৌকার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন বাজারের কান্দায় (উন্মুক্ত উঁচু জায়গা)। এই আশিন মাসেও যে হাওর পানিতে টইটম্বুর থাকবে, তা তিনি ভাবতেও পারেননি। অবশ্য এতে ভালোই হয়েছে, দু’দিন বেশ উপভোগ করার সুযোগ হয়েছে তার। বাড়ির সবাইকে নিয়ে বেরিয়েছিলেন নৌকা বাইসালিতে। দিগন্ত বিস্তৃত হাওরের জলে ঝরা ঝর ঝর বৃষ্টিতে মোহগ্রস্ত হয়েছিলেন তিনি; বাঁধভাঙা আনন্দে বৃষ্টিকে বরণ করেছিলেন। তারপর যখন উঁকি দিয়েছিলো বৃষ্টিধোয়া রোদ, তখন আকাশ নীলা অতিক্রম করেছিলো নীলের গণ্ডি। গোটা পৃথিবী যেন মেখেছিলো রঙধনুর সাত রঙ। আকাশের রঙের বাহার প্রতিফলিত হচ্ছিলো হাওরের শান্ত জলে। ছপাত ছপাত ডিঙি নৌকার বাইসালিতে তখন হাওরটাকে মনে হয়েছিলো রঙের ক্যানভাস।  কিন্তু এখন এই যাবার সময় নৌকা না পেয়ে অনিন্দ্য সুন্দর হাওরের উপরই মহা বিরক্ত হয়ে উঠেছেন তিনি। কোনো রকমে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেই হলো- ব্যস, আর যাত্রীবাহী নৌকার টিকিটিও পাওয়া যায়না।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;কী আর করা! বাধ্য হয়েই তাকে মনযোগ দিতে হয়েছিলো মধ্যবয়স্ক লোকগুলোর ধুপধাপ দৌড়াদৌড়িতে। প্রথমে তো একে দাঁড়িয়াবন্ধা খেলা ভেবেই বসেছিলেন তিনি। কিন্তু এ খেলায় তো এতবড় কোট (খেলার বৃত্তবিশেষ) হওয়ার কথা নয়! ব্যাপারটি পরিষ্কার করে দিলো ময়না। তারপর থেকেই গভীর আগ্রহে তিনি ডুবে গেলেন খেলার ভেতর। খেলার নাম ভাটিয়া। বিশাল বড় করে চারকোনা একটি কোট  আঁকা রয়েছে। আর চারটি কোনায় পাহারায় রয়েছে চারজন। কোটের বাইরে থেকে আরো চারজন ছলাকলা করছে ভেতরে ঢোকার জন্য। চার পাহারাদারের স্পর্শমুক্ত থেকে একবার ভেতরে ঢোকে, তারপর আবার বেরিয়ে আসতে পারাই নাকি তাদের লক্ষ্য। এভাবে একে একে চারজন যদি বেরিয়ে আসতে পারে, তবেই গোল্লা। এ ধরনের নিয়মই তাকে বুঝালো ময়না। কিন্তু এতকিছু ওনার মাথায় ঢোকছে না। তিনি মুগ্ধ হয়ে দেখছেন লুঙ্গি-ন্যাংটি কেঁচে কত অবলীলায়-ই না লোকগুলো খেলে যাচ্ছে! ওরা প্রত্যেকেই তাঁর সমবয়সী হবে। অথচ এখন তাকে খেলতে বললে কি তিনি রাজি হবেন? না, হওয়ার কথা নয়। আর ওদের মতো এতো পরিশ্রমও তিনি করতে পারবেন না। বাচ্চা ছেলেদের মতো বাতাস কেটে-কুটে এঁকেবেঁকে দৌড়াদৌড়ি করছে ওরা। সারা গায়ে ধুলি। দর দর করে ঝরতে থাকা ঘামে ধুলিগুলো ভিজে কাঁদা হওয়ার আগেই আবার মাটিতে গড়াগড়ি খেতে হচ্ছে ওদের। তারপর আবার তাজা ধুলি-মাটি মেখে শুরু করছে হুটিপুটি। হুস্-হাস্ শব্দ তুলে একেকজনের শ্বাস প্রশ্বাস বেরোচ্ছে যেন যন্ত্রের গতিতে। তবুও চেহারা থেকে ঠিকরে বেরুচ্ছে নির্মল আনন্দ। সে আনন্দ ভর করছে দর্শকদের মাঝেও। ভাটিয়ার কোটকে ঘিরে অগুণতি দর্শক। কেউ দাঁড়িয়ে, কেউ বসে। আবার কেউ বা দূর্বাঘাসে কাত হয়ে শুয়েও আছে। খেলোয়াড়দের সাথে সাথে উত্তেজনায় টানটান ওরাও। দেউড়ির আড়াল সরিয়ে বাড়ির অন্দরমহল থেকেও উপভোগ করছে মহিলারা। সবার মাঝে বিপুল এক আনন্দ। এ আনন্দের ভাগ অন্যরা যতটুকু পাচ্ছে নুমানের ছোট চাচা হয়তো ততটা পাচ্ছেন না। কারণ ভাটিয়া খেলার নিয়ম-কানুন তার জানা নেই। তারপরও প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের এ খেলাটি উপভোগ করতে পেরে অন্যরকম এক উচ্ছ্বাসে উদ্বেলিত তিনি। সময়ের সাথে সাথে মানুষগুলোও সব যান্ত্রিক হয়ে উঠছে। তিনিও এর বাইরে নন। একসময় বৌচি, চি কুৎ কুৎ, গোল্লাছুটসহ কত খেলাই না দেখা যেত বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে। এখন দেখা যায় বটে, তবে তা খুবই কম। লাঠিখেলা দেখতে গিয়ে কত্তবার মায়ের বকুনি খেতে হয়েছিলো তাকে! ঢোল-কাঁসরের শব্দ আর লাঠির সাজ সাজ আয়োজন একত্রিত করতো গ্রামবাসীকে। রঙবেরঙের যোদ্ধার পোশাক পড়ে হাতে মেকি তরবারি, ছোড়া ও বড় থালা সাইজের ঢাল নিয়ে লাঠিয়ালরা বাজিয়ে দিতো যুদ্ধের দামামা। মাথায় থাকতো লাল কাপড়ের পট্টি। তাদের ঘুঙুরের উচ্চ শব্দেও মোহগ্রস্ত হতেন তিনি। উপভোগ করতেন লাঠির ভেলকি।&lt;br /&gt;‘জল্লা-জল্লা....’ শব্দে চিৎকার করে উঠলো খেলোয়াড়দের একপক্ষসহ উপস্থিত দর্শকরা। সম্বিত ফিরে পেলেন নুমানের ছোট চাচা। বুঝতে পারলেন কোনো খেলোয়াড় খেলার নিয়ম ভঙ্গ করেছে। একটু আড়মোড়া ভেঙে আবার খেলায় মনযোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু পারলেন না ময়নার ডাক শুনে ‘চাচা আমহেরে (আপনাকে) চাচী ডাকতাছে।’&lt;br /&gt;ঘাঢ় ঘুরিয়ে নৌকার জন্য অপেক্ষমান স্ত্রী-সন্তানের দিকে তাকালেন তিনি। তারপর তাকালেন হাওরের জলে ডুব দিতে উন্মোখ সূর্যের দিকে এবং বললেন, ‘ময়না, তোর চাচিরে কঅ বাড়িত যাইতগা। সইন্ধা অইয়া গেছেগা। আউজ্জা আর যাইতামনা।’&lt;br /&gt;26.09.10&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-6963058413555620343?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/6963058413555620343/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=6963058413555620343&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6963058413555620343'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6963058413555620343'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/09/blog-post_26.html' title='খেলার নাম ভাটিয়া'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4561394341846635996</id><published>2010-09-18T14:02:00.001+06:00</published><updated>2010-09-18T14:06:24.642+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>অপ্রকাশিত</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRy669I6aI/AAAAAAAAAI0/QwQ0kvzekNA/s1600/IMG_0257.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRy669I6aI/AAAAAAAAAI0/QwQ0kvzekNA/s320/IMG_0257.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5518161800019372450" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4561394341846635996?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4561394341846635996/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4561394341846635996&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4561394341846635996'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4561394341846635996'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/09/blog-post_18.html' title='অপ্রকাশিত'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRy669I6aI/AAAAAAAAAI0/QwQ0kvzekNA/s72-c/IMG_0257.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-9210238016559187450</id><published>2010-09-18T13:55:00.003+06:00</published><updated>2010-09-18T14:08:16.398+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>কয়েকটি মুহুর্তে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxvLV57DI/AAAAAAAAAIs/wbRP6ICE3Kg/s1600/IMG_0196.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxvLV57DI/AAAAAAAAAIs/wbRP6ICE3Kg/s320/IMG_0196.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5518160498748156978" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxPJHCFDI/AAAAAAAAAIk/SHXeUSpHkdQ/s1600/IMG_0296.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxPJHCFDI/AAAAAAAAAIk/SHXeUSpHkdQ/s320/IMG_0296.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5518159948393092146" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxO6BA4QI/AAAAAAAAAIc/sARcGBE_nDc/s1600/IMG_0292.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxO6BA4QI/AAAAAAAAAIc/sARcGBE_nDc/s320/IMG_0292.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5518159944341315842" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxOmoDbqI/AAAAAAAAAIU/aL7S4NnmmAE/s1600/IMG_0279.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxOmoDbqI/AAAAAAAAAIU/aL7S4NnmmAE/s320/IMG_0279.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5518159939136351906" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-9210238016559187450?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/9210238016559187450/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=9210238016559187450&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/9210238016559187450'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/9210238016559187450'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/09/blog-post.html' title='কয়েকটি মুহুর্তে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJRxvLV57DI/AAAAAAAAAIs/wbRP6ICE3Kg/s72-c/IMG_0196.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-8310253579748807599</id><published>2010-08-31T19:20:00.000+06:00</published><updated>2010-08-31T19:21:53.075+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>ছুটির বিড়ম্বনা</title><content type='html'>হুরমুর করে আরো একগাদা লোক আছড়ে পড়ল বাসের উপর। তিল ধারণের জায়গাটুকু পর্যন্ত অবশিষ্ট নেই। কিন্তু তবুও ঠেলে-ঠুলে ঠিকই ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে লোকগুলো। কেউ ঝুলে আছে দরজায়। আবার কেউবা উঠে যাচ্ছে ছাদে। ছাদ থেকে কয়েকজনের পা জানালার দিকে ঝুলে থাকতে দেখলো ময়না। ভাগ্যিস আগে আগে ওরা টিকেট কেটে সিটে বসতে পেরেছিলো। নাহয় ওদেরকেও হয়তো এভাবেই যেতে হতো। অবশ্য সিট না পেলে দাঁড়িয়ে যেতে রাজি হতেন না বাবা। শহরে যাবার পথেই যে এত ঝামেলা পোহাতে হবে তা ধারণাও করতে পারেনি সে। এমন জানলে কেনাকাটা করার জন্য বাবার সাথে আসার বায়না ধরতো না ময়না।&lt;br /&gt;মুড়ির টিনের মতো বাসটি ঘট ঘট ঘট শব্দ তুলে এগুচ্ছে গরুর গাড়ির গতিতে। বেশি প্যাসেঞ্জার বোঝাই করেছে বলে নয়, এ বাসগুলোর প্রকৃতিই এমন। মাত্র ষোল কিলোমিটার দূরত্বের এ পথটুকু পাড়ি দিতে এক থেকে দেড় ঘন্টার মতো লেগে যায়। কারণ একটু পর পর থামরে, প্যাসেঞ্জার তোলরে, স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেলে ঠেলে ঠুলে স্টার্ট তুলরে ইত্যাদি আরকি। এখন মনে হচ্ছে রিকসায় গেলেই ভালো হতো। কিন্তু রিকসা যা ভাড়া চাইল তা শুনেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো ওদের। ঈদের মৌসুমে ভাড়া তিন থেকে চারগুন হয়ে যায় কেন তা বুঝে আসছে না ময়নার।&lt;br /&gt;ওহ্, ভীষণ কষ্ট হচ্ছে ওর। বাসের গোমোট পরিবেশে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। বাবা অবশ্য জানালার পাশের সিটেই বসিয়েছেন তাকে। কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকা লোকজন বাবার গায়ের উপর যেভাবে হেলে পরছে, তাতে বাবাও খানিকটা চেপে বসেছেন ময়নার দিকে। লোকজনের ঘামের বোঁটকা গন্ধে পেট গুলিয়ে আসছে। ক্ষনে ক্ষনে উথলিয়ে উঠতে চাচ্ছে বমি। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে জানালার কাঁচ খুলে দিয়েছেন বাবা। এতে বাইরে থেকে বাতাস ঢোকছে বটে, সেই সাথে ঢোকছে ধুলো। মুহুর্তের মাঝেই ধুলোময় হয়ে গেল ময়না। ভেতর থেকে খ্যাট খ্যাট করে উঠলো কয়েকজন লোক&lt;br /&gt;- এ্যাই ভাই জানালা খুলছুইন কেরে? বালু (ধুলি) আইতাছে।&lt;br /&gt;- ছেরিডা বুমি করবঅ দেকতাছুইন না? মেয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে বলল তোতা মিয়া।&lt;br /&gt;লোকজনের কটুক্তি আর ধুলির ঝড়ে বমি করতে ভুলে গেল ময়না। বন্ধ করে দিলো জানালার কাঁচ। চুপচাপ বসে রইলো জনারন্যের ভেতর।&lt;br /&gt;- আহাইরে জানডা বাইরইয়া যাইতাছেগা। বিরক্তি প্রকাশ করল এক যাত্রী। তার কথাতে ধরলো অন্য আরেকজন&lt;br /&gt;- জান বাইরইতনা, বাসের মইদ্যে মানুষ কট্টি (কতগুলো) লইছে দেখছনি। দুইন্নাইডার মাইদ্যে (দুনিয়াতে) যে কত মানুষ আছে ঈদের সময় অইলে দেহুন যায়।&lt;br /&gt;- আরে অহনঅই মানুষের দেখছঅ কি, ঈদ তঅ আরো কয়দিন দেরি আছে।&lt;br /&gt;- হেই কতা আর কইয়েননা ভাই। সারা দেশের মইদ্যে আউলাডাতঅ লাগবঅ ঈদের আগের দিন। অফিস আদালতে ছুটি থাহে মাত্র তিন দিনের। ঈদের আগের দিন সবাই শহর ছাইরা ছুডে গেরামের দিকে। কিন্তু কেউ ঠিক সময়ের মাইদ্যে যাইতে পারেনা। কেউ যায় ঈদের দিন। আবার রাস্তায় এক্সিডেন্ট কইরা কেউ পৌঁছতেই পারেনা।&lt;br /&gt;- একবার না হুনছিলাম, সরকার নাকি এইবার থেইকা ঈদের ছুটি পাঁচদিনের করবঅ? হের পরেতো আর কোনঅ খবর-টবর হুনলামনা&lt;br /&gt;- রোজার ঈদ অইল গিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উৎসব। এই উৎসবের লাইগ্যা পাঁচদিনের ছুটি দিলে মানুষ ইকটু শান্তিতে গেরামের বাড়িতে গিয়া ঈদ করতঅ পারব।&lt;br /&gt;- হুনছি অইন্য অনেক দেশে নাকি বড় উৎসবে বেশি দিনের ছুটি থাহে।&lt;br /&gt;- অইন্য অনেক দেশে থাকলেই যে আমার দেশে থাকতে অইব, এমুন কোন কথা না। পাঁচদিনের ছুটি অইলে আমরার লাগি সুবিধা অয়, হেইডা অইল গিয়া বড় কতা।&lt;br /&gt;যাত্রীদের একেকজনের একেক কথায় কান ঝালাপালা হয়ে উঠল ময়নার। গরম, বোটকা গন্ধ, বমির উদ্রেক সব মিলিয়ে চরম এক অস্থির সময় কাটছে ওর। আর এ অস্থিরতা নিয়েই সিটে বসে থাকতে বাধ্য হচ্ছে ময়না। এগিয়ে চলছে বাস। বাড়ছে মানুষের কোলাহল&lt;br /&gt;29.08.10&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-8310253579748807599?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/8310253579748807599/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=8310253579748807599&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8310253579748807599'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8310253579748807599'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/08/blog-post_31.html' title='ছুটির বিড়ম্বনা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4318255782629781807</id><published>2010-08-15T12:17:00.000+06:00</published><updated>2010-08-15T12:19:23.131+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>উইল্লা চোরার উপলব্ধি</title><content type='html'>- তোতা মিয়া এক কেজি ছোলা দ্যাও।&lt;br /&gt;বলে ধীরে-সুস্তে বেঞ্চিটায় বসল উইল্লা চোরা। শুনতে অশোভন এ শব্দটি ছাড়া তার সত্যি কোন নাম আছে কি না এ তথ্য ময়নার জানা নেই। এ নামেই সবাই তাকে চেনে। ‘উইল্লা চোরা’ অবশ্য তার নাম নয় বরং পরিচয়। ‘নামে নয় গুণেই পরিচয়’ আরকি। উইল্লা বিলাইয়ের (হুলো বিড়ালের) মত ছেঁচড়া চুরির অভ্যাস নাকি তার ছোটকাল থেকেই। অমুকের গাছের লাউটা, গাছ পাকা কাঁঠালটা, সব্জি ক্ষেত থেকে মুলাটা প্রায়ই উধাও হয়ে যেতো আগে। আর এসবের দায়ভার উইল্লা চোরার উপরই বর্তাতো। তার আতঙ্কে নাকি ঘর খালি রেখে গ্রামের মহিলারা পাড়া বেড়াতে পর্যন্ত পারত না। পাছে কোন জিনিসটা চুরি হয়ে যায়!&lt;br /&gt;সেই হিসাবে এখন বেশ শান্তিতেই আছে গ্রামের মানুষ। কারণ আগের সেই ছ্যাঁচরা চুরির অভ্যাসটা ছেড়ে দিয়েছে উইল্লা চোরা। তাই বলে যে চুরি-চামারি থেকে অবসর নিয়েছে এমনটি নয়। এখনও দূর-দূরান্তের গ্রাম থেকে তার নামে দরবার আসে মাসে তিন কি চারবার।&lt;br /&gt;- তুমি ছোলা দিয়া কি করবা? জিজ্ঞেস করল তোতা মিয়া&lt;br /&gt;- কি করাম মানে, রোজা রমজানের দিন ছোলা ছাড়া ইফতার অয় নাকি?&lt;br /&gt;- আসার্য্য কারবার! তুমি অইলা গিয়া চুর (চোর) মানুষ, তুমি হিবার রোজা রাখছ নাকি?&lt;br /&gt;একটু যেন লজ্জ্বাই পেল উইল্লা চোরা। তারপর ঘাঢ় নুইয়ে মুচকি হাসি দিয়ে বলল, আরে বেশতি কতা কইঅ না। আমি চোর অইতাম ফারি, কিন্তুক স্বভাব বালা আছে।&lt;br /&gt;- তাইলে তুমি হাছাহাছি রোজা রাকছ! যেন আকাশ থেকে পড়ে প্রশ্নটি করল তোতা মিয়া।&lt;br /&gt;- রোজা লইয়া কেউ মিছামিছি কতা কয় নাকি? চিন্তা করছি এইবার থেইকা রোজা থাহুনের অভ্যাস করাম।&lt;br /&gt;- বেশ বালা চিন্তা। কিন্তুক রোজা থাইক্কা চুরি-চামারি করলে কি আর রোজা অইব?&lt;br /&gt;- চিন্তা করছি এইসব ছাইরা দিয়াম। এই মাসটা দেহি ইকটু পাক-পবিত্র অইয়া আল্লা-বিল্লা কইরা কাডায়া দিতারি কিনা।&lt;br /&gt;- তাইলে এইমাসে তোমার কুকাম বন্দ থাকব?&lt;br /&gt;- হ&lt;br /&gt;- খালি এই মাসে থাকবঅ নাকি সারা বছর? ঈদের পরেই হিবার পাপ কামানি শুরু করবা!&lt;br /&gt;- আরে নাহ, কইলামনা বালা অইয়া গেছি।&lt;br /&gt;- বালা অইয়া গেলে বালা কতা। হুনঅ একটা কতা কই, রমজান মাস অইল গিয়া সংযমের মাস। এই মাসে সংযমের অভ্যাস করনের লাই¹া আল্লায় কইছে। কারণ এই অভ্যাসের গতি যাতে সারা বছর থাহে। তুমি যুদি একমাস চুরি-চামারি ছাইরা বাঁচতে পার, তে সারা বছর পারতানা কেরে?&lt;br /&gt;বাবার কথাটি বেশ ভালো লাগলো ময়নার। সাত্যিইতো একমাস ভাল হয়ে থাকতে পারলে সারাবছরইতো ভালো হয়ে থাকা যায়। দাদির কাছে সে শুনেছে রমজান মাস হলো অনুশীলনের মাস। রাতে সেহরি খাওয়া, ফজরের নামাজ পড়া, সকালে ঘুম থেকে উঠা, কাজে যাওয়া, ইফতার করা, তারাবির নামাজ পড়ার মধ্য দিয়ে মুসলমানদের সময় কাটে অনুশীলনের মধ্য দিয়ে। রমজান মাসে শয়তানকে নিয়ন্ত্রন করে রাখা হয় বলে মানুষের মাঝে খারাপ কাজ করার প্রবণতা কমে যায়। উইল্লা চোরাই এর জ্বলন্ত উদাহরণ।&lt;br /&gt;ততক্ষনে এক কেজি ছোলার প্যাকেট তোতা মিয়ার কাছ থেকে বুঝে নিলো উইল্লা চোরা। তারপর হাত বাড়িয়ে দশ টাকার চারটি কড়কড়ে নোট এগিয়ে দিলো।&lt;br /&gt;- আরও পাঁচ টেহা দেওঅন লাগবঅ। দাম অহন বাড়তি, তোতা মিয়ার এ কথাতে যেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলো উইল্লা চোরা।&lt;br /&gt;- আরে কি কও, ছোলার দাম অত বাইড়া গেছেগা!&lt;br /&gt;- খালি ছোলার দাম কেরে, রোজা উপলক্ষে অনেক কিছুর দামঅই অহন বাড়তি।&lt;br /&gt;- রোযা অইলঅ গিয়া সংযমের মাস। আর বাংলাদেশের ব্যবসায়িরা এই মাসে সংযম করবতো দুরের কতা, লুটপাটের উৎসব লাগাইয়া দেয়। রোজার মাইদ্যে আমি উইল্লা চোরা গেলাম বালা অইয়া, আর ব্যবসায়ীরা শুরু করল ডেহাইতি (ডাকাতি)। হায় আফসোস!&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4318255782629781807?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4318255782629781807/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4318255782629781807&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4318255782629781807'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4318255782629781807'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/08/blog-post_15.html' title='উইল্লা চোরার উপলব্ধি'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4350417357697016777</id><published>2010-08-11T21:18:00.006+06:00</published><updated>2010-08-11T21:27:45.033+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>বিউটি বোর্ডিংয়ে এক দুপুর</title><content type='html'>আমি ও সোহেল অটল&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLA-RCCEoI/AAAAAAAAAH8/guuNR2RH6dY/s1600/P8114124.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLA-RCCEoI/AAAAAAAAAH8/guuNR2RH6dY/s320/P8114124.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5504173870556516994" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLBPFA6wMI/AAAAAAAAAIE/RBrZGx0ODLk/s1600/P8114125.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLBPFA6wMI/AAAAAAAAAIE/RBrZGx0ODLk/s320/P8114125.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5504174159388393666" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLAhY8UrEI/AAAAAAAAAH0/nNsE3_EWtfo/s1600/P8114123.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLAhY8UrEI/AAAAAAAAAH0/nNsE3_EWtfo/s320/P8114123.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5504173374463847490" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLAJRJdl8I/AAAAAAAAAHs/hxz0_yOhMNU/s1600/P8114122.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLAJRJdl8I/AAAAAAAAAHs/hxz0_yOhMNU/s320/P8114122.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5504172960054613954" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGK_r807IxI/AAAAAAAAAHk/BpQSYyBk8Eg/s1600/P8114126.JPG"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 240px; height: 320px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGK_r807IxI/AAAAAAAAAHk/BpQSYyBk8Eg/s320/P8114126.JPG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5504172456383554322" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4350417357697016777?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4350417357697016777/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4350417357697016777&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4350417357697016777'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4350417357697016777'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/08/blog-post_11.html' title='বিউটি বোর্ডিংয়ে এক দুপুর'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TGLA-RCCEoI/AAAAAAAAAH8/guuNR2RH6dY/s72-c/P8114124.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-8328178143750242780</id><published>2010-08-10T18:51:00.001+06:00</published><updated>2010-08-10T18:53:32.066+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>বাতাস লাগছে বাতাস</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মা সন্তানকে খুন করতে সহযোগিতা করে- কথাটা একদম বিশ্বাস করতে পারল না ময়না।&lt;br /&gt;- আহা, কী ফুটফুটে চেহারা রে। বলতে বলতে পত্রিকাটা তোতা মিয়ার দিকে এগিয়ে দিল মন্তাজ উদ্দিন। ময়নারও কৌতুহল হলো তিন বছরের তানহাকে দেখতে। উঁকি দিলো পত্রিকার পাতায়। ইস, ডাগর চোখের কী মায়াবি চাহনি! ফোঁকলা দাঁত। কপালে কাজলের টিপ। মেয়েটাকে আদর করে এ টিপ কে পড়িয়ে দিয়েছিলো? ‘আয় আয় চাঁদ মামা/টিপ দিয়ে যা/চাঁদের কপালে চাঁদ/টিপ দিয়ে যা...’ ছড়া কাটতে কাটতে মায়েরাইতো এ কাজটি করে থাকে। তানহার ক্ষেত্রেও নিশ্চয়-ই এর ব্যতিক্রম হয়নি। হয়তো  ছড়ার ছন্দে ছন্দে ভুলিয়ে-ভালিয়ে ওকে কাজল কালো করেছিলো মা-ই। তারপর চুমুতে চুমুতে কপাল ভরিয়ে ভনিতা করে বলেছিলো, এইতো আমার চাঁদের (তানহার) কপালে চাঁদ এসে টিপ দিয়ে গেলো। হ্যা,  তখন তো মায়ের কাছে চাঁদের মতোই ছিলো তানহা। অমাবশ্যার অন্ধকার দূর করে মায়ের কোল জুড়ে সে এসেছিলো পূর্ণিমার চাঁদ হয়েই। দ্যুতি ছড়িয়েছিলো মায়ের মনে। সত্যিই কি তাই? এমনটিই তো হওয়ার কথা। ময়নার দেখা সব মায়েরাইতো এমন । মায়ের উষ্ণতাই সন্তানের প্রথম আশ্রয়। মাকে ছাড়া একটি দিনও কল্পনা করতে পারে না ময়না। কিন্তু কী এমন ঘটনা ঘটল যে, তিন বছরের ছোট্ট শিশুর মৃত্যু হলো নিজের মায়ের কারণে! অপরাধটা ছিলো কার, শিশুর নাকি ওর মায়ের? অপরাধ যার-ই হোক। কী কারণে একজন মা নিজের কোল থেকে পূর্ণিমার চাঁদ দূরে ঠেলে দিতে চাইবে? কোন অমোঘ টানে? তাহলে কি এখন মায়েরাও বদলে যাচ্ছে। সন্তানরা কি এখন মায়ের কোলেও নিশ্চিন্তে ঘুমুতে পারবে না!&lt;br /&gt;- ও পুতু (চাচা) পুতুগো, তানহা কি মা’রে (মাকে) ত্যক্ত (বিরক্ত) করতঅ?&lt;br /&gt;- নাহ্। অনিচ্ছা সত্ত্বেও এক কথায় জবাব দিলো মন্তাজ উদ্দিন। কিন্তু মন্তাজ চাচার ইচ্ছা-অনিচ্ছার ব্যাপারটা মোটেই আঁচ করতে পারলো না ময়না।&lt;br /&gt;- তে (তাহলে) ছেরিডা কী দুষ করছিন (করেছিলো) যে একবারে মাইরালান লাগব (মেরে ফেলতে হবে)!&lt;br /&gt;- এই ছেরি চুপ র্ক। মুরুব্বিরার কতার মইদ্যে কতা কওঅন (বলা) বালানা। ধমকে উঠল তোতা মিয়া।&lt;br /&gt;বাবার ধমকে একেবারে চুপসে গেলো সে। আর কথা বলার সাহস হলোনা। তারপরও ক্ষীণ একটি আশা ধরে রেখেছিলো যে, অন্তত: ভদ্রতার জন্য হলেও মন্তাজ চাচা  বুঝি তার কৌতুহল নিবৃত্ত করবে। কিন্তু ওদিক থেকেও কোন সাড়া না পেয়ে মনটা আরো খারাপ হয়ে গেলো ময়নার। চুপচাপ বসে রইল বাবার পাশে। মনযোগ দিলো অন্য কাজে। ভাব দেখালো যেনো এদিকের কোনো কথাতেই তার কান নেই।&lt;br /&gt;- কী কইবা তোতা মিয়া, খালি পরকিয়া আর খুন না, আমরার দেশটা অহন নানা অপরাধে ভইরা যাইতাছে। ‘সামাজিক মূল্যবোধ’ কইতে (বলতে) একটা কতা আছে। হেই মূল্যবোধ কইম্মা যাইতাছে। কইম্যা যাইতাছে মানুষের নীতি-নৈতিকতা।&lt;br /&gt;- হ, বাইছা (ভাই সাহেব)। তুমি উচিত কতা কইছঅ। আমরার সমাজ কিমুন জানি বদলাইয়া যাইতাছে। সবচে আপন বন্ধনগুলাও অহন ভাইঙ্গা চুরমার অইয়া যাইতাছে।&lt;br /&gt;- বাতাস লাগছে বাতাস। একটা কতা কই হুনঅ, তুমি যুদি কোনো জাতিরে ধ্বংস করতা চাও, পইলা (প্রথমে) হেই জাতির সংস্কৃতি আর মূল্যবোধগুলা ধ্বংস কর। হেরপরে দেখবা আপনা-আপনি হেই জাতি এক অমোঘ নেশায় বুঁদ অইয়া যাইব। মেরুদণ্ড খাড়া কইরা দুইডা কতাও কইতে পারবনা।&lt;br /&gt;- আমরারেও এমুন নেশার বাতাসে পাইছে নাকি?&lt;br /&gt;- লক্ষণ খারাপ। জিরজিরায়া (ঝির ঝির করে) আজইরা (অশুভ) বাতাস ঘিইরা ধরতাছে আমরারে। আমরা ঠ্যাঙ্গের উপরে ঠ্যাঙ্গ তুইল্লা ঝিমাইতাছি। আমরার সরকারের তঅ এইদিকে কোন মনযোগঅই নাই। হেরা অহন ব্যস্ত নানান আজাইরা কামে। আর হেই সুযোগে খুন, রাহাজানি, ডাকাইতি, পরকিয়ায় ভইরা যাইতাছে দেশ। আর মানুষের কাছেও এউগুলা গা সওয়া অইয়া গেছে।&lt;br /&gt;- হঅ, আজাইরা কামে মানুষের টেহা (টাকা) খরচ করতাছে। আমরার চিন্তাভাবনা থেইকা নীতি-টিতি একবারে উইট্টা গেছেগা দেহি!&lt;br /&gt;-নীতিটিতির কতা আর কী কও তুমি! হেদিন পত্রিকার মইদ্যে দেকলাম গত এক মাসে সারা দেশে খুনঅই অইছে ২৮০ জন! অইন্য কতা নাঅয় বাদ অই দিলাম।&lt;br /&gt;- পাবলিক এক্কেবারে ত্যক্ত বিরক্ত অইয়া গেছেগা। হুনলাম আওমী লীগের (আওয়ামী লীগের) এক নেতাও নাকি ত্যক্ত-বিরক্ত অইয়া কইছে যে দেশ বিপদের দিকে আউ¹াইতাছে?&lt;br /&gt;- হ, তুমি ঠিকঅই হুনছঅ। কতা তঅ হাছা। পুরা তাইজ্জব কাণ্ডকারখানা শুরু অইয়া গেছে। প্রধান বিচারপতির মুখ দিয়া পর্যন্ত বাইরঅইছে যে, দেশঅ অহন ন্যায্য কতাডা পর্যন্ত কওনের স্বাধীনতা নাই।&lt;br /&gt;এতক্ষণে ভীষণ বিরক্ত হয়ে উঠলো ময়না। ভেবেছিলো কান খাড়া রাখলে হয়তো তানহা হত্যার রহস্য কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারবে সে। কিন্তু বাবা আর মন্তাজ চাচার কথাগুলো এমন দিকে মোড় নিয়েছে, যা ওর বোঝার কথা নয়। কিন্তু তবুও যে বোঝার চেষ্টা করে নি এমনটি নয়। আর চেষ্টা করলে কিছুনা কিছু তো সফল হওয়াই যায়।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-8328178143750242780?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/8328178143750242780/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=8328178143750242780&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8328178143750242780'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8328178143750242780'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/08/blog-post_10.html' title='বাতাস লাগছে বাতাস'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-8115811087741213247</id><published>2010-08-01T20:00:00.000+06:00</published><updated>2010-08-01T20:03:32.543+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>জামাই আইছে আনন্দে</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আজ ময়নার মেয়ের বিয়ে। আয়োজন নিয়ে মহা ব্যস্ত সে। এক মুহূর্ত অবসর নেই। মেয়েটাকে কিনে এনেছিল বৈশাখী মেলা থেকে। সেই থেকে ওর সংসারেরই সদস্য সে। নিজের সাথে মিলিয়ে নাম রেখেছে গয়না। তারপর চিকচিকে জরির একটি গয়না পরিয়েও দিয়েছিল গলায়। কিন্তু সেটা যে কবে উধাও হয়ে গেল, তা বলতেই পারছে না ময়না। এমনকি মেয়েটাও মুখ ফুটে বলছে না যে কেউ গলা থেকে খুলে নিয়েছে, নাকি খেয়ালের বশে নিজেই হারিয়ে ফেলেছে। না না, গয়না কথা বলতে পারে না এমনটি নয়। প্রতিদিনই ময়নার সাথে কত্ত কথা হয়। অবশ্য শব্দ করে কিছুই বলতে পারে না সে। শত হলেও পুতুল তো! তাই ওর মনের ভাষা বুঝে নিতে হয় ময়নাকেই। এর জন্য কোনো দুঃখ নেই ময়নার। কারণ সে জানে পুতুলরা কখনো কথা বলতে পারে না। তবে মায়ের কাছে তাদের থাকে হাজারো আবদার। এই যেমন খাইয়ে দাও, পরিয়ে দাও, আদর করো, ঘুম পাড়িয়ে দাও। এসবের কোনো কাজই বাকি রাখে না ময়না। একেবারে খাওয়া থেকে শুরু করে ঘুম পাড়ানো পর্যন্ত সবকিছু সে-ই দেখাশোনা করে।&lt;br /&gt;এমন আদুরে মেয়েকে বিয়ে দিতে কিছু তো খারাপ লাগছেই ময়নার। খারাপ লাগলেই আর কী? মেয়ে যেহেতু আছে আজ নয় কাল বিয়ে তো দিতেই হবে। তবে এত বিচ্ছেদ-বিরহের মাঝেও বেশ আনন্দই হচ্ছে ওর। কারণ পাত্র হিসেবে পারভিনের ছেলেটা একেবারে রাজপুত্র। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো পারভিনের সাথে একটা সম্বন্ধ তৈরি হোক, এমনটাই চাইছিল সে। হঠাৎ সে দিন বলা নেই, কওয়া নেই পারভিনই প্রস্তাব করে বসল ময়নার সাথে সই পাতবে। আর যায় কোথায়, দু’জনে মিলে ঠিক করল দিনক্ষণ। আরো ঠিক করল এই দিনেই হবে ওদের পুতুল বিয়ে। এতে নিজেদের মাঝে সম্পর্কটা আরো গাঢ় হবে। ব্যস, যেই কথা সেই কাজ।&lt;br /&gt;আজ সেই কাক্সিত দিন। মহা ধুমধামে চলছে আয়োজন। ময়নার সখীরা সবাই উপস্থিত। উপস্থিত এক দঙ্গল ছেলেমেয়েও। বাঁশের কঞ্চি আর পাতার ছাউনি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্যান্ডেল। একে ঘিরেই সবার ব্যস্ততা। এই বাটনা বাটরে, কুটনা কুটরে...। একটু বড়সড় টোপায় (খেলনা পাতিলে) ভাত চড়িয়েছে ময়না। টোপার ভেতরে যে ভাতের বদলে বালি ভর্তি, এ খবর কারো অজানা নয়। কিন্তু তবুও সবাই উদগ্রীব হয়ে আছে কখন রান্না শেষ হবে, তারপর বর আসবে। আর ক্বল-অ, ক্বল-অ ধরনের অদ্ভুত শব্দ করে খাওয়ার ভান করবে সবাই। সেই সাথে হবে ময়না-পারভিনের সই পাতাপাতি। দু’জনের মাঝে তৈরি হবে নতুন একটি সম্পর্ক। প্রতিজ্ঞা করবে পরস্পরের সুখ-দু:খ, হাসি-কান্নার অংশীদার হওয়ার। বন্ধুত্ব গড়ার সেই আনুষ্ঠানিক মুহূর্তটিকে ত্বরান্বিত করতেই এত ব্যস্ততা। আশপাশের ঝোপে বাজার করছে কয়েকজন। এরই মাঝে কাল্পনিক নানা কেনাকাটা করে ফিরেও এসেছে দুলাল। ওর ঝুলি ভর্তি ইটের সুড়কির মাংস, পাতার মাছ আর নানা ধরনের তরকারি। মেলা থেকে কিনে আনা টিনের বঁটি দিয়ে তরকারি কাটায় ব্যস্ত হয়ে গেল একজন। তারপর চুলায় ফুঁ দাওরে, আগুন জ্বালরে...। অবশেষে রান্নাবান্না শেষ হলো ময়নাদের। এরই মাঝে খবর এলো বরযাত্রা শুরু গেছে। এক অনাবিল আনন্দে ভরে উঠল সবার চোখ। এবার ওরা ব্যস্ত হয়ে উঠল গয়নাকে নিয়ে। ইস্ লাল টুকটুকে শাড়ি পরে আছে ও। একদম চুপ মেরে বসে আছে। ময়নাও দৃষ্টি ঘুরালো ওর দিকে। ভেতরটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠল।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এলোমেলো বাদ্যের শব্দে কানে তালা লাগার মতো অবস্থা। বরযাত্রীদের মাঝে বেশ কয়েকটি ছেলের গলায় ঝুলানো রয়েছে ঢোল। কোরবানির গরুর পর্দা ভাঙা কলসের মুখে সেঁটে প্রতি বছরই ওরা এগুলো তৈরি করে। তারপর যখন ইচ্ছা তখন বাজায়। আজ কচুর ডাঁটা দিয়ে এমনভাবে বাজাচ্ছে যেন ঢোল এবং কানের পর্দা ফাটিয়েই ছাড়বে। কাছাকাছি চলে আসতেই পারভিনের ছেলেটাকে দেখতে পেল ময়না। ইস্ কি সাজে সেজেছে ও! রাজপুত্র যে একেবারে রাজপুত্রের মতোই। মাথায় টোপর, গলায় পুঁথির মালা। আসছে ঘোড়ায় চড়ে। আর ঘোড়াটা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে বিয়ারিংয়ের গাড়িতে। সবাই বিপুল উৎসাহে টেনে নিয়ে আসছে গাড়িটাকে। কনে পক্ষের তৈরি পাট শোলার তোরণের সামনে এসে থামতেই হলো ওদের। তারপর দরকষাকষি। অবশেষে কাঁঠালপাতার টাকা বিনিময়ের মাধ্যমে সমঝোতা।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;তোরণ উন্মুক্ত করে দাঁড়ালো ময়নারা। রাজপুত্রের মতো বর প্রবেশ করল পাতার ছাউনিতে। কোরাস তুলল এক দঙ্গল ছেলেমেয়ে ‘চম্পা ফুলের গন্ধে/জামাই আইছে আনন্দে/চম্পা ফুলের সুবাসে/জামাই আইছে আহাসে...’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-8115811087741213247?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/8115811087741213247/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=8115811087741213247&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8115811087741213247'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8115811087741213247'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/08/blog-post.html' title='জামাই আইছে আনন্দে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-5203798976647048320</id><published>2010-07-25T15:03:00.001+06:00</published><updated>2010-07-25T15:05:17.801+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>আলী আক্কাসের অবস্থা ভালো নয়</title><content type='html'>আলী আক্কাস একজন রিকশা চালক। গ্রামগঞ্জে নয়, একেবারে রাজধানীর অলি-গলি চষে বেড়ায় তার বাহন। দুইদিন হলো বাড়িতে এসেছে সে। এখন আড্ডা মারছে তোতা মিয়ার দোকানের সামনে। হাতে প্রায় শেষ হয়ে আসা একটি বিড়ি। মুখ থেকে গল গল করে বাতাসে উড়িয়ে দিচ্ছে ধোঁয়ার গুলতি। যথেস্ট মনযোগ দিয়ে টানছে। কারণ শেষের দিকে যে কোন সময় আগুন খসে পড়তে পারে। আর শেষ টান মানে সুখ টান। সতর্ক আলী আক্কাস সুখ টান থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাত্র নয়। অবশ্য আরও অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত হতে চায়না সে, তবুও হতে হয়। এই যেমন তিনবেলা খেয়ে-পরে থাকতে পারা আর রোগ বালাইয়ে ঠিক-ঠাকমতো চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রাখে সে। কিন্তু একজন মানুষ হিসেবে এসব মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হতে হয় তাকে, আর বাকিগুলো নাহয় বাদ-ই থাকলো। কেবল বিড়ির উপরই তার যত অধিকার খাটে, অন্য কোথাও নয়। অবশ্য ধোঁয়ার একেকটি গুলতির সাথে যে একটু একটু করে জীবনীশক্তিও বাতাসে ভেসে যাচ্ছে-এ তথ্যও তার অজানা নয়। সেই ছোটবেলায় শুনেছিলো ‘আই এম এ ডিস্কু ড্যান্সার/বিড়ি খাইলে হয় ক্যান্সার’। বিড়ি খেলে ক্যান্সার হয় এটা শুনতে শুনতেই বিড়ির প্রতি আগ্রহ জন্মে। আর তখন থেকেই শুরু, এখন পর্যন্ত ছাড়তে পারেনি। কোনো দিন পারবে কি না জানা নেই।&lt;br /&gt;- কীগো আলী আক্কাস, এমুন চুপচাপ বইয়া রইছ কেরে? ডাহার (ঢাকার) কিছু খবর-টবর হুনাও আমরারে। দেশের অবস্তা (পরিস্থিতি) কবে বালা অইব?&lt;br /&gt;তোতা মিয়ার কথার জবাবে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল সে। কিন্তু কাশির দমকে ভেতরেই আটকে থাকলো কথা। খুক্ খুক্ করে নয়, কাশির শব্দটা হলো খন্ খন্ ধরনের, একেবারে খনখনে বুড়োদের মতো। অথচ তার বয়স খুব হলে চল্লিশ কী বিয়াল্লিশ হবে।&lt;br /&gt;- আরে, আরে থাউক। দেশের অবস্তা কউন লাগদনা। তোমার নিজের অবস্তাই দেহি বালা না। বিড়ি খাইতে খাইতে শইলডারে আঙরা বানায়া দিছ।&lt;br /&gt;প্রচন্ড শ্বাসকষ্টের মাঝেও না হেসে পারলনা আলী আক্কাস। খা.....ক্ করে একদলা কফ নিক্ষেপ করল দূরে। কথা বলার আগে ছুঁড়ে ফেললো বিড়ির শেষ অংশটুকু।&lt;br /&gt;- দেশের অবস্তাও আমার মতোই। আমি যেমুন কবে বিড়ি খাওয়া ছারতারাম (ছাড়তে পারব) জানিনা। আমরার দেশের অবস্তাও কবে বালা অইব জানি না।&lt;br /&gt;- এইডা হিবার কিমুন ঢঙের কতা হুনাইলা?&lt;br /&gt;- ঢঙের কতা না গো ঢঙের কতা না। ডাহা শহর অইল বাংলাদেশের রাজধানী। অইহানে বইয়া থাইক্কা পুরা দেশের ছবি  দেহুন যায়। দেশের অবস্তা অহন বালা না। মানুষে মানুষে ভাগ অইয়া যাইতাছে। মানুষের পইসা খরচ অইতাছে নানান আজাইরা কামে। আর এইসব কামের ভোগান্তিও যাইতাছে মানুষের ওপরে দিয়াই।&lt;br /&gt;- হঅ, সব কিছু কিমুন জানি আউলা-ঝাউলা (এলোমেলো) অইয়া যাইতাছে। সায় দিলো তোতা মিয়া।&lt;br /&gt;- আউলা-ঝাউলার কতা আরঅ কও তুমি! নিজের মতঅ চলন-ফিরনেরও অহন স্বাধীনতা নাই। তোমার মুহঅ দাড়ি থাকলে পুলিশে তোমার দিকে বেকা অইয়া চাইবঅ। মাথার মইদ্যে টুপি থাকলে মাথা নুয়াইয়া চলুন লাগবঅ!&lt;br /&gt;- হঅ, এইডা কইছঅ ঠিক কতা। পুরা আসায্য (আশ্চর্য) কারবার শুরু অইয়া গেছে। খালি তোমরার ডাহা শহরঅই না, আমরার গাঁও গেরামের মাইদ্যেও এইরহম অইতাছে। শান্তি কি পুরাপুরি আরায়া (হারিয়ে) যাইবগা নাকি?&lt;br /&gt;- শান্তির আশা আর কইর না। শান্তির মা মইরা গেছে। দেশঅ অহন মানুষ গুম অইয়া যাইতাছে, খুন অইতাছে, আর জিনিসপত্রের দামতঅ বারছেই।&lt;br /&gt;- দিন যাইতাছে আর আমরা দেহি অনিরাপদ আর কঠিন জীবনের দিকে আউ¹াইতাছি (এগিয়ে যাচ্ছি)! দীর্ঘশ্বাস ফেলল তোতা মিয়া।&lt;br /&gt;- আমি কি আর সাধে কইলাম যে, দেশের অবস্তা আমার মতই!&lt;br /&gt;নিজেকে নিয়ে আলী আক্কাসের হেয়ালি শুনে গলা ছেড়ে হেসে উঠল তোতা মিয়া। হাসল এতক্ষন চুপচাপ বসে থাকা ময়নাও। দেশের অবস্থা কেমন তা ওর বোঝার কথা নয়। তবে আলী আক্কাসের অবস্থা যে খুব একটা ভালো নয়, এটা বেশ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে ময়না।&lt;br /&gt;২৫ জুলাই ২০১০&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-5203798976647048320?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/5203798976647048320/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=5203798976647048320&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/5203798976647048320'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/5203798976647048320'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post_25.html' title='আলী আক্কাসের অবস্থা ভালো নয়'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-6073844454398406673</id><published>2010-07-24T19:45:00.002+06:00</published><updated>2010-07-24T19:48:23.751+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>বর্ষাযাপন!</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TEru3iKglyI/AAAAAAAAAHc/KKaeeAx3zqw/s1600/picnic.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TEru3iKglyI/AAAAAAAAAHc/KKaeeAx3zqw/s320/picnic.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5497468932990211874" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বলুন তো আজ শ্রাবণের কততম দিন? পারছেন না তাইতো? আজকের নয়া দিগন্ত দেখুন, উত্তর পেয়ে যাবেনবর্ষা তো শেষ হতে চলল, বর্ষাযাপন করেছেন? করেননি! ক্যামনে করবেন? ‘ব্যস্ততা মোরে দেয় না অবসর’।&lt;br /&gt;প্রিয় পাঠক, আপনার বর্ষাযাপন’র দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে দৈনিক নয়া দিগন্তের সাপ্তাহিক প্রকাশনা অবকাশ ও থেরাপি। এই দুটি ম্যাগাজিনের সকল লেখক ও আগ্রহী পাঠকদের নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে বর্ষাযাপনের। বলুনতো কোথায়? কোথায় আবার! কিশোরগঞ্জের দিগন্ত বিস্তৃত হাওরে!&lt;br /&gt;চারিদিকে অথৈ পানি। মাঝখানে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। ওখানেই বড়শি ফেলে বোয়াল মাছ ধরার চেষ্টা করছেন আপনি। ভাবুন তো দৃশ্যটি! হ্যা, সত্যিই এ সুযোগ হবে বর্ষাযাপন এ। আরো থাকবে দিনভর হৈ-চৈ, জলকেলি, বিনোদন কত কিছু!&lt;br /&gt;তাহলে যাচ্ছেন তো বর্ষাযাপন করতে? যেতে চাইলে নাম রেজিষ্ট্রশন করুন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে। যাচ্ছি কবে? ৫ আগষ্ট রাতে। ঢাকায় ফিরব ৭ আগষ্ট সকালে।&lt;br /&gt;যোগাযোগ- ০১৭১১১১৫১৬৫&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-6073844454398406673?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/6073844454398406673/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=6073844454398406673&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6073844454398406673'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/6073844454398406673'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post_24.html' title='বর্ষাযাপন!'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TEru3iKglyI/AAAAAAAAAHc/KKaeeAx3zqw/s72-c/picnic.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-129625638579214467</id><published>2010-07-18T18:08:00.000+06:00</published><updated>2010-07-18T18:09:40.740+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>মন্তাজ চাচার কথাই ঠিক</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দক্ষিণ দিক থেকে সরু ঢেউ অলস খেলতে খেলতে ভীরছে ঘায়েলে (ভাঙন থেকে বসতভিটা রক্ষার জন্য কচুরিপানা আর খড়ের স্তর)। মৃদু বাতাসের ঠেলায় ঘায়েল ঘেষে কোণঠাসা হয়ে আছে কচুরিপানা, শ্যাওলা-ঝাউলা। এমনভাবে স্থির হয়ে আছে যেন পানির উপর তৈরি করেছে সবুজাভ সর। এ সবুজ সরকেই কেটে কোটে ঠেলা জাল ঠেলছে সবুজ। আর ডাঙায় ডোলা হাতে দাঁড়িয়ে ময়না। সবুজের একেকটি খেউয়ে জাল ভর্তি হয়ে উঠছে শ্যাওলা আর শ্যাওলা। তারপর এগুলো ঝেড়ে ফেলে চিংড়ির খনি আবিষ্কার করার দায়িত্ব ময়নার উপরই। শ্যাওলার ভাঁজ খুলে খুলে একটা-দুটো চিংড়ি ডোলায় ভরতে ভরতেই জালের টোনায় ঝিলিক দিয়ে উঠে ছিট পারতে থাকা এদলা চিংড়ি। এতক্ষনে ডোলা প্রায় অর্ধেক হয়ে এসেছে। আর কয়েকটি খেউ দিয়েই আজকের মতো ক্ষান্ত হবে, ভাবছিলো সবুজ। কিন্তু উঠাৎ উদয় হওয়া কোষা নৌকাটিই ঘটালো যতো বিপত্তি। বলা নেই কওয়া নেই, নি:শব্দে ভেসে এসেছে ঠিক সবুজের পাশেই। পানিতে বৈঠা ফেলার শব্দটি পর্যন্ত তার কানে আসেনি। চরম বিরক্ত হয়েই তাকালো কোষার মাঝির দিকে। তারপর ভ্যাবাচেকা খেলো। মাথা নুইয়ে নিলো সসম্মানে, বৈঠা হাতে বসে আছে স্বয়ং মন্তাজ উদ্দিন!&lt;br /&gt;- কি সবুজ মিয়া, পড়ালেহা থুইয়া দেহি জাল ঠেলায় মনযোগ দিছস! কিশোরগঞ্জেত্তে কবে আইলি?&lt;br /&gt;- পরশুদিন আইছি পুতু (চাচা)&lt;br /&gt;- কলেজ বন্ধ নাকি?&lt;br /&gt;- না বন্ধ না। এইচএসসি পরীক্ষার রিজাল্ট দিছে ত-অ, এর লাইগ্যা কয়দিন ডিলাডালা কাস অইতাছে।&lt;br /&gt;- তরার কলেজের রিজাল্ট কিমুন অইছে?&lt;br /&gt;- বালাই। জিপিএ পাঁচ পাইছে আঠারজন। দুইডা ছেরা খালি ফেইল করছে।&lt;br /&gt;জাল ঠেলা বন্ধ হয়ে গেলো বলে উদ্দম্যে ভাটা পরেছে ময়নার। খানিকটা বিরক্ত হয়ে তাকালো মন্তাজ চাচার দিকে। কিন্তু তার বিরক্তিতে কারো কোন ভ্রুক্ষেপ নেই দেখে আশাহত হলো সে। এমনিতেই বার বার ডাঙায় উঠে যেতে চাচ্ছিলো সবুজ ভাই, এখনতো আর কথাই নেই। যা ধারণা করেছিলো ঠিক তাই। পরিষ্কার পানিতে এপাশ-ওপাশ করে জাল ধুয়ে নিতে দেখলো সে। অর্থাৎ আজকের মতো মাছ ধরা এখানেই সমাপ্ত। বাধ্য হয়ে কাঠখোট্টা আলাপচারিতায় মনযোগ দিলো ময়না।&lt;br /&gt;- আমার ত-অ খালি ডর করতাছে পুতু। আমরার মত গরিবের বালা রিজাল্ট কইরা কোন দাম নাই।&lt;br /&gt;- আরে ডরের কি আছে বেক্কল। মনযোগ দিয়া পর, বালা রিজাল্ট কর।&lt;br /&gt;-  কি অইব বালা রিজাল্ট কইরা। এইবার দেহ সারা দেশ-অ আটাইশ হাজার ছয়শ’ একাত্তর জন জিপিএ পাঁচ পাইছে। এরার মইদ্যে কয়জন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অইতে পারব? টেহাওয়ালারার লাইগ্যাতো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছেই। কিন্তু আমরা যায়াম কই?&lt;br /&gt;- কতা তুই মন্দ কইছসনা। আমরার দেশে আছে খালি যত আউলা নিয়ম। এইযে পুলাপাইনগুলা পাস কইরা বাইর অইতাছে, এরা কই ভর্তি অইব, কি পড়ব, এরার ভবিষ্যৎ কি এইসব লইয়া সরকারের বিন্দু মাত্র চিন্তা নাই।&lt;br /&gt;- এর লাইগ্যাইতো মাজে মইদ্যে পড়ালেহা ছাইরা দিতে ইচ্ছা অয় পুতু।&lt;br /&gt;- আরে ধুরু, তুই খালি অলক্ষির মত কতা কছ। সমস্যা অনেক থাকব, হের লাইগ্যা কি ঘরে বইয়া থাহুন লাগব! মনে রাহিস উপরে আল্লাহ আছে। বালা কইরা পড়ালেহা কর, এইসএসসিতেও জিপিএ পাঁচ পাইয়া গেরামের মুখ উজ্জ্বল কর।&lt;br /&gt;কি-সব জিপিএ পাঁচ-টাচ নিয়ে যে ওরা কথা বলে, একদম ভালো লাগেনা ময়নার। জিপিএ পাঁচ, এ প্লাস এসব শব্দ প্রায়ই কানে আসে ওর, কিন্তু কোন কিছুর অর্থ উদ্ধার করতে পারেনি। তার কাছে সোজা হিসাব, পাস-ফেল। অবশ্য গত এসএসসি পরীক্ষায় রেজাল্টের ব্যাপারটা ছিলো ভিন্ন। তখন সবুজ ভাই জিপিএ পাঁচ পেয়েছিলো, আর সারা গ্রামের মানুষের সেকি আনন্দ! আনন্দ হয়েছিলো তারও। সেই থেকে সে বুঝে গেছে জিপিএ পাঁচ হলো ভালো ফলাফল। কিন্তু সবুজ ভাইয়ের ভাল ফলাফল সত্ত্বেও তখন ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলো শাহজাহান আলী, সারা দেশে নাকি এত ছাত্র জিপিএ পাঁচ পেয়েছিলো যে তাদের ভিড়ে খেটে খাওয়া সবুজ ভাইয়ের কোন স্থানই হবেনা। শাহজাহান আলী বলেছিলো লেখাপড়া নাকি পয়সা ছাড়া হয়-ইনা। কই লেখাপড়াতো বন্ধ হয়ে যায়নি তার! কিশোরগঞ্জ শহরে লজিং থেকে, টিউশনি করে ঠিকঠিকই চালিয়ে যাচ্ছে সবুজ ভাই। আসলে মন্তাজ চাচার কথাই ঠিক, উপরে আল্লাহ আছে।&lt;br /&gt;- কিরে ময়না, মাছ কিমুন পাইলি?&lt;br /&gt;জবাবের অপেক্ষা না করেই মারছার (পাটাতনের) নিচে বৈঠাটা চালান করে দিলো মন্তাজ উদ্দিন। তারপর এক লাফে নেমে এলো ডাঙায়। আমগাছের শেকড়ের সাথে কোষাটা বেঁধে ঢোঁ মারলো ডোলার ভেতর। তারপর সবুজের সাথে কথা বলতে বলতে হাটা ধরলো গোপাট  (মেঠো পথ) ধরে। ঠেলা জালটা কাঁধে তুলে পেছন পেছন এগুলো সবুজ, গা থেকে নিংড়ে ঝরছে পানি। চিংড়ির ডোলা হাতে পা বাড়ালো ময়নাও, হাওরের জলে কোণঠাসা সবুজ রঙের শ্যাওলা-ঝাউলা পেছনে রেখে এগিয়ে চললো সবুজ এবং মন্তাজ উদ্দিনকে অনুসরণ করে।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;১৮ জুলাই ২০১০&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-129625638579214467?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/129625638579214467/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=129625638579214467&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/129625638579214467'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/129625638579214467'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post_18.html' title='মন্তাজ চাচার কথাই ঠিক'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-5180510876496177015</id><published>2010-07-17T20:26:00.001+06:00</published><updated>2010-07-17T20:26:57.956+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>বেশি খেলে বাড়ে মেদ</title><content type='html'>ছেলেটা একেবারে হাড়জিরজিরে। বয়স কত আর হবে পাঁচ থেকে ছয় এর মধ্যেই। গায়ে এতটুকু কাপড় নেই। পাঁজরের সবগুলো হাড় একে একে গোনে ফেলা যাবে। মাথা থেকে খাপরি আলাদা হয়ে আছে। গর্তে লুকানো চোখ দুটো যেন ঠিকরে বেরিয়ে আসছে টর্চ লাইটের মতো। নি®প্রাণ কিন্তু খানিকটা ভয় মেশানো দৃষ্টি মন্তাজ উদ্দিনের দিকেই।&lt;br /&gt;ভীষণ অবাক ছেলেটা, তাকে এভাবে ডাকছে কেনো মন্তাজ উদ্দিন! লোকটার সাথে কখনও কোন বেয়াদবি করেছে বলেতো মনে পরছেনা। পাটকাঠির মতো দেহ দোলাতে দোলাতে নি®প্রাণ এগিয়ে আসছে ছেলেটা। চেহারায় শঙ্কা। আর বিব্রততো বটেই। চড়া গলায কাছে ডেকে ছেলেটাকে ভয় পাইয়ে দেয়ায় বিব্রত মন্তাজউদ্দিনও। তাই হয়তো অভয় দেয়ার জন্য বেঞ্চি থেকে পা নামিয়ে কিছুটা নরম স্বরে বললো&lt;br /&gt;- ডরের কিছু নাই। কাছে আয়&lt;br /&gt;তারপর দুই কাপ চা আর একটি বিস্কিট দিতে বললো তোতা মিয়াকে। কিন্তু আশ্বস্ত হতে পারলনা আপদমস্তক উলঙ্গ ছেলেটা। কোন ধমক-টমক শুনবে এমন শঙ্কায় ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রইলো। কিছুক্ষন পরই ঘটলো অস্বাভাবিক ঘটনাটাা। তোতামিয়ার বানানো দুই কাপ চায়ের একটি তার দিকে আসতে দেখে ছিটকে পরলো খানিকটা দূরে। যেন শাস্তি দেয়ার জন্যই গরম পানির লিকার ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে তাকে।&lt;br /&gt;- আরে বেক্কল, চা ধর। তর লাইগ্যাই বানাইছি। বলল তোতা মিয়া।&lt;br /&gt;খানিকটা ইতস্তত করে দুই হাত সামনে বাড়িয়ে দিয়ে টেনে নিলো চা। দ্বিধাহীনভাবে বসে পরলো মাটিতে, ঠিক মন্তাজ উদ্দিনের পায়ের কাছে। তারপর ধুয়া উঠা চা ঠান্ডা করে খাওয়ার জন্য একের পর এক ফুঁ দিতে লাগলো কাপে।&lt;br /&gt;- আহারে, না খাইতে না খাইতে পোলাডার কি অবস্থা! খুব কষ্ট লাগে মন্তাজ বাইছা (ভাই সাহেব)। সমবেদনা জানালো তোতা মিয়া।&lt;br /&gt;- কষ্ট লাগলেই আর কি করতারবা তুমি, বড়জোর মাঝে মইদ্যে ডাইকা আইন্না দুইডা চা বিস্কুট খাওয়াইতে পারবা। এতে কি আর ুধার জ্বালা শেষ অইব?&lt;br /&gt;- টেকা-পইসাওয়ালা মাইনষের পোলাপাইনগুলারে মা বাপে সারাদিন খাওয়ার উপরেই রাহে। খাইতে চায়না, এর পরেও মুহের মইদ্দে ঠেইল্যা দেয়।&lt;br /&gt;- বালা কতা মনে করছ। সারা বিশ্বে অহন মানুষ গবেষণা করতাছে পোলাপাইনের মোডা (মোটা) অওয়ন কেমনে ফিরান যায়। কয়েকদিন আগে পত্রিকাত (পত্রিকায়) দেখলাম আমেরিকার প্রেসিডেন্টের বউ (মিশেল ওবামা) পুলাপাইনের মোডা অওনের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করছে।&lt;br /&gt;- এমুন বেইক্কইল্লামি (বোকামি) কতা ত-অ আর হুনছিনা। হেরা যেইডা বেশতি খায়, এইডা আমরার মতো গরীব দেশের পুলাপাইনরারে দিয়া দিলেই ত-অ সমস্যার সমাধান অইয়া যায়।&lt;br /&gt;- যত সহজে চিন্তা করতাছ, বিষয়ডা তত সহজ না। বলতে বলতে অর্ধেক শেষ করা কাপটা এগিয়ে দিলো তোতা মিয়ার দিকে।&lt;br /&gt;- আরেক চামুচ (চামিচ) চিনি দেও তোতা মিয়া। চায়ে চিনি কম দিয়া আমারে কতায় বুলাইয়া রাকতাছ। এত কিপ্টামি কর কেরে? তোমার ঝি ময়নাই বালা, চিনি কম দেয়না।&lt;br /&gt;ময়নাকে আরেক চামচ চিনি দেয়ার আদেশ দিলো তোতা মিয়া। তারপর বলল&lt;br /&gt;- কিপ্টামি কি আর সাধে করি বাইছা। চিনির দাম গেছে গা বাইরা। কিন্তু তোমরার কতা চিন্তা কইরা চায়ের দাম বাড়াইতে পারতাছিনা।&lt;br /&gt;- না তোমারে দুষ দেইনা। দুষ আমরার কপালের। ভোট দিয়া নেতা বানাই, আর হেরা ক্ষমতায় গিয়া আমরার পেটের কতা বুইল্লা যায়। নাইলে (না হয়) আলু, পটল, চাউল, ডাউল, নুন, তেলের দাম বাড়ার পরেও ডাহায় (ঢাকায়) বইয়া মন্ত্রিরা এইসব লইয়া রস করত-অ পারে? এক মন্ত্রী আমরারে চিনি কম খাওনের উপদেশ দিছে। চিনি কম খাইলে নাকি শরীর বালা থাহে। বহুত আগে হীরক রাজার সভা কবির গলয় হুনছিলাম এমুন কতা।&lt;br /&gt;আশ্চর্য হলো ময়না। হীরক রাজা আবার কে? তার দেশ-ইবা কোথায়! কৌতুহল দমন করতে না পেরে জিজ্ঞেস করল&lt;br /&gt;- পুতু হীরক রাজা কেডা?&lt;br /&gt;- সত্যজিৎ রায় নামের একজন পরিচালক ছিনেমা বানাইছিলো ‘হীরক রাজার দেশে’ নামে। এই ছিনেমার মইদ্যে হীরক রাজ্যের মানুষ না খাইয়া থাকতো। আর রাজা তার সভা কবিরে দিয়া না খাইয়া থাহুনের উপকারিতা বুঝাইতো ‘ অনাহারে নাই খেদ/বেশি খেলে বাড়ে মেদ’&lt;br /&gt;১১ জুলাই ২০১০&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-5180510876496177015?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/5180510876496177015/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=5180510876496177015&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/5180510876496177015'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/5180510876496177015'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post_4360.html' title='বেশি খেলে বাড়ে মেদ'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-1343575751465001149</id><published>2010-07-17T20:22:00.000+06:00</published><updated>2010-07-17T20:23:13.056+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>নেমে এলো ঝুম বৃষ্টি</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ধুকপুক ধুকপুক করে পাশ কাটিয়ে গেলো একটি ট্রলার। বেপরোয়া পানি ধেয়ে এসে ধাক্কা খেলো কলার ভেলাটিয়। প্রায় পড়েই যাচ্ছিলো ময়নারা। কিছুক্ষন তিড়িংবিড়িং এপাশ-ওপাশ দুলে তারপর শান্ত হলো ওরা। শান্ত বলতে একেবারে স্থির হয়ে গেছে এমনটি নয়। মৃদু বাতাসের দোলায় দুলছে পুরো হাওর। সেই সাথে দুলছে ময়নাদের ভেলা। এ দুলুনিতে ভেলার স্বাভাবিক গতি বাধাগ্রস্ত হলেও এর মাঝে রয়েছে ছন্দ। পানিতে এলোমেলো আলোড়ন তুলে ছুটে চলা ট্রলারের ঢেউয়ের মতো বেপরোয়া নয়। তবে তুমুল বর্ষায় হাওরের বিচিত্র খেয়ালের হদিস পাওয়া ভার। এই হয়তো দেখা গেল স্থির জলধি। যেন জলজ চাদর বিছিনো রয়েছে আকাশ অবধি। আকাশ আর হাওরের নীলে মিলে-মিশে একাকার। আবার হয়তো মুহুর্তের মাঝেই ঘটে যেতে পারে পরিবর্তন। ক্ষ্যাপা বাতাসের উন্মত্ত শক্তিতে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তুলতে পারে শান্ত জলধিকে। ধেয়ে আসা একেকটা ঢেউ যেন দুই মানুষ সমান। হাওরের এ অগ্নিমূর্তি প্রতি বর্ষায়ই দেখে ময়না। আর এ কারনেই ছোট্ট কলার ভেলায় ভেসে খুব একটা দুরে যায়নি ওরা।&lt;br /&gt;- লগ্যিডাত (লগিতে) একটু ভর দে দুলাল। আমি একটু জিরাইয়া লই।&lt;br /&gt;এক টুকরো গামছার নেংটি ছারা আর কিছুই নেই ছিপছিপে শীরের এ ছেলেটার গায়ে। ময়নার একনিষ্ঠ চ্যালা হিসাবেই ওর পরিচয়। ভেজা শরীর নিয়ে এতক্ষন বসে কাঁপছিলো সে। তাই ময়নার আদেশ পেয়ে আর দেরি করলোনা দুলাল। প্রথমে ভেলার সামনের দিকটায় এগিয়ে গেল। তারপর পানিতে লগি ফেলে তলা নাগাল পেয়ে সজোরে ভর দিলো। ভরের বিপরীতে ভেলাটি এগিয়ে চললো সামনের দিকে। আর সম গতিতেই পেছাতে থাকলো সে। একেবারে শেষ মাথায় চলে এসেই ছপ করে তুলে নিলো লগি। তারপর আবার এগুলো সামনে। এভাবে একের পর এক লগির ভরে ঢেউ কেটে কেটে কেটে ভেলা ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দুলাল। আর দু’পা ছড়িয়ে আয়েস করে বসে আছে ময়না।&lt;br /&gt;- এই দুলাইল্লা, একটা গান ধরছনা&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;উৎফুল্ল হযে উঠল দুলাল। লগির ভর কোমল করে দিয়ে বড় করে একটি শ্বাস নিয়ে নিলো। তারপর কচি গলা ভাসিয়ে দিলো হাওরের মৃদু বাতাসে ‘মন মাজি তঅর বৈডা নেরে/আমি আর বাইতে ফারলাম না.....’&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;তাচ্ছিল্ল করল ময়না&lt;br /&gt;- আরে ধুরু তুই এইহান-অ বইডা (বৈঠা) পাইলি কই? বোরা (ভেলা) বাইতাছস লগ্যি দিয়া ভরাইয়া (ভর দিয়ে) আর গাণের মইদ্যে কছ বইডার কতা!&lt;br /&gt;- লগ্যির কোন গাণ জানিনা আমি।&lt;br /&gt;- কী ছাতা জানস তুই?&lt;br /&gt;লজ্জায় মাথা নুইয়ে রাখলো কিছুক্ষন। তারপর হঠাৎই যেন উদ্যম ফিরে পেল দুলাল। দ্বিগুণ শক্তিতে লগিতে ভর দিয়ে তীর বেগে ভাসিয়ে চললো ভেলা। আর আবৃত্তি করতে লাগলো ‘স্বর-অ, স্বর-আ/লগ্যি দিয়া ভরাইয়া/মাস্টর গেছে আরাইয়া/হ্রস্য-ই, দীরগু-ঈ/মাস্টর পাইছি....”&lt;br /&gt;হেসে কুটি কুটি ময়না। সংক্রমিত হয়েছে দুলালও। হাসির দমকে ভেলা থেকে পড়ে যাওয়ার অবস্থা আরকি। হাসছে, হাসছে আর হাসছে। চোখ থেকে গড়িয়ে পরছে জল। তারপর আকাশ থেকে নেমে এলো ঝুম বৃষ্টি। তুমুল বর্ষার এ বর্ষণ ওদের হাসি নি:সৃত জলকে একাকার করে দিলো আকাশ আর হাওরের নীলের সাথে।&lt;br /&gt;৪ জুলাই ২০১০&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-1343575751465001149?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/1343575751465001149/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=1343575751465001149&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1343575751465001149'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1343575751465001149'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post_9730.html' title='নেমে এলো ঝুম বৃষ্টি'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-2884059738065033049</id><published>2010-07-17T20:14:00.000+06:00</published><updated>2010-07-17T20:15:31.731+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>পানি আবার কিনে খায় কিভাবে!</title><content type='html'>মোটরসাইকেলটা শাহজাহান আলীর কাছে এক স্বপ্নের যান। সারাদিনই যন্ত্রটার পিঠে চড়ে ভট ভট শব্দ তুলে ঘুরে বেড়ায় এখানে-সেখানে। কোনো কাজটাজের উদ্দেশ্যে যে তা নয়, ড্রাইভিংটা ভালো করে রপ্ত করা আর এই ফাঁকে মোটর সাইকেলের আভিজাত্য দেখিয়ে বেড়ানো আর কি! আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার দাবি জানিয়ে নাকি গাঙ্গাটিয়া গ্রামের জনগণ তাকে সেকেন্ড হ্যান্ড এ বাহনটি উপহার দিয়েছে। কিন্তু ময়নার কাছে ভিন্ন খবর- কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করার শর্তে দশ বছরের ব্যবহৃত এ মোটরসাইকেলটি কিনে এনেছে শাহজাহান আলী। পুরনো হলে কি হবে, এর পিঠে চড়ার স্বাদ অমৃতসম। এমন কথা শাহজাহান আলীর মুখে শুনলেও ততটা বিশ্বাস করতে পারছে না ময়না। কারণ স্থান-কাল পাত্র বিবেচনা না করেই ভুঁ-ভুঁও-ভুঁওওওওক্ করে যন্ত্রটার স্টার্ট বন্ধ হয়ে যেতে দেখে সে। এতে অবশ্য এর মালিকের উৎসাহে কোনো ভাটা পরতে দেখা যায় না । এই ধরা যাক এখনকার কথাই, কাঁদা-পানিতে জ্যাম হয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটিকে ঠেলে নিয়ে যেভাবে এগিয়ে আসছে ওদের দোকানের দিকে, তাতে মনে হচ্ছে মহাপরাক্রমশালী কোনো দৈত্যের সাথে সম্মুখ সমরে সে এক বিজয়ী বীর।&lt;br /&gt;- ময়নারে, তোতা মিয়া কই?&lt;br /&gt;হাঁপাতে হাঁপাতে জিজ্ঞেস করল শাহজাহান আলী&lt;br /&gt;- বাপজান বাড়ির বিতরে আছে।&lt;br /&gt;- ডাক দিয়া ক-অ আমি আইছি। আর আমার লাগি এক কাপ চা বানা&lt;br /&gt;- বাপজন, শারজাহান পুতু ((শাহজাহান চাচা) তোমারে ডাকতাছে।&lt;br /&gt;ময়নার ডাক শেষ হওয়ার আগেই ওদের দোকান আর ভেতর বাড়ির সংযোগের দরজাটি খোলে গেল। কাঁধে গামছা ঝুলিয়ে অলস ভঙ্গিতে বেরিয়ে এলো তোতা মিয়া&lt;br /&gt;- আরে শারজাহান বাইছা (ভাই সাহেব) কইত্তে?&lt;br /&gt;- বাজারেত্তে আইলাম আরহি, যানডা একবারে বাইরইয়া যাইতাছে। চিন্তা করলাম তর দোহানের এক কাপ চা খাইয়া যাই। একটু জিরানিও অইল আর তর লগে দুইডা আলাপ-অ অইল।&lt;br /&gt;বলতে বলতে মোটরসাইকেলটাকে সমতল জায়গায় দাঁড় করিয়ে ধপ করে বেঞ্চিতে বসে পরল শাহজাহান আলী। তারপর মুখের হাসি অটুট রেখেই পরম মমতায় তাকিয়ে থাকল ওটার দিকে। মমতা ঝারলো তোতা মিয়াও&lt;br /&gt;- প্যাক-কাঁদায় দেহি আপনের গাড়িডা মারা লাইগ্যা (একাকার হয়ে) গেছে।&lt;br /&gt;- মারা লাগদনা! রাস্তাডার অবস্তা কী, দেখছস নি?&lt;br /&gt;- বালা কতা মন-অ করছ-অ বাইছা, রাস্তাডা ঠিক করনের লাইগ্যা কোন সেঙশন (অনুদান) পাইছনি?&lt;br /&gt;- আর কইছনা। এই রাস্তার লাইগ্যাইতো হেদিন ডাহা (ঢাকা) গেছিলাম এমপি সাবের লগে দেহা করতে।&lt;br /&gt;- পরে এমপি সাব কী কইল?&lt;br /&gt;- দেহা আর করতে পারলাম কই, ডাহা শহর-অ গাড়ি-গোড়ার জামের (জ্যাম) লাইগ্যা চলুন যায় নাকি? দেহা করার কতা আছিন এগারডার সময়, এমপি সাবের বাসাত গিয়া উঠলাম বারডা বত্রিশ মিনিডে। গিয়া দেহি ওনি বাসাত্তে বাইরইয়া গেছে গা।&lt;br /&gt;- তুমি ইকটু আগে রওনা দিলেই পারতা।&lt;br /&gt;- আগেই রওনা দিছিলাম। তারপরেও দেরি। ডাহা শহরের জামের কি কোন ঠিক-ঠিকানা আছে? একবার আটকাইয়া থাকলে আর ছারুনের নাম নাই। ঘন্টার পরে ঘন্টা ঠাডাপুড়া রইদের (প্রখর রোদের) মইদ্যে গাড়িগুলাইন খারইয়া থাহে, আর ডাইবার, প্যসেঞ্জার সবাইর মথার চান্দি গরম অইয়া যায়। আর এই গরম চান্দি লইয়া, কেউ কেউরে সইহ্য করত পারেনা। একটু হেত-ভেত (এদিক-সেদিক) অইলেই লাইগ্যা দেয় কাইজ্জা।&lt;br /&gt;- আমি বুইজ্জা পাইনা, এই শহরের মানুষ বাঁচে কেমনে! নাই গাছ, নাই গাঙ, নাই পানি। শ্বাস ফালাইবার জায়গাডা পর্যন্ত নাই। খালি দালান আর দালান, গাড়ি আর গাড়ি। আমরার গেরাম অই বালা।&lt;br /&gt;- খালি এইগুলা অইলে ত-অ বালাই আছিন। পানি পর্যন্ত কিইন্যা খাওন লাগে। হেদিন পত্রিকার মাইদ্যে লেকছে পানির অভাবে নাকি ডাহা শহর মাডির নিচে ডাইব্বা যাইবগা।&lt;br /&gt;শিউরে উঠল ময়না। এ আবার কেমন শহর, পানি আবার কিনে খায় কিভাবে! ভারি অবাক মেয়েটি। পিপাসায় গলা শুকিয়ে আসে তার। ঢক ঢক করে এক জগ পানি গলায় ঢেলে স্থির হতে চেস্টা করলো। কিন্তু পারলনা। এমন কথা শুনলে স্থির হতে পারার কথাওনা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এই শহরেই থাকে মন্ত্রী-এমপিসহ বড় বড় লোকেরা। এদেরকেসহ যদি ঢাকা মাটির নিচে দেবেই যায়, তবে দেশ চালাবে কে? আর এই শহরের সাধারণ মানুষগুলারই বা কী অবস্থা হবে? জিজ্ঞেস করার ইচ্ছে হলো ময়নার। কিন্তু ততক্ষণে শাহজাহান আলী বেঞ্চি থেকে উঠে গিয়ে শখের বাহন পরিস্কারে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। লম্বা একটি কাঠি দিয়ে দুই চাকার ভেতর আটকে থাকা দলা দলা কাঁদা বের করে নিয়ে আসছে। এতে অবশ্য সামান্য ধকল যাচ্ছে তার উপর। কিন্তু বসবাসের অনুপযোগী ঢাকার পথের চেয়ে গ্রামের এই কাঁদায় ভরা মেঠো পথে শখের বাহন তাড়িয়ে বেড়ানোতেই হয়তো অনেক প্রশান্তি, ভাবল ময়না।&lt;br /&gt;২৭ জুন ২০১০&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-2884059738065033049?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/2884059738065033049/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=2884059738065033049&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2884059738065033049'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2884059738065033049'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post_7726.html' title='পানি আবার কিনে খায় কিভাবে!'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-704473841478842078</id><published>2010-07-17T19:44:00.000+06:00</published><updated>2010-07-17T20:05:56.059+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>ছায়ার মতো আগলে রাখে</title><content type='html'>- কী রে ময়না, বাপের লাইগ্রা অত উতলা অইছস কেরে?&lt;br /&gt;পিঁড়িতে বসে মেয়ের মাথায় বিলি কাটতে কাটতে জিজ্ঞেস করল মা।&lt;br /&gt;- রেডুত (রেডিওতে) কইছে আউজ্জা (আজ) সারাডা দিন বাপজানের লগে থাহনের লাইগ্যা।&lt;br /&gt;- কেরে আউজ্জা কী অইছে?&lt;br /&gt;- আউজ্জা বুলে বাবা দিবস। পৃথিবীর সব মানুষই আউজ্জা বাবার লগে কাডাইব। কিন্তু আমারে ঘুমে থুইয়াই বাপজান যে বাইর-অইল, অহন-অতো আইল না।&lt;br /&gt;- এই দেহ ছেরির মুহঅ (মুখে) যত আকাইম্মা কথা। তর বাপের কি আর কামকাইজ নাই যে সারা দিন তর লগে বইয়া থাকব!&lt;br /&gt;ময়নার মাথায় ভর্ৎসনাসুলভ মৃদু একটি ঝাঁকি দিয়ে কথাগুলো বলল মা। তারপর আবার মনোযোগ দিলো বিলি কাটায়। দুই হাঁটু ভাঁজ করে লক্ষ্মী মেয়ের মতো সামনের পিঁড়িটায় বসে আছে মা। ঠিক বসে থাকা নয়, বেশির ভাগ সময় পায়ের পাতার সামনের দিকটার ওপর ভর করেই উঁকি দিয়ে থাকতে হচ্ছে তাকে। কান্তি পেয়ে বসলে ভরসা হিসেবে পিঁড়িটা নিচে রয়েছে এই যা। চুলের ভাঁজে ভাঁজে মায়ের কোমল হাতের সঞ্চালন বেশ ভালোই লাগছে ময়নার। আরামে চোখ লেগে আসছে। বেশ কয়েকবারই ডলে পড়ে যাচ্ছিল। রাজ্যের ঘুম এসে চোখে ভিড় করলে কী-ই বা করার আছে ওর। কিন্তু মায়ের ঝাঁকুনি খেয়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও শক্ত হয়ে বসতে হয়েছে তাকে। একটু-আধটু ঝাঁকুনি আর বকুনি দিলেও মা-টা তার ভীষণ ভালো। আদর আর ভালোবাসা দিয়ে একেবারে আঁচলে আগলে রাখতে চায় ময়নাকে। আর এ কারণেই মাকে ছাড়া কোথাও গেলে এক দিনের জন্যও ভালো রাগে না ময়নার। ইস্! বাবাটাও যদি এমন হতো, তাহলে আর কোনো দুঃখই ছিল না ময়নার। একদমই বাড়িতে থাকে না বাবা। আর থাকলেও দোকানের কেনা-বেচা নিয়েই সময় পার করে। মাঝে মধ্যে ময়নাকেদোকানে বসিয়ে উধাও হয়ে যায়। সারা দিন ব্যস্ত থাকে হাটবাজারে। পৃথিবী ফর্সা হওয়ার আগেই হাওরে চলে যায় ক্ষেতের কাজে। এসব একদমই ভালো লঅগে না ওর কাছে।&lt;br /&gt;- আইচ্ছা মায়া (মা), বাপজান তোমার লাহান (মতো) অইল না কেরে?&lt;br /&gt;ময়নার আচমকা প্রশ্নে হাতের সঞ্চালন থামিয়ে ঝুলে থাকা কাপড়ের আঁচলটা নিজের কাঁধে ছুড়ে দিলো মা। তারপর আরাম করে পিঁড়িটায় বসে বলল,&lt;br /&gt;- দেহ আমার ছেরির ঢঙের কথা! তর বাপ হিবার আমার লাহান অইত কেরে?&lt;br /&gt;- তুমি যেমুন সারাক্ষণ আমার পাশে থাহ, বাপজান তো থাহে না। সারা দিন খালি এইহানে ওইহানে যায়।&lt;br /&gt;- বেক্কলের (বোকার) কথা হুনছনি! সারাদিন বাইত বইয়া থাকলে, কামাই না করলে আমরার সংসার চলব কেমনে?&lt;br /&gt;কথাটা ঠিকই বলেছে মা, ভাবল ময়না। বাবার এত ব্যস্ততা, এত ম্রম সব তো তার জন্যই। এটা এনে দাও, ওটা কিনে দাও এসব আবদার তো বাবার কাছেই করে সে। ওর ভালো লাগায় বাবাকে উৎফুল্ল হতে যেমন দেখেছে, তেমনি ওর মন ভার থাকলে বাবাকেও মন বার করে বসে থাকতে দেখেছে। কিন্তু যেমনভাবে মায়ের ভালোবাসার স্পর্শ অনুভব করে ময়না, বাবার বেলায় তেমনটি নয়। তবে বাবার বলিষ্ঠ হাত আর দূর থেকে ভালোবাসা যে সারাক্ষণ ছায়ার মতো আগলে রাখে তাকে, তা বেশ ভালোভাবেই অনুধাবন করে ময়না।&lt;br /&gt;- বাপজান কোন সুময় আইব মায়া? বাবা দিবস-ত শেস অইয়া যাইতাছে।&lt;br /&gt;- অইছে হুনছি, বেঢঙের কথা, এক দিনের লাইগ্যা অত দরদ ইতলাইয়া পড়ন বালা না (ভালো না)।&lt;br /&gt;বলতে বলতে পায়ের পাতার ওপর ভর করে উঁচু হলো মা। পাশে রাখা টিনের বাটি থেকে তেল নিয়ে মাখতে লাগল ময়নার মাথায়। আর সেও বুঝে গেল এখন আর কথা বাড়ানো ছলবে না। অর্থাৎ চুপ করে মাকে মায়ের কাজ করতে দিতে হবে।&lt;br /&gt;২০ জুন, ২০১০&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-704473841478842078?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/704473841478842078/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=704473841478842078&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/704473841478842078'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/704473841478842078'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post_460.html' title='ছায়ার মতো আগলে রাখে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-4670686028995000740</id><published>2010-07-17T19:43:00.000+06:00</published><updated>2010-07-17T19:44:35.133+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>আজ মন্তাজউদ্দিন বড়ই উৎফুল্ল</title><content type='html'>আজ মন্তাজউদ্দিন বড়ই উৎফুল্ল। কিন্তু কী কারণে এ সম্পর্কে কোন ধারণা করতে পারছে না ময়না। গোঁফের আড়ালে মুচকি হাসি নিয়েই দোকানে প্রবেশ করল মন্তাজ পুতু (চাচা)। তারপর বেঞ্চিটায় বসে এক কাপ চা দিতে বললো ময়নাকে। একজন লোক আপন মনে হেসে যাচ্ছে- ব্যাপারটা কিছুটা ব্যাখাপ্পা মনে হল তার কাছে। কিন্তু পরক্ষণেই ভাবলো, থাকনা ঠোঁটে হাসি। তাতে তো ময়নার কোন সমস্যা হচ্ছে না। কাউকে হাসতে দেখলে ভালোই লাগে তার। মন্তাজ পুতুর উৎফুল্ল মনের হাসিটা মুচকি হলেও এতে কোনো কুটিলতা কিংবা কৌতুক নেই। এটা-সেটা নিয়ে কৌতুক করতে অভ্যস্ত এ লোকটার হাসির সাথে ময়নার পরিচয় নেই, এমনটি নয়। তবুও আজ বেশ অপরিচিতই মনে হচ্ছে তাকে। কারণ এমন নির্মল ও তৃপ্তির হাসি এর আগে কে-ও হাসতে পেরেছে বলে মনে হয়না। নি:শব্দ উৎফুল্লতার হিল্লোল স্পর্শ করল ময়নাকেও, নিজের অজান্তেই অ™ভ’ত এক ভালোলাগার ঢেউ ভাসিয়ে নিয়ে গেল তাকে। অর্থাৎ উৎফুল্ল হয়ে উঠল ময়নাও।&lt;br /&gt;- একলা একলা পিটপিটায়া হাসতাছ কেরে পুতু?&lt;br /&gt;- তুই হাসতাছস কেরে?&lt;br /&gt;- তুমার হাসি দেইখ্যা।&lt;br /&gt;- আমি হাসতাছি বাংলাদেশের মাইনষের তৃপ্তির হাসি দেইখ্যা।&lt;br /&gt;কথাটা ঠিক বুঝতে পারলনা ময়না। বাংলাদেশের মানুষ আবার কখন হাসল! মন্তাজ পুতুই তো সেদিন বলেছিল এই দেশের মানুষকে ঘিরে রেখেছে কেবল সমস্যা আর সমস্যা। এত সমস্যার মাঝে থেকে কি কেউ হাসতে পারে! ব্যাপারটা জানার আগ্রহ হলো তার&lt;br /&gt;- কী এমুন ঘটল চাচা?&lt;br /&gt;- হুনছ নাই, আমরার দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজে দায়িত্ব নিয়া স্বজনহারা তিন কন্যার বিয়া দিয়া দিছে।&lt;br /&gt;-না হুনার কী আছে? এইডাতো সবাই হুনছে।&lt;br /&gt;- এই কারণে সবার ঠোঁটে তৃপ্তির হাসি।&lt;br /&gt;এমনভাবে তো ভেবে দেখেনি সে। সত্যিইতো কয়েকদিন যাবত দোকানে চা খেতে আসা লোকজনের মুখে মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রসঙ্গটি। আহা! বিয়ে বাড়িতে আগুন লেগে কত্ত মানুষই-না মারা গেল। প্রাণ হারালো পাত্রীদের বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজনসহ আরও কত্ত লোক। খবরটি শুনে খুব মায়া হয়েছিলো ময়নার। ভেবেছিলো আপনজন হারানোর সাথে সাথে বুঝি ভবিষ্যতটাও হারালো ওরা। কিন্তু যখন শুনল স্বজনহারা এ মেয়েদের মায়ের ভ’মিকায় এসে দাঁড়িয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী, তখন অন্যদের মতো ভালো লাগার অনুভূতি হয়েছিলো তারও।&lt;br /&gt;- বুঝলি মায়া (মা), প্রধানমন্ত্রী এই মহৎ কামডা কইরা একটা নজির দেহাইল। অহন তারে অনুসরণ কইরা আমরা যুদি একজনের দু:খরে দশজনের মইদ্যে ভাগ কইরা লই, তাইলে কি এই দেশের কোনো মানুষ নিজেরে অসহায় মনে করব?&lt;br /&gt;বলতে বলতে তৃপ্তির হাসি নিয়েই চায়ে শেষ চুমুক বসাল মন্তাজ উদ্দিন। তারপর খালি কাপটি বেঞ্চিতে রেখে উঠে দাঁড়ালো এবং জবাবের অপেক্ষা না করেই হাটা ধরল বাড়ির পথে। তার গমনপথের দিকে তাকিয়ে রইলো ময়না। আর অপেক্ষায় রইলো অন্য আরো দিনের, যখন মন্তাজ পুতুর হাসিটা হবে ঠিক আজকের মতো নির্মল ও তৃপ্তির।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-4670686028995000740?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/4670686028995000740/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=4670686028995000740&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4670686028995000740'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/4670686028995000740'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post_17.html' title='আজ মন্তাজউদ্দিন বড়ই উৎফুল্ল'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-7362601143636967357</id><published>2010-07-02T10:50:00.002+06:00</published><updated>2010-07-02T10:53:05.364+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আমার ডাইরি'/><title type='text'>কবি জাকির আবু জাফর এর ৩৯তম জন্মদিনে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TC1wXMPyCtI/AAAAAAAAAHU/MO7soeyQBuI/s1600/03.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TC1wXMPyCtI/AAAAAAAAAHU/MO7soeyQBuI/s320/03.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5489167064561224402" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গতকাল কবি জাকির আবু জাফর এর ৩৯তম জন্মদিনে&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-7362601143636967357?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/7362601143636967357/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=7362601143636967357&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/7362601143636967357'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/7362601143636967357'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/07/blog-post.html' title='কবি জাকির আবু জাফর এর ৩৯তম জন্মদিনে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TC1wXMPyCtI/AAAAAAAAAHU/MO7soeyQBuI/s72-c/03.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-2139040505137853824</id><published>2010-06-21T16:51:00.000+06:00</published><updated>2010-06-21T16:52:53.965+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>ভিনদেশি পতাকায় সয়লাব বাংলাদেশ</title><content type='html'>‘ছলাৎ’ করে একটি শব্দ হলো মাত্র। সাথে সাথে কাঁদা-পানিতে একাকার হয়ে গেল ময়না। কিছু বুঝে উঠার আগেই লক্ষ করল তার ঠিক সামনে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে একটি ফুটবল। আর সেটা নেয়ার জন্য দ্রুত এগিয়ে আসছে এক দল পুঁচকে ছেলে। ওরা ভালোভাবেই জানে যে ময়নার কাছে একবার বল আটক হলে ফেরত পাওয়া সহজ নয়।&lt;br /&gt;এ দিকে ময়নার মেজাজ দেখে কে! মনে হলো গোটা প্রকৃতিই যেন টিটকিরি করছে ওর সাথে। ঘাসের ফাঁকে জমে থাকা পানিতে সূর্যের খাড়া রশ্মি পড়ে চিকচিক করছে। কিন্তু ওর মনে হলো এই পানিও বুঝি চিকচিকে দাঁত বের করে হেয়ালি করছে। আর দেরি করল না ময়না। ফুট বলটা পুঁচকেদের আয়ত্তে চলে যায় যায়, এমন সময় ছুঁ মেরে নিয়ে নিল।&lt;br /&gt;-হ্যাই পোলাপাইন, চ্যাপচ্যাইপ্পা পানি (জমে থাকা পানি) ছাড়া খেলনের আর যাইগা নেই?&lt;br /&gt;আচমকা ধমকে ভয় পেয়ে গেল ওরা। হাত কাঁচুমাচু করে মাটির মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে রইল সবাই। ওদের পায়ের আঙুল থেকে মাথার চুল পর্যন্ত ঢাকা পড়েছে কাঁদায়। চাপচাপ কাঁদার ভারে চোখের পাতা পর্যন্ত মেলতে পারছে না কয়েকজন। আর যারা পাড়ছে তাদের চোখের ভাষায় ফুটে উঠছে ফুটবলটি ফেরত পাওয়ার আকুলি বিকুলি। মুখ ফুটে বলার সাহস নেই, ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে তবু। পরনে হাফপ্যান্ট থাক বা না থাক, প্রায় সবার কপালেই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকার মতো ফিতা বাঁধা রয়েছে। ব্যাপারটা গোচরে আসার পর ফুটবলটাকে নিজের সাথে আরো সেঁটে নিলো কাঁদা-পানিতে কিম্ভুত ময়না। তারপর খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল ন্যাংটা ছেলেদের কপালে কপালে। নাহ্! আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল ছাড়া অন্য কোনো দেশের পতাকাই নেই। অবশ্য থাকলেও চিনতে পারত না একমাত্র লাল সবুজ পতাকাটি ছাড়া। কিছুটা অবাকই হলো সে।  ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে বাড়িতে বাড়িতে, দোকানে দোকানে পতাকা উড়ছে, কিন্তু কোথাও বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা চোখে পড়ছে না। অথচ খাতার পুরো পৃষ্ঠাজুড়ে সবুজ জমিনে লাল বৃত্ত এঁকে একটি পতাকা বানিয়েছিল সে। আহলাদ  করে সেঁটেও রেখেছে দোকানের বেড়ায়।&lt;br /&gt;-ভিইজা এইত্তো গেছগা ময়না বুবু, আমরার লগে খেলাত নাইম্যা পর। আমরা বিশ্বকাপ খেলতাছি&lt;br /&gt;একজন একটু এগিয়ে এসে সাহস করে কথাটা বলল। তারপর আবার চলে গেল নিরাপদ দূরত্বে। কিন্তু খেলার আমন্ত্রণ পেয়ে যে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে ময়না, এতটা ভাবেনি ওরা।&lt;br /&gt;-তুমি কোন পক্ষে আর্জেন্টিনা না  ব্রাজিল?&lt;br /&gt;-আমি বাংলাদেশের পক্ষে&lt;br /&gt;ঠিক বুঝে উঠতে পারল না ওরা। বুঝার খুব একটা প্রয়োজনও মনে করল না। হই হই করে নেমে গেল মাঠে। কাঁদা-পানিতে আলোড়ন তুলে আবার শুরু হেয়ে গেল ফুটবল বিশ্বকাপ। আর ছোট্ট ফুটবলটি ঘুরতে লাগল আর্জেন্টিনা থেকে ব্রাজিল, ব্রাজিল থেকে আর্জেন্টিনা কিংবা স্বপ্নচারি বাংলাদেশের পায়ে পায়ে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-2139040505137853824?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/2139040505137853824/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=2139040505137853824&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2139040505137853824'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2139040505137853824'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/06/blog-post.html' title='ভিনদেশি পতাকায় সয়লাব বাংলাদেশ'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-3455222739234161199</id><published>2010-05-30T14:25:00.001+06:00</published><updated>2010-05-30T14:31:31.317+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>মুসা ইব্রাহিম নামের লোকটি</title><content type='html'>এই তো সবুজ আইয়া পড়ছে।&lt;br /&gt;বলতে বলতে উঠে দাঁড়ালো একজন। যেন তোতা মিয়ার দোকানের এই জটলাটা তার অপেক্ষাতেই ছিল। অনেকগুলো চোখের কৌতূহলি দৃষ্টিতে বিব্রত হলো সবুজ। এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়ে পাস করার পর লোকজনের কাছে কদর একটু বেশি-ই পাচ্ছে সে। মাঝে মাঝেই এ নিয়ে লজ্জায় পড়তে হয়।  কী করবে বুঝতে পারল না সে, এমন সময় ভিড়ের মধ্য থেকে অন্য একজন হাঁক ছাড়ল...&lt;br /&gt;-আরে, আগে বইতে দে সবুজরে।&lt;br /&gt;চট করে একজন উঠে গিয়ে খালি করে দিলো বেঞ্চির একটা অংশ। সামান্য ইতস্তত করে মধ্যমণি হয়ে বসল সে। দোকানের সামনের পুরো জটলাটা ঘিরে ধরল তাকে। সবাই উৎসাহী। কারণ ওরা ভীষণ উদগ্রীব হয়ে আছে মুসা ইব্রাহিমকে নিয়ে।&lt;br /&gt;ব্যস্ত হয়ে চা তৈরি করতে করতে তোতা মিয়া জিজ্ঞেস করল...&lt;br /&gt;-মুসা ইব্রাহিম দেশে আইব কবে, এমুন কিছু লিখছে-টিকছে নাকি পত্রিকাত?&lt;br /&gt;জবাবটা ভালো করে শুনবে বলে চোখ দুটো কচলে নিলো ময়না।&lt;br /&gt;-কয়েক দিনের মইধ্যেই আইয়া পড়ব।&lt;br /&gt;সবুজ ভাইয়ের জবাব শেষ হতে না হতেই প্রশ্ন করল অন্যজন&lt;br /&gt;-হিমালয় উঁচা (উঁচু) কতখানি?&lt;br /&gt;-এই ধরুইন, আপনের আমার মতো পাঁচ হাজার মানুষও যদি একজনের মাথার উপরে আরেকজন উইট্টা খাড়ই তবুও হিমালয়ের আগা (চূড়া) লাগুইল পাওন যাইত না (স্পর্শ করা যাবে না)।&lt;br /&gt;-আরেব্বাইসরে, ছেড়ার বুকের পাটা দেখছনি, কত উপরে গিয়া উটছে!&lt;br /&gt;বলল মুরব্বি গোছের একজন, তারপর ফুড়ুৎ করে কাপে চুমুক বসিয়ে ধীরে ধীরে মাথা তুলল অন্যজন।&lt;br /&gt;-আমরার দেশের মাইনষের বুকের পাটা, চেষ্টা, বুদ্ধি-সুদ্ধি সব আছে। কিন্তু পথ দেহানোর মত মানুষ নাই। এই মুসা কত কষ্ট-মষ্ট কইরাই না টেহা জোগার করল হিমালয়ের আগায় উঠনের লাইগ্যা। সরকার কি কিছু সহযোগিতা করতে পারত না তারে? আছে ত খালি দুর্নীতি কইরা প্যাট মোটা করনের ধান্দায়।&lt;br /&gt;অন্য একজন খেদ ঝাড়ল।&lt;br /&gt;-আর সহযোগিতা! এসব কথা কইয়া কোনো লাভ নাই। জগতের নিয়মডাই এমুন। আমরার সবুজের কথাই ধর, সারা দিন ক্ষেতে কাম কইরা, খাইয়া না খাইয়া থাইক্কা এমুনভাবে মেট্রিক পাস করল যে অহন দশ গেরামে আমরা মাথা উঁচা কইরা কথা কইতে পারি। কিন্তু পরীক্ষার আগে ক্ষেতে কাম করার সময় কয়জন খোঁজ লইছিলা যে সবুজ কয় বেলা খাইছে কী খাইছে না?&lt;br /&gt;-হ, একবারে খাঁটি কথা কইছ। অহন সবুজরে লইয়া আমরাই তো নাচানাচি করি।&lt;br /&gt;তারপর একসাথে কথা বলতে শুরু করল সবাই। সৃষ্টি হলো শোরগোল। তবে এ জটলার সব কথা ঘুরপাক খেতে থাকল মুসা ইব্রাহিম আর সবুজকে ঘিরে।&lt;br /&gt;পরিচিত মানুষদের উল্লাস, কাপে ফুড়–ৎ-ফাড়–ৎ চুমুকের শব্দ আর জটলা থেকে কুণ্ডলি পাকিয়ে উপরে উঠতে থাকা বিড়ির ধোঁয়া পর্যবেক্ষণ করতে করতে অ™ভূত এক ভালোলাগায় ডুবে গেল ময়না। পাহাড়ের উপরে উঠে দেশের জন্য কী সুনাম অর্জন করা যায়, তা স্পষ্ট না হলেও মুসা ইব্রাহিম নামের লোকটি যে কিছু একটা অর্জন করেছে এ ব্যাপারে সে নিশ্চিত।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-3455222739234161199?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/3455222739234161199/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=3455222739234161199&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3455222739234161199'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3455222739234161199'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/05/blog-post_30.html' title='মুসা ইব্রাহিম নামের লোকটি'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-2079777798017684444</id><published>2010-05-25T14:17:00.001+06:00</published><updated>2010-05-25T14:18:34.905+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>লেহাপড়া করতে পইসা লাগে</title><content type='html'>শাহজাহান আলী লোকটা ভালো কি মন্দ এ সম্পর্কে ময়নার তেমন ধারণা নেই। তবে লোকমুখে শুনেছে তার বাবা রাশিদ মেম্বার নাকি নিজ হাতে তিন তিনটা ডাকাত জবাই করেছিল। সঙ্গত কারণেই শাহজাহান আলীকে সমীহ করে চলা প্রয়োজন। অনেকে করেনও। তবে ময়নার কাছে সমীহ পাওয়ার যোগ্য সে নয়। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে কি কারণে? কোন সদুত্তর দিতে পারবেনা সে। লোকটাকে ভালো লাগেনা, ব্যস। কিভাবে আর ভালো লাগবে! দোকানের বেঞ্চিটায় বসে আছে ঘন্টাখানেক হলো। এর মধ্যে এক কাপ চা-ই কেবল খেয়েছে। আর সদ্য মেট্টিক পাশ করা সবুজ ভাইকে প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে ঝাঁজরা করে দিচ্ছে।&lt;br /&gt;বাবা দোকানে নেই। বেচাকেনা সামাল দিতে হচ্ছে ময়নাকে একাই। এটা দাও ওটা দাও। এমনিতেই মেজাজ টঙ হয়ে আছে। তার উপর এতক্ষন ধরে একটা লোক বেঞ্চি দখল করে থাকলে কার সহ্য হয়। শুধু বসে থাকলেও হতো, একেবারে পা তুলে দিয়ে আরাম করে পরীক্ষা নিচ্ছে সবুজ ভাইয়ের।  শহরে ভর্তি হতে গেলে নাকি অনেক কিছু জানা থাকতে হয়।&lt;br /&gt;- আচ্ছা বলতো আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলো কে?&lt;br /&gt;হঠাৎ-ই বইয়ের ভাষা (শুদ্ধ ভাষা) শুনে কৌতুহল হল ময়নার। অবশ্য শাহজাহান আলীর মুখে এমন ভাষা আজই প্রথম শোনা গেছে তা নয়। পর পর ছয় বার মেট্রিক পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারলেও শিক্ষিত ও নেতৃত্বের গুণাবলীসম্মন্ন লোক হিসাবে এলাকায় যথেস্ট যশ রয়েছে তার।  সে হিসাবে মাঝে মাঝে বইয়ের ভাষায় কথা বলা দায়িত্বের আওতায় পরে।&lt;br /&gt;প্রশ্ন করার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই জবাব দিয়ে দিলো সবুজ ভাই। কি বলেছে সঠিক বুঝতে না পারলেও ‘কলাম বাঁশ’ ধরনের একটা শব্দ ময়নার কানে এলো। এমন বাঁশের নাম সে জীবনে শোনেনি।&lt;br /&gt;আগ্রহ হারিয়ে গেলো ময়নার। মনযোগ দিলো কেটলির দিকে। জ্বালানি পেয়ে উসকে উঠল চুলার আগুন। সেই সাথে উথলে উঠল সবুজ ভাইয়ের প্রতি তার দরদ। আহা, বেচারা কত কষ্ট করেইনা লেখাপড়া করেছে। রোদে-বানে সারাদিন ক্ষেতে কামলা খেটেছে। তারপর শ্রান্ত শরীর নিয়ে রাতে কোথায় ঘুমাতে যাবে তা নয়, বই নিয়ে বসেছে নুমানদের বাংলা ঘরে। নিজের বাড়িতে  কুপি জ্বালানোর সাধ্য না থাকলেও হারিকেনের আলোতে নুমানকে পড়াতে পড়াতে নিজের পড়াটাও চালিয়ে গেছে। নুমানের বাবা-ইতো বইপত্র কিনে দিলো তাকে।&lt;br /&gt;- এই ছেরা, চাকরি করবিনাতো কি করবি? তোর বাপের কি পইসা আছে? কলেজে লেহাপড়া করতে পইসা লাগে, পইসা।&lt;br /&gt;শাহজাহান আলীর উচ্চবাচ্চে ধ্যান ভাঙল ময়নার। লক্ষ্য করল একেবারেই চুপসে গেছে সবুজ ভাই। মাথা নুইয়ে এমনভাবে বসে আছে যেন একশ’একটা খুনের আসামি।&lt;br /&gt;- জ্ঞানবুদ্ধি-ত দেখলাম বালাই আছে। তো সহজ কথা সহজে বুঝসনা কেরে (কেন)! জিপিএ পাঁচ কি তুই একলাই পাইছস ? সারা দেশে এমুন রেজাল্ট করছে বহুত পোলাপান। এরার (এদের) ভীরের মইদ্যে তর মত সবুজের কোন পাত্তা থাাকবোরে?&lt;br /&gt;সবুজ ভাইয়ের শরীর থেকে দরদর করে ঘাম ঝড়ছে, লক্ষ্য করল ময়না।&lt;br /&gt;- তর বাপেরে ক’ কিছু টেহা যোগার করতে, দেহি পুলিশের চাকরিতে  ঢোকায়া দেয়ন যায় কিনা।&lt;br /&gt;বলতে বলতে পাঞ্জাবির হাতা দুটো ভাঁজ করে নিল শাহজাহান আলী। উঠে দাঁড়ালো এবং জবাবের আশায় শেষবারের মত তাকালো সবুজের দিকে। তারপর আশাহত হয়ে পা  বাড়ালো বাড়ির পথে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-2079777798017684444?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/2079777798017684444/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=2079777798017684444&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2079777798017684444'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/2079777798017684444'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/05/blog-post_25.html' title='লেহাপড়া করতে পইসা লাগে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-1378882332471909374</id><published>2010-05-17T16:18:00.002+06:00</published><updated>2010-05-17T16:31:29.555+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>আগুন বেয়ে পড়ছে</title><content type='html'>‘.... ডুক্কু ডুক্কু লাই/পাতা কাটা যাই/পাতার ঝুম ঝুম/বেহালা বাজাই/বেহালার তরে/মৌমাছি ঘুরে/মৌমাছি ঘুরে...হ’&lt;br /&gt;এই দম ছাইড়া দিছে, দম ছাইড়া দিছে, ময়না বুবু দম ছাইড়া দিছে। বলতে বলতে ময়নার গা ছুঁয়ে দিলো একজন। অর্থাৎ ময়না তখন মরা (খেলায় নিষ্ক্রিয়)।&lt;br /&gt;ভ্যাপসা গরমে আমগাছের ছায়ায় বৌচি খেলছে এক দঙ্গল ছেলেমেয়ে। মাথার ওপর ছায়া আছে বটে, বাতাসের নামগন্ধ নেই। ভাটার মতো জ্বলছে সূর্য।  চোখ তুলে তাকানো যায় না। এদকি-ওদিকের স্পষ্ট রশ্মিগুলোতে উড়ন্ত ধুলোর চিক চিক। খড়ের নতুন পুঞ্জি আর রোদে শুকাতে দেয়া ন্যাড়ার ভাপ আরো চিটচিটে করে তুলছে শরীর। সেই চিটচিটে শরীর নিয়েই লুটোপুটি খাচ্ছে ওরা। দৌড়ে বেড়াচ্ছে পুরো মাঠ।&lt;br /&gt;খেলায় মরে যাওয়ার পর অনেকটা হতাশ হয়েই আমগাছের শেকড়ে এসে বসেছে ময়না। পর্যবেক্ষণ করছে অন্যদের খেলা। সেই সাথে কামনা করছে নিজের দলের বিজয়। ভ্যাপসা গরমে ঘাম তো নয়, যেন আগুন বেয়ে পড়ছে শরীর থেকে।&lt;br /&gt;গাছের শেকড়গুলো প ুরুষ্ট, আর বসার জন্যও বেশ। মনো হলো যেন রাজার সিংহাসনে বসে আছে সে। এখন একটু ফুরফুরে বাতাস এলেই ষোলকলা পূর্ণ হয়। ওপরের দিকে তাকায় ময়না। নাহ, গাছের একটি পাতারও নড়াচড়া নেই। ডাঁসা ডাঁসা আমগুরো জুলে আছে নির্জীব। কয়েকটি পেকে হলদেটে রযও ধরেছ্ েইস, একট া আম যদি খাওয়া যেত। একবার ইচ্ছে হলো ঢিল ছুঁড়ে...। পরক্ষণেই মনে হলো মন্তাজ চাচার কথা। বাতাসে ঝরা আম কুড়িয়ে নিতে কখনো বাধা নেই চাচার। কিন্তু গাছে ঢিল পড়েছে তো সেরেছে।&lt;br /&gt;- ময়না বুবু, লও গাঙের পানিতে যাই।&lt;br /&gt;হঠাৎ লক্ষ করল ছেলেমেয়ের দঙ্গল তাকে ঘিরে দঁইড়য়ে আছে। আমের তেষ্টায় বিভোর হয়ে ওঠায় কখন যে খেলার গোল্লা উঠে গেল, খেয়ালই করল না সে।&lt;br /&gt;- গাঙে জুয়াইরা (নতুন) পানি আইছে, অহন ডুবাইলে (দাপাদাপি করলে) জ্বর আইব।&lt;br /&gt;ময়নার কথাতে মোটেই নিরুৎসাহিত হলো না ছেলেমেয়েরা।&lt;br /&gt;- শইল জুড়াইয়া পানিতে নামলে কিচ্ছু অইত না।&lt;br /&gt;- আইচ্ছা অহন বইয়া থাক, আগে জিরাইয়া লই, পরে গাঙে যায়াম (যাবো)।&lt;br /&gt;ময়নার এক কথাতেই শেকড় ঘিরে বসে পড়ল প ুরো দঙ্গল। শরীরের ঘাম ঝেড়ে ফেলতে ফে লতে ভাঙা কণ্ঠে  গান ধরল একজন- ‘আল্লা মেঘ দে/পানি দে/ছায়া দে রে তুই/আল্লা মেঘ দে।’ এতট ুকু বলতেই ধমকে উঠল ময়না।&lt;br /&gt;- অইছে হুনছি। গাছের ছেমাত (ছায়ায়) বইয়া থাইক্কা আল্লার কাছে ছেমা চাস। আর গাঙের  প ানি আইয়া ক্ষেতের (জমির) ফসল সব তলাইয়া দিলো, তার পরেও পানি চাস।&lt;br /&gt;লজ্জায় গানের গলা ক্ষীণ হয়ে এলো ছেলেটার। তারপ র একেবারে থেমে গেল। কিছুক্ষণ চুপচাপই কাটল ওদের। এক সময় ময়না আবিষ্কার করল সবার দৃষ্টিই গাছে ঝুলে থাকা আমের প্রতি।&lt;br /&gt;- আম খাইবি? খাইতে চাইলে আল্লার কাছে রোদন কর তুফানের (ঝড়ের) লাইগ্যা। বৈশাখ মাস চইল্যা গেল, অহন-অ বৈশাইজ্ঞা তুফান (বৈশাখী ঝড়) আইল না।&lt;br /&gt;তারপর ময়না নিজেই সুর তুলল- ‘আল্লা তুফান দে/তুফান দে...রে.../আল্লা তুফান দে.... স থে সাথে একই কথার কোরাস ধরল সবাই।&lt;br /&gt;হইচই শুনে মন্তাজ চাচা বেরিয়ে এলো ঘর থেকে। ধীরে ধীরে এসে বসল ্ ামগাছের শেকড়টায়। ঠিক ময়নার পাশেই।&lt;br /&gt;- দোয়া কর, বালা কইরা দোয়া কর। তরার (তোদের) দোয়া কবুল অইব।&lt;br /&gt;তার কথা শুনে আরো উৎসাহিত হলো ছেলেমেয়ারা। গাইতে গাইতে মন্তাজ চাচাকেও ইঙ্গিত করল ধুয়া তুলতে।&lt;br /&gt;- বুইড়া মাইনষের দোয়া কি আল্লায় হুনব? আমার পাপের কারণে বৈশাখ মাসের তুফান আর বৈশাখে অয় না, ধান দাওয়ার (কাটার) আগে ধানি জমি পানিতে তলায়। আমরা পৃথিবীর হিসাব-কিতাব বদলাইয়া দিছি। আমরা বাড়াইয়া দিছি পৃথিবীর তাপ। মাথার ওপর অহন গনগনে তাপে সূর্য জ্বলে। পর্বতের বরফ গইলা ডুইবা যাইতাছে পৃথিবী।&lt;br /&gt;শিহরিত হয়ে উঠল ময়না। থেমে গেল কোরাস। পৃথিবী আবার ডুবে যায় কিভাবে!&lt;br /&gt;- তুমি এই সব কী কইতাছ পুতু? মানুষরা কি পৃথিবীর তাপ বাড়াইতে পারে?&lt;br /&gt;- পারে, পারে। প্রকৃতির নিজের একটা নিয়ম আছে। আমরা প্রকৃতিরে দূষিত কইরা তুলতাছি। এর াকরণে নিয়মের লগে তাল রাখতে পারতাছে না প্রকৃতি। দেখস না বৈশাখে অহন ঝড় অয় না, কিন্তু যহন অয় তহন সিডর অইয়া লন্ডভন্ড করে মানুষের প্রাণ। কামের সময় গাঙে পানি থাহে না, কিন্তু যহন থাহে বন্যায় ভাসাইয়া নেয় ভিটা। এইগুলো অইল প্রকৃতির প্রতিশোধ। অহন তুফানের লাইগ্যা আরো বেশি কইরা রোদন কর আল্লার কাছে। তুফান আইলে তরাও আম খাইতে পারব্ িআর পৃথিবী কিছুটা অইলেও আপন গতি ফিইরা পাইব।&lt;br /&gt;এতটুকু বলে থেমে গেল মন্তাজ চাচা। হঠাৎই ছন্দপতন হওয়ায় একট ু নড়েচড়ে বসল সবাই। তারপর আবার সুর তুলল ময়না- ‘আল্লা তুফান দে/তুফান দে...রে.../আল্লা তুফান দে....’ সাথে ধুয়া তুলল মন্তাজ চাচাসহ এক দঙ্গল ছেলেমেয়ে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-1378882332471909374?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/1378882332471909374/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=1378882332471909374&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1378882332471909374'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/1378882332471909374'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/05/blog-post_17.html' title='আগুন বেয়ে পড়ছে'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-3634428625747049075</id><published>2010-05-10T16:17:00.002+06:00</published><updated>2010-05-10T16:21:23.366+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>হুঁশিয়ার সাবধান খবরদার</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/S-fdjdkEH2I/AAAAAAAAAHI/Lv1jBuy8aE8/s1600/Abo-ed.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 249px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/S-fdjdkEH2I/AAAAAAAAAHI/Lv1jBuy8aE8/s320/Abo-ed.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5469583873765810018" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;গাঙ পারের হিজল গাছটায় বসে সেই কখন থেকে ডাকছে পেঁচাটা। একবার ‘মীমম’ ধরনের ভয়ঙ্কর শব্দ তুলে, তারপর কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে আবার। ঝিঁঝিঁ পোকার ঝিঁ ঝিঁ ঝিঁ ঝিঁ ঝিমমম লহরিতে ছেদ ঘটাচ্ছে শেয়ালের হাঁক। সব মিলিয়ে যেন প্রকৃতির এক ভুতুড়ে ঐকতান। সে ঐকতানের ছন্দ ভেঙে তীক্ষ্ম আওয়াজ তুলছে চৌকিদারের বাঁশি। থেকে থেকে ভেসে আসছে চিৎকার, হুঁশিয়ার-সাবধান-খবরদার। রাত যত গভীর হচ্ছে রহস্যধ্বনিও তত স্পষ্ট হয়ে আঘাত করছে ময়নার কানে। সেই সাথে আতঙ্ক ছড়িয়ে অবস করে দিচ্ছে তাকে। শিরশির করে উঠছে শরীর। শঙ্কিত হয়ে ভাবছে সে চৌকিদারের সাহসের কথা। একেকবার বাঁশির আওয়াজ কানে আসছে আর চৌকিদারের স্থলে নিজেকে ভেবে মেরুদণ্ড ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে তার।&lt;br /&gt;গভীর রাতে জিন-ভুতের বিচরণ থাকে অবাধ। ঘরের বাইরে তো বটেই এমনকি ভেতরে এসেও মানুষের উৎপাত করতে ছাড়ে না এরা। কিন্তু কি তাজ্জব ব্যাপার, এই চৌকিদার হুঁশিয়ার সাবধান বলে বলে মধ্যরাতে পাহারা দিয়ে বেড়াচ্ছে পুরো গ্রাম! ভাবতেই অবাক লাগছে ময়নার। বিছানায় এপাশ-ওপাশ করেও চোখের পাতা এক করতে পারছে না মোটেই। ময়নার ছটফটানিতে ঘুম ভেঙে গেল পাশে শুয়ে থাকা দাদীরও&lt;br /&gt;- ও ময়না, ময়নারে। নড়াচড়া করতাছস কেরে?&lt;br /&gt;- আমার ডর করতাছে খুব।&lt;br /&gt;আতঙ্কিত হয়ে উঠে দাদী। ঘুমের জড়তা কাটিয়ে ধরমড়িয়ে ওঠে বসে চৌকির ওপর। তারপর নাতনীকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে অস্বাভাবিক কিছু না দেখে অভয় দিয়ে বলে&lt;br /&gt;- আরে ডর কিয়ের, আমি তো আছি লগে।&lt;br /&gt;- অই চৌকিদারের লাগি ডর লাগতাছে আমার। মাইজ রাইতে (মধ্যরাতে) একলা একলা গেরাম পর  (পাহারা) দিয়া বেড়ায়। যদি জিন-ভুতে পায়?&lt;br /&gt;কোনো জবাব বেরোলনা দাদীর মুখ থেকে। এক পশলা ভয় মেশানো বাতাসের ধাক্কায় ধপ করে শব্দ তুলল টিনের জানালার পাল্লায়। সেই সাথে ধপ করে কেঁপে উঠে দাদীর ভেতরটাও। পরক্ষণেই দূর থেকে অস্পষ্ট ভেসে আসে চৌকিদারের হাঁক, হুঁশিয়ার-সাবধান-খবরদার। সাথে সাথেই যেন হুঁশিয়ার হয়ে যায় দাদী। তারপর ময়নাকে আশ্বস্ত করার জন্য বলে&lt;br /&gt;- জিন-ভুতের চৌদ্দ গোষ্ঠীর সাধ্যি নাই যে চৌকিদারের কোনো ক্ষতি  করে।&lt;br /&gt;- ভুতেরা কি চৌকিদারগরে ডরায়?&lt;br /&gt;- না ডরাইলে কি এত রাইত যাইগা এরা গেরাম পর দেয়? খালি এই চৌকিদারগরেই না, সরকারি পোশাক পরইন্যা (পরিহিত)  হগল সান্ত্রী, সেপাই, পুলিশগরে তারা (জিন-ভুতেরা) ডরায়।&lt;br /&gt;- ও আইচ্ছা, ভুতেরাও বুঝি সরকার আর সরকারি পোশাকরে মাইন্য কইরা চলে?&lt;br /&gt;জবাবে ছোট্ট করে ‘হু’ বলে আবার শুয়ে পরে দাদী। ময়নাকেও বালিশের ওপর টেনে দিয়ে হাত বুলিয়ে দেয় মাথায়। মিনিটখানেক পর চোখ জড়িয়ে আসায় থেমে যায় দাদীর সঞ্চালনরত  হাত। কিন্তু তখনো কৌতূহল থামেনা ময়নার। জানার আরো বিষয় ছিল তার। মন্তাজ পুতু (চাচা) যে সেদিন বলল ঢাকায় নাকি দু’জন পুলিশ খুন হয়েছে। দাদী জেগে থাকলে জিজ্ঞেস করত এদের খুনি কারা? ভেবে অবাক হচ্ছে ময়না। মানুষ ভয় পায় জিন-ভুতদের। আর তারা ভয় পায় পুলিশদের। যাকে ভুতেরা পর্যন্ত ভয় পায় তাকে খুন করা কিভাবে সম্ভব? তাহলে কি সরকারের চেয়েও এই খুনিদের ক্ষমতা অনেক বেশি?&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-3634428625747049075?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/3634428625747049075/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=3634428625747049075&amp;isPopup=true' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3634428625747049075'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3634428625747049075'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/05/blog-post.html' title='হুঁশিয়ার সাবধান খবরদার'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/S-fdjdkEH2I/AAAAAAAAAHI/Lv1jBuy8aE8/s72-c/Abo-ed.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-8497385658091816031</id><published>2010-04-29T12:45:00.002+06:00</published><updated>2010-04-29T12:46:25.654+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>কাঁদতে কাঁদতে বুক ভাসালো সখিনা বুবু</title><content type='html'>শুকনো খড়িকাঠের জ্বালানি পেয়ে উসকে উঠল চুলার আগুন। সেই সাথে উসকে উঠল চাচীর ক্রোধ। চুলার পাড়ে বসে থাকা জহুর চাচার দিকে একবার দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেখল ময়না। নাহ, কোনোই বিকার নেই তার। মুখ নিচু করে সরিষাবাটা দিয়ে একের পর এক চিতই পিঠা খেয়েই চলছে। স্ত্রীর মনের ঝাঁজে বিচলিত হওয়া তো দুরের কথা, সরিষার ঝাঁজও কোনো প্রভাব ফেলতে পারছে না তার ওপর। অন্তত চেহারা দেখে তা-ই মনে হচ্ছে ময়নার কাছে। গনগনে আগুনের তাপে লাল হয়ে ওঠা মুখটি আরো লাল হতে লাগল চাচীর।&lt;br /&gt;হাতে থালা নিয়ে চিতই পিঠা খেতে খেতে জহুর চাচাকে যতই দেখছে ততই অবাক হচ্ছে ময়না। চাচার এমন চুপচাপ বসে থাকাটা মোটেই ভালো লাগছে না তার। আজ হঠাৎ কী হলো যে বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে! বাড়ির সবাই তো ঠিকঠাকই আছ্ েকেউ মারা যায়নি। তা হলে কেনই বা সকালে কাঁদতে কাঁদতে বুক ভাসালো সখিনা বুবু! বুবুর কান্না দেখে বড়ই কষ্ট পেয়েছিল স্ েতা হলে কি মেয়ে কেঁদেছির বলেই জহুর চাচা কষ্ট  পেয়েছে? ভেবে কোনো কিনারা করতে পারল না ময়না।&lt;br /&gt;- আরেকটা পিডা(পিঠা) দেও সখিনার মা&lt;br /&gt;- অর্ধসেদ্ধ একটা চিতই পিঠা বিপুল বিক্রমে তুলে দিতে দিতে ঝামটা দিয়ে উঠল চাচী&lt;br /&gt;- খাও। খাওয়া ছাড়া আর কিছুতো পারবা না। কত কইরে কইলাম মাইয়াডারে গার্মেন্ট সে পড়ানোর কাম নাই। ঢাকা শহরে অহন বখাটে পোলারা বেসুমার ঘটনা ঘটাইতাছে।&lt;br /&gt;কোনো কথা বলল না জহুর চাচা। অর্ধসেদ্ধ চিতই পিঠাটি আবার খোলায় রেখে অপেক্ষায় থাকল পূর্ণসেদ্ধ হওয়ার। উত্তর না পেয়ে এবার যেন ক্রোধে ফেটে পড়তে চাইল চাচী। হাতের ছেনিটা খসে পড়ে টুং করে শব্দ তুলল খোলার ওপর। এ শব্দ-ই ধ্যান ভাঙাল চাচার। তারপর যেন স্থির শিলাখন্ড ফেটে বজ্রের আওয়াজ বেরিয়ে এলো....&lt;br /&gt;- আল্লাগো তুমি এই আমার উপরে জুলুম নাজিল করলা কেরে? আমি কী পাপ করছিলাম, আমার মাইয়া কী অন্যায় করেছিল? শিক্ষিত অইয়াও এই কাম কেমনে করল পোলাডা! আগে হুনতাম, ইস্কুল-কলেজে পড়লেই নাকি মানুষ অওয়ন (হওয়া) যায়। ময়নাও শুনেছে শিক্ষাই নাকি মানুষকে মানুষের মতো মানুষ করে তোলে। কিন্তু সখিনা বুবুর কান্নার সাথে তো এ কথার কোনো মিলই খুঁজে পাচ্ছে না ময়না। দেশেতো এখন অনেক লোকই পড়াশোনা করছে। তা হলে মানুষের এত অভাব কেন? ব্যাপারটা স্পষ্ট হওয়ার জন্য জহুর চাচার কথায় আরো মনযোগী হতে চেষ্টা করল ময়না। কিন্তু ততক্ষণে আবার উদাস হয়ে গেল চাচা। আর শুন্যে ঘুরপাক খেতে থাকা চাচীর চোখ থেকে এক ফে৭াটা পানি গড়িয়ে পড়ল চুলায় বসানো গরম খোলার ওপর। তারপর ময়নার চোখের সামনেই বাষ্প হয়ে উড়ে যেতে লাগল চিতই পিঠা পোড়ার ধোঁয়ার সাথে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-8497385658091816031?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/8497385658091816031/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=8497385658091816031&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8497385658091816031'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/8497385658091816031'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/04/blog-post_3881.html' title='কাঁদতে কাঁদতে বুক ভাসালো সখিনা বুবু'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-3855315801803047915</id><published>2010-04-18T13:04:00.002+06:00</published><updated>2010-04-18T13:14:57.354+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>সুতায় টান লাগাইবা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/S8qxLtRz1sI/AAAAAAAAAHA/-ovAouKKaH4/s1600/Ghuri.jpg"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 194px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/S8qxLtRz1sI/AAAAAAAAAHA/-ovAouKKaH4/s320/Ghuri.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5461372312831121090" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;‘‘পারে লয়ে যাও আমায়।&lt;br /&gt;আমি অপার হয়ে বসে আছি&lt;br /&gt;ওহে দয়াময়’’...&lt;br /&gt;বিস্তীর্ণ হাওরের বাতাসে ভেসে দূর থেকে দূরে ছড়িয়ে যাচ্ছে বয়াতির সুরের লহরী। ঢোল, তবলা, বাঁশি, হারমোনিয়াম আর করতালের তালে নেচে উঠছে মেলা প্রাঙ্গণ। আজ শেষ দিন বলে ভিড় একটু বেশি-ই। পিঁপড়ের মতো সারি বেঁধে মানুষ আসছে আর যাচ্ছে। তোতা মিয়াও এসেছে মেয়ে ময়নাকে সাথে নিয়ে।&lt;br /&gt;আজ ময়নার আনন্দের শেষ নেই। সেই সাথে শেষ নেই আবদারেরও। এটা কিনো, ওটা কিনো। বৈশাখের প্রচণ্ড তাপের মধ্যেও সারা দিন ঘুরে ঘুরে পছন্দের জিনিস কিনে বোঝাই করেছে ময়না। দুটো গ্যাস বেলুন কিনতে পেরে  খুশি আর ধরে না। বেলুন দুটো সারাক্ষণ আকাশের দিকে উঁকি দিয়েই আছে। ময়নার হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে উড়ে যেতে চায় যেন মেঘের রাজ্যে। পুতুল, মাথার রঙিন ফিতা, লাটিম, হাত ভরে পরার জন্য রিনরিনে চুড়ি এসব কিছুই কেনার বাকি নেই ময়নার। গরম জিলেপি, উরহা, তিলুয়া, খেলনা  আরো কত কী! আর নাগরদোলায় চড়তে কখনো ভুল করে না সে। অ™ভুত এক ভালো লাগার অনুভূতি রয়েছে এখানে। একবার মনে হয় আকাশে উঠে যাচ্ছে, আবার ফুড়ুৎ করে নেমে যাচ্ছে পাতালে। এভাবে আকাশ-পাতাল বিচরণ করতে বেশ ভালোই লাগে তার। সব মিলিয়ে নির্মল আনন্দের মাঝেই কাটছে ময়নার সময়।&lt;br /&gt;চোখেমুখে উচ্ছ্বাস নিয়ে সে দেখে আকাশে অসংখ্য ঘুড়ির উড়াউড়ি। মেলার এক কোণে চলছে ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা। রঙ-বেরঙের ঘুড়িগুলো গোত্তা খেয়ে খেয়ে যেন ময়নাকেই কাছে ডাকছে।&lt;br /&gt;-বাপজান আমি গুড্ডির (ঘুড়ির) লগে উড়াল দিয়াম।&lt;br /&gt;-তোর তো পাখির লাহান পাখনা নাইরে মায়া (মা), কেমনে উড়াল দিবি?&lt;br /&gt;-পাখনা লাগবে না বাপজান। আমি গুড্ডির লাহান পাতলা।&lt;br /&gt;হাসল তোতা মিয়া। সত্যিই তো, মেয়েটার মন ঘুড়ির মতোই হালকা।&lt;br /&gt;- উড়তে উড়তে যদি হারায়া যাস্...?&lt;br /&gt;-তুমি আমার লাটাই ধইরা রাখবা। উড়তে উড়তে যদি বাউলা বাতাসে পায়, সুতায় টান লাগাইবা।&lt;br /&gt;মেয়ের এমন ওজনদারী কথায় মোটেই অবাক হলো না তোতা মিয়া। কারণ ময়নার মুখ থেকে এ ধরনের কথা শুনে সে অভ্যস্ত। মেয়েটা তার বড়ই বুদ্ধিমতি। লক্ষ্মীও বটে।&lt;br /&gt;-ঠিকাছে মায়া, তোর খুশিমতো তুই আসমানে উড়বি। ঘুরবি। খেলবি। এবার চল পুতুলনাচ দেখতে যাব।&lt;br /&gt;বলে পা বাড়ালো সামনের দিকে। কিন্তু পরক্ষণেই থমকে যেতে হলো তাদের। হই হই করে ওদের দিকে ভেসে আসছে জনস্রোত। মুহূর্তের মাঝে গুঁড়িয়ে যেতে দেখল পুতুল নাচের পাশের প্যান্ডেলটা। ঘের দেয়া এ প্যান্ডেলের ভেতর-ই চলে টাকার খেলা। তোতা মিয়ার বুঝতে আর বাকি রইলো না, টাকার উত্তাপে তাতিয়ে ওঠা জুয়াড়িদের হট্টগোল এটি।&lt;br /&gt;ধীরে ধীরে হাঙ্গামা ছড়িয়ে যেতে লাগল মেলাজুড়ে। থেমে গেল বয়াতির গলা। সেই সাথে থেমে গেল পুরো মেলার নাচন। মানুষের উদভ্রান্ত ছুটাছুটি আর হইচই কানে তালা লাগিয়ে দিয়েছে তাদের। তোতা মিয়া ভালো করেই বুঝতে পারল এখানে আর এক মুহূর্তের জন্যও থাকা নিরাপদ নয়। ময়নার হাতটা শক্তভাবে ধরে সরে যেতে লাগল ভিড় থেকে।&lt;br /&gt;তারপর হাঁটতে শুরু করল ফসলের ক্ষেতের বুক চিরে ধুলোওড়া মেঠোপথ ধরে। পেছনে মেলার হট্টগোল। আর সামনে খোলা আকাশ। রোদ পড়ে গেছে। বেড়েছে মেঘের আনাগোনা। সারা দিনের উজ্জ্বলতার পর এখন যেন কান্নার প্রস্তুতি নিচ্ছে আকাশটা। কান্না পাচ্ছে ময়নারও। পুতুল নাচটা দেখে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল ভীষণ। কিন্তু কেন যে হঠাৎ পণ্ড হয়ে গেল সব, তার কিছুই বুঝতে পারল না ময়না। ভাবল, হট্টগোলকারীরা যখন তখন চাইলেই হয়তো সব পণ্ড করে দিতে পারে। এদের সুতায় টান লাগানোর মতো কেউ নেই।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-3855315801803047915?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/3855315801803047915/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=3855315801803047915&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3855315801803047915'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3855315801803047915'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/04/blog-post_18.html' title='সুতায় টান লাগাইবা'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/S8qxLtRz1sI/AAAAAAAAAHA/-ovAouKKaH4/s72-c/Ghuri.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-3504961318670669989</id><published>2010-04-04T14:38:00.001+06:00</published><updated>2010-04-04T14:56:14.386+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>আজ মন্তাজ উদ্দিন বড়ই বিমর্ষ</title><content type='html'>প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে তিন কি চারদিন যেন তার আসতেই হবে। কোনদিন এক কাপ চা, আবার কোনদিন সাথে একটা টোস্ট বিস্কিটও ভিজিয়ে খায়। আর খেতে খেতে কাউকে সাথে পেলে কিছুক্ষণতো বক বক করবেই। সেই কবেকার বর্ষায় তার ভিটে ভাঙ্গলো, কিভাবে অর্ধাহারে অনাহারে কাটালো, এসব গল্প। শুধু তা-ই নয়, দেশ বিদেশের নানা খবর বয়ে বেড়ায় এই মন্তাজ উদ্দিন। শুনতে বেশ ভালোই লাগে ময়নার।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আজ মন্তাজ উদ্দিন যেনো একটু বিমর্ষ। মুখ নিচু করে নীরবেই কাপে চুমুক দিয়ে যাচ্ছিলো। আহা, কত কষ্টইনা রয়েছে মানুষটার। তার মেয়ে ফজিলা খুন হয় দশ বছর বয়সে। কিন্তু কেউ জানে না কিভাবে খুন হলো । ওর লাশ ভেসে উঠেছিলো ভরা বর্ষার পানিতে। এরপর থেকেই নাকি সে ভবঘুরের মতো হয়ে গেছে । এসব কথা অনেকের মুখেই শুনেছে ময়না। কিন্তু ফুর্তিবাজ এই মানুষটির ভেতরে যে কষ্ট লুকিয়ে থাকতে পারে তা এর আগে বিশ্বাস করতে পারেনি। প্রতিটি চুমুক পর্যবেক্ষণ করতে করতে সে লক্ষ্য করলো চা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে মন্তাজ উদ্দিনের।&lt;br /&gt;- আরেক কাপ চা দেই পুতু (চাচা)?  উপযাজক হয়েই প্রস্তাব করল ময়না। এরপর সম্মতির অপেক্ষা না করে আরো এক কাপ চা বানানোর উদ্দেশ্যে গরম পানি ঢালতে শুরু করল সে।&lt;br /&gt;মাঝ বয়সী মানুষটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মুখ তুলল এবার। কিন্তু কোন জবাব না দিয়ে উদভ্রান্তের মত এদিক ওদিক দৃস্টি ঘুরিয়ে বিড় বিড় করে একটি শব্দ উচ্চারণ করল ‘খুন!’। শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল ময়নার।&lt;br /&gt;- পত্রিকার পাতায় লাল কালিতে বেসুমার খুনের খবর। বড়ির ভিতরে খুন, রাস্তায় খুন, ই্িসটশনে খুন। সারা দেশের বাতাসে অহন খুনের খবর। এত খুন রুখব কেডা?&lt;br /&gt;এতটুকু বলে দ্বিতীয় কাপটি টেনে নিয়ে আবার চায়ের দিকে মনযোগ দিলো মন্তাজ উদ্দিন।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3259611761767041934-3504961318670669989?l=smmoshahid.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://smmoshahid.blogspot.com/feeds/3504961318670669989/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=3259611761767041934&amp;postID=3504961318670669989&amp;isPopup=true' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3504961318670669989'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3259611761767041934/posts/default/3504961318670669989'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://smmoshahid.blogspot.com/2010/04/blog-post.html' title='আজ মন্তাজ উদ্দিন বড়ই বিমর্ষ'/><author><name>Moshahid</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08366293613942856735</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://1.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/TJR0DcjlS1I/AAAAAAAAAI8/ZqlObEMzRVA/S220/IMG_0257.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3259611761767041934.post-283456393699988838</id><published>2010-03-29T13:08:00.001+06:00</published><updated>2010-03-29T13:22:37.150+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাজঘর থেকে'/><title type='text'>ঘড়ির কাঁটায় সময় আঁটা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/S7BU83QgE7I/AAAAAAAAAG4/4jz6R-TbhQk/s1600/clock.gif"&gt;&lt;img style="float: left; margin: 0pt 10px 10px 0pt; cursor: pointer; width: 320px; height: 307px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_CR4BX5F59qI/S7BU83QgE7I/AAAAAAAAAG4/4jz6R-TbhQk/s320/clock.gif" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5453952553347716018" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;-কিরে তোর বাবার আর কত সময়? লোকটার প্রশ্নের জবাবে কিছু বললনা ময়না&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; কারণ তারও একই প্রশ্ন, কখন ফিরে আসবে বাবা আর কখনইবা কেরোসিন দিয়ে বিদায় করতে পারবে এই শহুরে দম্পতিকে&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;খানিকটা অধৈর্য্য হয়ে উঠে দাঁড়ালো মহিলা&lt;span&gt;।&lt;/span&gt;-বাড়ি চল এবার&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; দোকানি কখন ফিরে আসে কি না আসে তার কোন ঠিক নেই&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; আর কী আশ্চর্য্য গ্রাম-ই বা তোমাদের&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; নেই বিদ্যুৎ, নেই দোকান পাট&lt;span&gt;।&lt;/span&gt; একটা ঝুপড়ি যা-ও পাওয়া গেল, 
